বর্ষা সক্রিয় দেশে। ভাসছে পূর্ব থেকে পশ্চিম ভারত। এই মরসুমে ভয়াবহ ভাবে বিপর্যস্ত মহারাষ্ট্র। প্রবল বর্ষণ ও তার জেরে ঘটে যাওয়া একাধিক দুর্ঘটনায় রাজ্যে মোট ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এপর্যন্ত। এর মধ্যেই সোমবার পুণে জেলার একটি গ্রামে ভূমিধসে ধূলিস্যাত হয়ে গেছে একটি বাড়ি। ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে যায় একই পরিবারের তিন সদস্য। অন্যদিকে, টানা বৃষ্টিতে মুম্বই-পুণের মধ্যে রেল ও সড়ক যোগাযোগ কার্যত ভেঙে পড়েছে। বাতিল করা হয়েছে ১৬টি ট্রেন, ঘুরপথে চালানো হচ্ছে আরও ৯টি। পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় একাধিক জেলায় স্কুল-কলেজেও ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
মৌসম ভবন মুম্বইয়ের জন্য কমলা এবং পুণের জন্য লাল সতর্কতা জারি করেছে। সোমবার ভোরে কারজাত-লোনাভলা ভোরঘাট রেলপথের ঠাকুরওয়াড়ি ও খাণ্ডালা-মাঙ্কি হিল অংশে পরপর ভূমিধস নামে। এর জেরে মধ্য রেলের আপ, ডাউন এবং মধ্য—তিনটি লাইনই ক্ষতিগ্রস্ত।
পরিস্থিতির জেরে ইন্দ্রায়ণী এক্সপ্রেস, ডেকান কুইন, ডেকান এক্সপ্রেস, ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস, প্রগতি এক্সপ্রেস, ধুলে এক্সপ্রেস-সহ মোট ১৬টি ট্রেন বাতিল করেছে রেল। বেশ কয়েকটি দূরপাল্লার ট্রেনের রুট পরিবর্তন ও সময়সূচিও সংশোধন করা হয়েছে। যাত্রার আগে ট্রেনের সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যাত্রীদের।
টানা বর্ষণে মুম্বই-পুণে এক্সপ্রেসওয়ে এবং পুরনো জাতীয় সড়কের দুই দিকেই যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় ধস, জল জমা এবং একটি কংক্রিটের স্তম্ভ ভেঙে পড়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া এই পথে যাতায়াত না করার আবেদন জানিয়েছে পুলিশ এবং মহারাষ্ট্র স্টেট রোড ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন।
পুণে জেলার পাতন গ্রামে ভূমিধসে যে বাড়িটি ভেঙে পড়েছে সেখানে আপাতত উদ্ধারকাজ চলছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ), পুলিশ ও স্থানীয় উদ্ধারকারী দল যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে সকাল থেকে।
এছাড়া পুণের ঘোরাওয়াড়ি এলাকায় জলমগ্ন একটি বাস থেকে ৩৭ জন যাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করেছে এনডিআরএফ। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী কয়েকদিনও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তারা প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে বলেছেন এবং সাধারণ মানুষকেও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের কথা বলা হয়েছে।
মৌসম ভবন মুম্বইয়ের জন্য কমলা এবং পুণের জন্য লাল সতর্কতা জারি করেছে। সোমবার ভোরে কারজাত-লোনাভলা ভোরঘাট রেলপথের ঠাকুরওয়াড়ি ও খাণ্ডালা-মাঙ্কি হিল অংশে পরপর ভূমিধস নামে। এর জেরে মধ্য রেলের আপ, ডাউন এবং মধ্য—তিনটি লাইনই ক্ষতিগ্রস্ত।
পরিস্থিতির জেরে ইন্দ্রায়ণী এক্সপ্রেস, ডেকান কুইন, ডেকান এক্সপ্রেস, ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস, প্রগতি এক্সপ্রেস, ধুলে এক্সপ্রেস-সহ মোট ১৬টি ট্রেন বাতিল করেছে রেল। বেশ কয়েকটি দূরপাল্লার ট্রেনের রুট পরিবর্তন ও সময়সূচিও সংশোধন করা হয়েছে। যাত্রার আগে ট্রেনের সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যাত্রীদের।
টানা বর্ষণে মুম্বই-পুণে এক্সপ্রেসওয়ে এবং পুরনো জাতীয় সড়কের দুই দিকেই যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় ধস, জল জমা এবং একটি কংক্রিটের স্তম্ভ ভেঙে পড়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া এই পথে যাতায়াত না করার আবেদন জানিয়েছে পুলিশ এবং মহারাষ্ট্র স্টেট রোড ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন।
পুণে জেলার পাতন গ্রামে ভূমিধসে যে বাড়িটি ভেঙে পড়েছে সেখানে আপাতত উদ্ধারকাজ চলছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ), পুলিশ ও স্থানীয় উদ্ধারকারী দল যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে সকাল থেকে।
এছাড়া পুণের ঘোরাওয়াড়ি এলাকায় জলমগ্ন একটি বাস থেকে ৩৭ জন যাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করেছে এনডিআরএফ। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী কয়েকদিনও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তারা প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে বলেছেন এবং সাধারণ মানুষকেও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের কথা বলা হয়েছে।