মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া হামলা-পাল্টা হামলার আবহেই বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযানের বার্তা দিয়েছেন। আর তার পর থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় অশোধিত তেলের মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে ৬ শতাংশেরও বেশি।
হরমুজ় প্রণালীতে সোমবার রাত থেকে তিনটি অসামরিক জাহাজে ইরান সেনা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প আবার ইরানে হামলা শুরুর হুঁশিয়ারি দেন বুধবার। তার পরেই ব্রেন্ট ক্রু়ডের দাম ৬.৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৭৮.৮০ ডলারে পৌঁছোয়। অন্য দিকে, আমেরিকার ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) বেঞ্চমার্ক ক্রুডের দাম ৬.৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৭৫ ডলারে পৌঁছোয়। কৌশলগত ভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ় প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। তার জেরেই তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের বাজার চড়তে শুরু করেছে বলে বাজার বিশেষজ্ঞদের একাংশের মত।
বুধবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় নেটোর শীর্ষবৈঠকে যুদ্ধবিরতির অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে ট্রাম্প বলেন, “আমার কাছে মনে হয়, এটা শেষ।” তিনি আরও বলেন, “ওদের সঙ্গে সময় নষ্ট করার কোনও মানে নেই।” সাম্প্রতিক যুদ্ধপরিস্থিতিতে অশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারেরও অনেক উপরে ওঠার পর আবার কমতে শুরু করেছিল। গত ১৭ জুন ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত সমঝোতা (মউ) সই করার পরে অশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় ২০ শতাংশ কমেছিল। বস্তুত তা ইরানের সঙ্গে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর আগের স্তরের কাছাকাছি নেমে এসেছিল। কিন্তু যুদ্ধবিরতিতে ইতি টানার বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ইরানের উপর থেকে তেল বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা সাময়িক প্রত্যাহারের পূর্বঘোষিত সিদ্ধান্তও বাতিল করার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
সে সময় যুদ্ধে ইতি টানার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির অংশ হিসেবে ওয়াশিংটন ও তেহরান ঐকমত্য হয়েছিল যে ৬০ দিন পর্যন্ত কোনও ফি ছাড়াই জাহাজগুলি প্রণালী দিয়ে চলাচল করতে পারবে। কিন্তু সম্প্রতি ইরান জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজ় প্রণালী দিয়ে তেলবাহী জাহাজগুলি চলাচলের পথ তারাই নিয়ন্ত্রণ করবে এবং ওই জলপথ ব্যবহারের জন্য ফি নেওয়া হবে। ইরানে এই ঘোষণা ওই জলপথে দীর্ঘদিনের প্রচলিত ব্যবস্থাকে বদলে দেবে বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার যে সব জাহাজে হামলা হয়, সেগুলি সবই তেহরানের নির্ধারিত পথের পরিবর্তে ওমানের উপকূলসংলগ্ন একটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছিল বলে কয়েকটি খবরে দাবি। তেলের বাজারে এই অস্থিরতা ও মূল্যস্ফীতির প্রভাব সামগ্রিক ভাবে মূল্যবৃদ্ধি ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
হরমুজ় প্রণালীতে সোমবার রাত থেকে তিনটি অসামরিক জাহাজে ইরান সেনা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প আবার ইরানে হামলা শুরুর হুঁশিয়ারি দেন বুধবার। তার পরেই ব্রেন্ট ক্রু়ডের দাম ৬.৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৭৮.৮০ ডলারে পৌঁছোয়। অন্য দিকে, আমেরিকার ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) বেঞ্চমার্ক ক্রুডের দাম ৬.৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৭৫ ডলারে পৌঁছোয়। কৌশলগত ভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ় প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। তার জেরেই তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের বাজার চড়তে শুরু করেছে বলে বাজার বিশেষজ্ঞদের একাংশের মত।
বুধবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় নেটোর শীর্ষবৈঠকে যুদ্ধবিরতির অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে ট্রাম্প বলেন, “আমার কাছে মনে হয়, এটা শেষ।” তিনি আরও বলেন, “ওদের সঙ্গে সময় নষ্ট করার কোনও মানে নেই।” সাম্প্রতিক যুদ্ধপরিস্থিতিতে অশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারেরও অনেক উপরে ওঠার পর আবার কমতে শুরু করেছিল। গত ১৭ জুন ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত সমঝোতা (মউ) সই করার পরে অশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় ২০ শতাংশ কমেছিল। বস্তুত তা ইরানের সঙ্গে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর আগের স্তরের কাছাকাছি নেমে এসেছিল। কিন্তু যুদ্ধবিরতিতে ইতি টানার বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ইরানের উপর থেকে তেল বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা সাময়িক প্রত্যাহারের পূর্বঘোষিত সিদ্ধান্তও বাতিল করার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
সে সময় যুদ্ধে ইতি টানার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির অংশ হিসেবে ওয়াশিংটন ও তেহরান ঐকমত্য হয়েছিল যে ৬০ দিন পর্যন্ত কোনও ফি ছাড়াই জাহাজগুলি প্রণালী দিয়ে চলাচল করতে পারবে। কিন্তু সম্প্রতি ইরান জানিয়ে দিয়েছে, হরমুজ় প্রণালী দিয়ে তেলবাহী জাহাজগুলি চলাচলের পথ তারাই নিয়ন্ত্রণ করবে এবং ওই জলপথ ব্যবহারের জন্য ফি নেওয়া হবে। ইরানে এই ঘোষণা ওই জলপথে দীর্ঘদিনের প্রচলিত ব্যবস্থাকে বদলে দেবে বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার যে সব জাহাজে হামলা হয়, সেগুলি সবই তেহরানের নির্ধারিত পথের পরিবর্তে ওমানের উপকূলসংলগ্ন একটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছিল বলে কয়েকটি খবরে দাবি। তেলের বাজারে এই অস্থিরতা ও মূল্যস্ফীতির প্রভাব সামগ্রিক ভাবে মূল্যবৃদ্ধি ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।