ভাজাভুজি থেকে মাছ-মাংসের ঝোল, স্যুপ থেকে আচার— বাঙালির হেঁশেলে রসুনের কদর তুলনাহীন। কেউ কেউ আবার রোগা হওয়ার জন্যও কাঁচা রসুন চিবিয়ে খান। অ্যালিসিন নামক সালফার যৌগতেই লুকিয়ে রসুনের যাবতীয় গুণ। কিন্তু কেবল স্বাদবৃদ্ধি বা ওজনহ্রাস নয়, রসুন নাকি রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ফলে ডায়াবেটিকদের মধ্যে জনপ্রিয় হচ্ছে হেঁশেলের এই মশলা।
শরীর কী ভাবে ইনসুলিনকে ব্যবহার করবে এবং গ্লুকোজ়কে নিয়ন্ত্রণে রাখবে, সেই কাজে রসুনের খানিক অবদান আছে বলে দাবি একাধিক গবেষণায়। কিন্তু কাঁচা না রান্না করা রসুন, কোনটি সুগারের জন্য বেশি কার্যকর, সেটি জেনে নিতে হবে।
মধুমেহ রোগের চিকিৎসক আশিস মিত্রের মতে, রসুন শরীরের জন্য খুবই উপকারী। বয়স, যাপন, খাওয়াদাওয়া ইত্যাদি নানা কারণে রক্তসঞ্চালনকারী ধমনীগুলি সরু হয়ে যায়। সেটি আটকানোর জন্য এবং প্রদাহ কমানোর জন্য রসুনের জুড়ি মেলা বার। প্রদাহ কমানোর কারণে দেহে চর্বি জমার প্রবণতাও কমে যায়। তাঁর কথায়, ‘‘রসুন ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। অনেকেই এক কোয়া রসুন চিবিয়ে খান। কিন্তু তাতে সবচেয়ে ভাল কাজ হয় না। তাই কী ভাবে খেলে উপকার হবে, তা জেনে নিতে হবে।’’
ডায়াবিটিসের জন্য রসুন খাওয়ার সঠিক উপায়—
রসুনের মধ্যে অ্যালিনেজ় নামক এনজ়াইম এবং অ্যালিন নামক প্রোটিন মিলেমিশে তৈরি হয় অ্যালিসিন নামক যৌগ। কিন্তু এই অ্যালিসিন যৌগ পেতে হলে কাঁচা রসুন খেয়ে নিলে বা রান্নায় দিলে হবে না। তাতে পুষ্টিগুণ পাওয়া যায় না। রসুনের খোসা ছাড়িয়ে কুচি করে বা থেতো করে নেওয়ার পর ১০ মিনিট খোলা হাওয়ায় রেখে দিতে হয়। ওই সময়ের মধ্যে মুক্ত হাওয়ার সংস্পর্শে এসে অ্যালিনেজ় ও অ্যালিনের মিলনে অ্যালিসিন তৈরি হয়। যেই অ্যালিসিনের জন্যই রসুনের এত গুণ। তার পর সেই রসুন খেতে হয়। অথবা রান্নায় দিয়ে দিলেও পুষ্টিগুণ প্রবেশ করে তাতে।
অ্যালিসিন তৈরি হওয়ার পর কাঁচা খান বা রান্না করা, তাতে কোনও সমস্যা নেই। চিকিৎসক জানাচ্ছেন, এক কোয়া রসুন খেতে পারেন এ ভাবে। কিন্তু যাঁদের বদহজমের সমস্যা রয়েছে, তাঁরা রান্নায় দিয়েই খেতে পারেন। তবে যাঁরা রক্ত পাতলা করার ওষুধ খান, তাঁদের চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা না করে খাবেন না। সে ক্ষেত্রে রক্ততঞ্চনের উপর প্রভাব পড়তে পারে। তখন রক্তপাত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
শরীর কী ভাবে ইনসুলিনকে ব্যবহার করবে এবং গ্লুকোজ়কে নিয়ন্ত্রণে রাখবে, সেই কাজে রসুনের খানিক অবদান আছে বলে দাবি একাধিক গবেষণায়। কিন্তু কাঁচা না রান্না করা রসুন, কোনটি সুগারের জন্য বেশি কার্যকর, সেটি জেনে নিতে হবে।
মধুমেহ রোগের চিকিৎসক আশিস মিত্রের মতে, রসুন শরীরের জন্য খুবই উপকারী। বয়স, যাপন, খাওয়াদাওয়া ইত্যাদি নানা কারণে রক্তসঞ্চালনকারী ধমনীগুলি সরু হয়ে যায়। সেটি আটকানোর জন্য এবং প্রদাহ কমানোর জন্য রসুনের জুড়ি মেলা বার। প্রদাহ কমানোর কারণে দেহে চর্বি জমার প্রবণতাও কমে যায়। তাঁর কথায়, ‘‘রসুন ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। অনেকেই এক কোয়া রসুন চিবিয়ে খান। কিন্তু তাতে সবচেয়ে ভাল কাজ হয় না। তাই কী ভাবে খেলে উপকার হবে, তা জেনে নিতে হবে।’’
ডায়াবিটিসের জন্য রসুন খাওয়ার সঠিক উপায়—
রসুনের মধ্যে অ্যালিনেজ় নামক এনজ়াইম এবং অ্যালিন নামক প্রোটিন মিলেমিশে তৈরি হয় অ্যালিসিন নামক যৌগ। কিন্তু এই অ্যালিসিন যৌগ পেতে হলে কাঁচা রসুন খেয়ে নিলে বা রান্নায় দিলে হবে না। তাতে পুষ্টিগুণ পাওয়া যায় না। রসুনের খোসা ছাড়িয়ে কুচি করে বা থেতো করে নেওয়ার পর ১০ মিনিট খোলা হাওয়ায় রেখে দিতে হয়। ওই সময়ের মধ্যে মুক্ত হাওয়ার সংস্পর্শে এসে অ্যালিনেজ় ও অ্যালিনের মিলনে অ্যালিসিন তৈরি হয়। যেই অ্যালিসিনের জন্যই রসুনের এত গুণ। তার পর সেই রসুন খেতে হয়। অথবা রান্নায় দিয়ে দিলেও পুষ্টিগুণ প্রবেশ করে তাতে।
অ্যালিসিন তৈরি হওয়ার পর কাঁচা খান বা রান্না করা, তাতে কোনও সমস্যা নেই। চিকিৎসক জানাচ্ছেন, এক কোয়া রসুন খেতে পারেন এ ভাবে। কিন্তু যাঁদের বদহজমের সমস্যা রয়েছে, তাঁরা রান্নায় দিয়েই খেতে পারেন। তবে যাঁরা রক্ত পাতলা করার ওষুধ খান, তাঁদের চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা না করে খাবেন না। সে ক্ষেত্রে রক্ততঞ্চনের উপর প্রভাব পড়তে পারে। তখন রক্তপাত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।