দিনাজপুরের হিলিতে বিয়ের দাবিতে ৬০ বছরের বৃদ্ধের বাড়িতে অবস্থান নেন ৪৮ বছরের নারী।
বুধবার (৯ জুলাই) সকাল থেকে এমাজুল হকের বাড়ির সামনে ঐ নারী অবস্থান নিলে এলাকাবাসীরা পুলিশে খবর দেয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নারীসহ বৃদ্ধকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরে বৃহস্পতিবার মধ্য রাতে পারিবারিকভাবে মীমাংসা করা হবে এমন অনুরোধে দুই পরিবারের হাতে তাদের দুইজনকে তুলে দেওয়া হয়।
হাকিমপুর উপজেলার আলীহাট ইউনিয়নের কাকডিমা গ্রামের রাবেয়া বেগম (৪৮) এবং এমাজুল হক (৬৫)। তারা সম্পর্কে দেবর-ভাবী। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাকিমপুর থানার ওসি জাকির হোসেন।
আলীহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আল ইমরান জানান, উভয় পক্ষের আলোচনায় এক লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে দুজনের বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। মেয়ে পক্ষের কোনো অভিভাবক এখন পর্যন্ত আমার কাছে আসেনি। পরে বিষয়টি বিস্তারিত জানা যাবে।
হাকিমপুর থানার ওসি জাকির হোসেন জানান, এক বছর ধরে দুজনের মধ্যে মোবাইলে কথা হয়। ধীরে ধীরে তা রূপ নেয় প্রেমেরে সম্পর্কে। পরে ওই নারী বৃদ্ধ এমাজুল হককে বিয়ের চাপ দিলে বৃদ্ধ এমাজুল রাজি হন না। পরে ওই নারী বৃদ্ধের বাড়ির সামনে বিয়ের দাবিতে অনশন করতে থাকেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় হাকিমপুর থানার পুলিশ।
সেখানে লোকজনের ভিড় ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে পুলিশ দুজনকেই থানায় নিয়ে যায়। অভিযুক্ত এমাজুল হক কৃষিকাজ করেন। তিনি এক সন্তানের জনক এবং ওই নারী তিন সন্তানের জননী। পরে তাদের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়। তাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যাটি সামাজিকভাবে সমাধানের পরামর্শ দেওয়া হয়।
বুধবার (৯ জুলাই) সকাল থেকে এমাজুল হকের বাড়ির সামনে ঐ নারী অবস্থান নিলে এলাকাবাসীরা পুলিশে খবর দেয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নারীসহ বৃদ্ধকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরে বৃহস্পতিবার মধ্য রাতে পারিবারিকভাবে মীমাংসা করা হবে এমন অনুরোধে দুই পরিবারের হাতে তাদের দুইজনকে তুলে দেওয়া হয়।
হাকিমপুর উপজেলার আলীহাট ইউনিয়নের কাকডিমা গ্রামের রাবেয়া বেগম (৪৮) এবং এমাজুল হক (৬৫)। তারা সম্পর্কে দেবর-ভাবী। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাকিমপুর থানার ওসি জাকির হোসেন।
আলীহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আল ইমরান জানান, উভয় পক্ষের আলোচনায় এক লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করে দুজনের বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। মেয়ে পক্ষের কোনো অভিভাবক এখন পর্যন্ত আমার কাছে আসেনি। পরে বিষয়টি বিস্তারিত জানা যাবে।
হাকিমপুর থানার ওসি জাকির হোসেন জানান, এক বছর ধরে দুজনের মধ্যে মোবাইলে কথা হয়। ধীরে ধীরে তা রূপ নেয় প্রেমেরে সম্পর্কে। পরে ওই নারী বৃদ্ধ এমাজুল হককে বিয়ের চাপ দিলে বৃদ্ধ এমাজুল রাজি হন না। পরে ওই নারী বৃদ্ধের বাড়ির সামনে বিয়ের দাবিতে অনশন করতে থাকেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় হাকিমপুর থানার পুলিশ।
সেখানে লোকজনের ভিড় ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে পুলিশ দুজনকেই থানায় নিয়ে যায়। অভিযুক্ত এমাজুল হক কৃষিকাজ করেন। তিনি এক সন্তানের জনক এবং ওই নারী তিন সন্তানের জননী। পরে তাদের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়। তাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যাটি সামাজিকভাবে সমাধানের পরামর্শ দেওয়া হয়।