ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার চৌরঙ্গী বাজারে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) শাখায় ঢুকে ম্যানেজারের চেয়ারে বসে নিজেকে দেশের ‘সিইও’ দাবি করেন এক যুবক। এ সময় তাঁর অসংলগ্ন কথাবার্তা ও আচরণে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ এসে তাঁকে নিয়ন্ত্রণে আনে।
বুধবার (৭ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে চৌরঙ্গী বাজারে অবস্থিত রাকাব শাখায় এ ঘটনা ঘটে।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম চলাকালে ইয়াসিন আলী নামে এক যুবক হঠাৎ শার্টবিহীন অবস্থায় শাখায় প্রবেশ করেন। তিনি সরাসরি প্রধান কর্মকর্তার কক্ষে গিয়ে ম্যানেজারের চেয়ারে বসে পড়েন। এরপর নিজেকে দেশের ‘সিইও’ পরিচয় দিয়ে বলতে থাকেন, ব্যাংকে তাঁর কোটি কোটি টাকা জমা রয়েছে। সেই টাকা দিয়ে তিনি বাড়ি নির্মাণ করবেন এবং নতুন মোটরসাইকেল কিনবেন বলেও দাবি করেন। তাঁর এমন আচরণে ব্যাংকে উপস্থিত গ্রাহকদের মধ্যে উৎকণ্ঠা দেখা দেয়। নিরাপত্তাকর্মী ও ব্যাংকের কর্মকর্তারা তাঁকে বুঝিয়ে চেয়ার থেকে সরানোর চেষ্টা করলেও তিনি রাজি হননি। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে কর্তৃপক্ষ জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে।
খবর পেয়ে হরিপুর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে কিছু সময়ের চেষ্টার পর ইয়াসিন আলীকে নিয়ন্ত্রণে এনে থানায় নিয়ে যায়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের জিম্মায় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ব্যাংকের সেকেন্ড অফিসার বিপ্লবী রানী রায় বলেন, “ইয়াসিনকে এলাকার মানুষ আগে থেকেই চেনে। তাঁর আচরণে স্থানীয়দের মধ্যে ভীতির পরিবেশ রয়েছে। আজ ব্যাংকে তিনি যে পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন, তাতে নিরাপত্তার স্বার্থে ৯৯৯-এ ফোন করতে হয়েছে।”হরিপুর থানার ওসি (তদন্ত) শরিফ উদ্দিন বলেন, “সংবাদ পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানানো হয়। তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের জিম্মায় ওই যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।”পুলিশ জানিয়েছে, ওই যুবকের আচরণের কারণ মাদকাসক্তি নাকি মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত কোনো সমস্যা তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বুধবার (৭ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে চৌরঙ্গী বাজারে অবস্থিত রাকাব শাখায় এ ঘটনা ঘটে।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম চলাকালে ইয়াসিন আলী নামে এক যুবক হঠাৎ শার্টবিহীন অবস্থায় শাখায় প্রবেশ করেন। তিনি সরাসরি প্রধান কর্মকর্তার কক্ষে গিয়ে ম্যানেজারের চেয়ারে বসে পড়েন। এরপর নিজেকে দেশের ‘সিইও’ পরিচয় দিয়ে বলতে থাকেন, ব্যাংকে তাঁর কোটি কোটি টাকা জমা রয়েছে। সেই টাকা দিয়ে তিনি বাড়ি নির্মাণ করবেন এবং নতুন মোটরসাইকেল কিনবেন বলেও দাবি করেন। তাঁর এমন আচরণে ব্যাংকে উপস্থিত গ্রাহকদের মধ্যে উৎকণ্ঠা দেখা দেয়। নিরাপত্তাকর্মী ও ব্যাংকের কর্মকর্তারা তাঁকে বুঝিয়ে চেয়ার থেকে সরানোর চেষ্টা করলেও তিনি রাজি হননি। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে কর্তৃপক্ষ জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে।
খবর পেয়ে হরিপুর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে কিছু সময়ের চেষ্টার পর ইয়াসিন আলীকে নিয়ন্ত্রণে এনে থানায় নিয়ে যায়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের জিম্মায় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ব্যাংকের সেকেন্ড অফিসার বিপ্লবী রানী রায় বলেন, “ইয়াসিনকে এলাকার মানুষ আগে থেকেই চেনে। তাঁর আচরণে স্থানীয়দের মধ্যে ভীতির পরিবেশ রয়েছে। আজ ব্যাংকে তিনি যে পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন, তাতে নিরাপত্তার স্বার্থে ৯৯৯-এ ফোন করতে হয়েছে।”হরিপুর থানার ওসি (তদন্ত) শরিফ উদ্দিন বলেন, “সংবাদ পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানানো হয়। তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের জিম্মায় ওই যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।”পুলিশ জানিয়েছে, ওই যুবকের আচরণের কারণ মাদকাসক্তি নাকি মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত কোনো সমস্যা তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।