কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় র্যাব-৭, চট্টগ্রাম এবং ব্যাটালিয়ন-১০ বিজিবি, কুমিল্লার যৌথ অভিযানে ৭০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় মাদক কারবারের অভিযোগে দুইজনকে আটক করা হয়। তবে অভিযানের সময় আরও এক অভিযুক্ত পালিয়ে যায়।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গোমারবাড়ী পূর্বপাড়া এলাকায় রিপন হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করলে রোকসানা আক্তার (৩৫) ও রবিউল আলম (৩০) নামে দুইজনকে আটক করা হয়। তবে বাড়ির মালিক রিপন হোসেন (৩৭) পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
অভিযানকালে রিপন হোসেনের বাড়ির পাশের রান্নাঘর থেকে তিনটি প্লাস্টিকের বস্তায় রাখা ৩৫টি গাঁজার বান্ডিল উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বান্ডিলে প্রায় ২ কেজি করে মোট ৭০ কেজি গাঁজা ছিল। উদ্ধার করা গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৭ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র্যাব।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এবং র্যাবের দাবি অনুযায়ী, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা এনে চৌদ্দগ্রামের ওই বাড়িতে মজুদ করতেন। পরে সহযোগী রবিউল আলমের মাধ্যমে কুমিল্লাসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলার মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের কাছে তা বিক্রি করা হতো। রোকসানা আক্তার ও পলাতক রিপন হোসেন স্বামী-স্ত্রী।
আটক দুইজন, উদ্ধার করা গাঁজা এবং এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের চৌদ্দগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গোমারবাড়ী পূর্বপাড়া এলাকায় রিপন হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করলে রোকসানা আক্তার (৩৫) ও রবিউল আলম (৩০) নামে দুইজনকে আটক করা হয়। তবে বাড়ির মালিক রিপন হোসেন (৩৭) পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
অভিযানকালে রিপন হোসেনের বাড়ির পাশের রান্নাঘর থেকে তিনটি প্লাস্টিকের বস্তায় রাখা ৩৫টি গাঁজার বান্ডিল উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বান্ডিলে প্রায় ২ কেজি করে মোট ৭০ কেজি গাঁজা ছিল। উদ্ধার করা গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৭ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র্যাব।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এবং র্যাবের দাবি অনুযায়ী, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা এনে চৌদ্দগ্রামের ওই বাড়িতে মজুদ করতেন। পরে সহযোগী রবিউল আলমের মাধ্যমে কুমিল্লাসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলার মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের কাছে তা বিক্রি করা হতো। রোকসানা আক্তার ও পলাতক রিপন হোসেন স্বামী-স্ত্রী।
আটক দুইজন, উদ্ধার করা গাঁজা এবং এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের চৌদ্দগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।