কক্সবাজার সদর উপজেলার দক্ষিণ পাহাড়তলী এলাকায় রাজমিস্ত্রী মোহাম্মদ আলী (৩৭) হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ১ নম্বর আসামি রবি (২৬)কে ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
বুধবার (৮ জুলাই) দিনগত রাত সোয়া ১২টায় ফেনী সদর উপজেলার মহিপাল বাস কাউন্টার এলাকায় র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র্যাব-১৫, কক্সবাজারের যৌথ অভিযানে তাকে আটক করা হয়।
র্যাব জানায়, নিহত মোহাম্মদ আলী পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী ছিলেন। প্রায় তিন বছর আগে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তিনি সাবিনা ইয়াসমিনকে বিয়ে করে শ্বশুর নজির আহমদের বাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করছিলেন। তাদের সংসারে এক বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। এছাড়া প্রথম সংসারে তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
প্রাথমিক তথ্যমতে, পারিবারিক বিরোধ ও দাম্পত্য কলহের জেরে দীর্ঘদিন ধরে ভিকটিমের সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরোধ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, তাকে বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল এবং এর আগে একাধিকবার মারধরের ঘটনাও ঘটে। স্থানীয়ভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা হলেও তা ব্যর্থ হয়।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৬ জুলাই পারিবারিক বিরোধের জেরে মোহাম্মদ আলীকে মারধর করা হয়। পরদিন ৭ জুলাই বিকেল ৪টার দিকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কয়েকজন মিলে তার হাত-পা চেপে ধরে লোহার হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে। পরে লোহার রড দিয়েও মাথায় আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় ঘটনাস্থলে পড়ে থাকেন। স্থানীয়রা খবর দিলে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় দুইজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ২-৩ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ৯ জুলাই দায়ের করা হয় এবং এতে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, মামলার প্রধান পলাতক আসামি রবি গ্রেফতার এড়াতে ফেনী সদর এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফেনী সদর থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) দিনগত রাত সোয়া ১২টায় ফেনী সদর উপজেলার মহিপাল বাস কাউন্টার এলাকায় র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র্যাব-১৫, কক্সবাজারের যৌথ অভিযানে তাকে আটক করা হয়।
র্যাব জানায়, নিহত মোহাম্মদ আলী পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী ছিলেন। প্রায় তিন বছর আগে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তিনি সাবিনা ইয়াসমিনকে বিয়ে করে শ্বশুর নজির আহমদের বাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করছিলেন। তাদের সংসারে এক বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। এছাড়া প্রথম সংসারে তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
প্রাথমিক তথ্যমতে, পারিবারিক বিরোধ ও দাম্পত্য কলহের জেরে দীর্ঘদিন ধরে ভিকটিমের সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরোধ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, তাকে বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল এবং এর আগে একাধিকবার মারধরের ঘটনাও ঘটে। স্থানীয়ভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা হলেও তা ব্যর্থ হয়।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৬ জুলাই পারিবারিক বিরোধের জেরে মোহাম্মদ আলীকে মারধর করা হয়। পরদিন ৭ জুলাই বিকেল ৪টার দিকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কয়েকজন মিলে তার হাত-পা চেপে ধরে লোহার হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে। পরে লোহার রড দিয়েও মাথায় আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় ঘটনাস্থলে পড়ে থাকেন। স্থানীয়রা খবর দিলে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় দুইজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ২-৩ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ৯ জুলাই দায়ের করা হয় এবং এতে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, মামলার প্রধান পলাতক আসামি রবি গ্রেফতার এড়াতে ফেনী সদর এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফেনী সদর থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।