রাজশাহী মহানগরীর শাহমখদুম থানা এলাকায় এক রিকশাচালককে সংঘবদ্ধভাবে মারধর ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় কিশোর গ্যাংয়ের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির-এর নজরে এলে দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, কমিশনারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে শাহমখদুম থানা পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন শাহমখদুম থানার কালুরমোড় গ্রামের মৃত রুহুল আমিনের ছেলে মো. রাকসান (২০), একই থানার লাম, আবিদ, সাব্বির ও প্রান্ত এবং চন্দ্রিমা থানার জাহিদুল।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, শনিবার (৩ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শাহমখদুম থানার ডাবতলা থেকে সিটিহাটগামী সড়কের পাশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত পরিত্যক্ত আওয়ামী লীগ পার্টি অফিসের সামনে পূর্ব শত্রুতার জেরে ১৭ বছর বয়সী এক রিকশাচালকের (ছদ্মনাম: কিশোর) পথরোধ করে অভিযুক্তরা। পরে তারা লাঠি ও কাঠের বাটাম দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে তাকে গুরুতর আহত করে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা ভুক্তভোগীর কাছে থাকা মোবাইল ফোন কেনার জন্য রাখা ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং তার রিকশার মিটার ভাঙচুর করে। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে শাহমখদুম থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজন শিশু হওয়ায় শিশু আইন-এর বিধান অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, নগরীতে সংঘবদ্ধ অপরাধ ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং যেকোনো অপরাধের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির-এর নজরে এলে দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, কমিশনারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে শাহমখদুম থানা পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন শাহমখদুম থানার কালুরমোড় গ্রামের মৃত রুহুল আমিনের ছেলে মো. রাকসান (২০), একই থানার লাম, আবিদ, সাব্বির ও প্রান্ত এবং চন্দ্রিমা থানার জাহিদুল।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, শনিবার (৩ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শাহমখদুম থানার ডাবতলা থেকে সিটিহাটগামী সড়কের পাশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত পরিত্যক্ত আওয়ামী লীগ পার্টি অফিসের সামনে পূর্ব শত্রুতার জেরে ১৭ বছর বয়সী এক রিকশাচালকের (ছদ্মনাম: কিশোর) পথরোধ করে অভিযুক্তরা। পরে তারা লাঠি ও কাঠের বাটাম দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে তাকে গুরুতর আহত করে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা ভুক্তভোগীর কাছে থাকা মোবাইল ফোন কেনার জন্য রাখা ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং তার রিকশার মিটার ভাঙচুর করে। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে শাহমখদুম থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজন শিশু হওয়ায় শিশু আইন-এর বিধান অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, নগরীতে সংঘবদ্ধ অপরাধ ও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং যেকোনো অপরাধের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।