ইনসুলিনের কার্যক্ষমতা কমিয়ে রক্তে শর্করা বাড়িয়ে দিতে পারে রোজের ৫ অভ্যাস

আপলোড সময় : ০৭-০৭-২০২৬ ০৭:০৭:৩৮ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০৭-০৭-২০২৬ ০৭:০৭:৩৮ অপরাহ্ন
চিনি চেনা শত্রু। তবে রক্তে শর্করা বৃদ্ধির নেপথ্যে শুধু মিষ্টি খাবারই থাকে না, থাকে দৈনন্দিনের কিছু অভ্যাসও। ডায়াবিটিস হলে জীবনযাপনে বদলের দরকার হয়। তবে ডায়াবিটিস না হলেও, তার দরকার হতে পারে।

কারণ, শুধু ডায়াবিটিস নয়, রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার মূলে থাকতে পারে ‘ইনসুলিন রেজ়িস্ট্যান্স’। শরীরে ইনসুলিন হরমোন কাজ করা বন্ধ করে দিলে শুধু ডায়াবিটিস হয় এমনটা নয়। এর অন্য প্রভাবও পড়তে পারে শরীরে। বেড়ে যেতে পারে ওজন, ত্বকের বর্ণ কালচে হয়ে যেতে পারে, দিনভর ক্লান্তিবোধ হতে পারে, ঋতুচক্রেও সমস্যা দেখে দিতে পারে।

ডায়াবিটিসের চিকিৎসক অভিজ্ঞান মাঝি জানাচ্ছেন, ‘‘ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বংশগত বা অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণে হতে পারে। এ ক্ষেত্রে শরীরে ইনসুলিন হরমোন ঠিকমতো নিঃসৃত হওয়া সত্ত্বেও তা শরীরে ঠিক ভাবে কাজ করে না। অগ্ন্যাশয় থেকে তৈরি হয় ইনসুলিন, যা শর্করাজাতীয় খাবার থেকে শক্তি তৈরিতে সাহায্য করে। শরীরে যদি সেই হরমোন ঠিক ভাবে কাজ না করে, তা হলেই শুরু হয় সমস্যা।’’

সেই অভ্যাসে রাশ টানা জরুরি-

সকাল শুরু হয় দুধ চা বিস্কুট দিয়ে: বেশির ভাগ পরিবারে সকাল শুরু হয় চিনি দিয়ে তৈরি দুধ চা এবং তার সঙ্গে বিস্কুট দিয়ে। খালি পেটে চিনি দেওয়া চা আর বিস্কুট খেলে আচমকা রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। চা এবং বিস্কুট দিয়ে সকাল শুরু না করে যদি একটি প্রোটিন এবং ফাইবার খাবার জুড়ে নেওয়া যায়, বা কিছু খাবার খেয়ে চা খাওয়া যায়, রক্তে শর্করার মাত্রা চট করে বাড়বে না।

কার্বোহাইড্রেট বেশি, প্রোটিন কম: খাদাভ্যাসে সকাল শুরু হয় রুটি, পাউরুটি, পরোটা দিয়ে। খাবারে প্রোটিন থাকে কম, কার্বোহাইড্রেট বেশি। তা ছাড়া, চিনি, মিষ্টি দিয়ে পরোটা খাওয়ার অভ্যাসও ক্ষতিকর। খাবারের মধ্যে প্রোটিনের মাত্রা থাকে খুবই কম। ফাইবারও প্রায় থাকে না বললেই চলে। তার ফলেই রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে। কারণ, প্রোটিন এবং ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

বসে কাজ: পেশাগত ক্ষেত্রে কাজের ধরনে বদল এসেছে। কর্পোরেট হাউসগুলিতে প্রায় ৮-১০ ঘণ্টা বসে কাজ করতে হয়। তা ছাড়া বাড়িতেও অলস যাপন, বিছানায় শুয়ে বা সোফায় হেলান দিয়ে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইল দেখার প্রবণতায় ইনসুলিনের কার্যক্ষমতা কমতে পারে। শরীর চালনার অভাব হলে বিপাকীয় স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, তার ফলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকিও বাড়ে।

দেরিতে খাওয়া: রাতে খেতে কারও ১১ টা কারও ১২টা, ১টাও বেজে যায়। বেশি রাত করে খাওয়া, সঙ্গে সঙ্গে ঘুমোতে যাওয়ার প্রবণতাও ক্ষতিকর। এতে হজমের সমস্যা হয়। বিপাকীয় স্বাস্থ্যেও প্রভাব পড়ে। তার ফলে পরোক্ষ ভাবে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকি তৈরি হয়।

ভাজাভুজি: আইসক্রিম, পেস্ট্রি, নানা রকম ভাজাভুজিতে প্রচুর ক্যালোরি থাকে। এই ধরনের খাবার খাওয়ার প্রবণতার ফলে ওজন বাড়ে। স্থূলত্বের মতো সমস্যা হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে বা কমিয়ে দিতে পারে। তৈরি হয় ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]