শিশুদের পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা, দেশীয় মৌসুমি ফলের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাটাখালিতে মেগামাইন্ড ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক স্কুল অ্যান্ড মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘মৌসুমি ফল উৎসব-২০২৬’।
শনিবার (৪ জুলাই) বিদ্যালয়ের কাটাখালি শাখায় "Let's Learn with Fun" প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ উৎসবে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পুরো ক্যাম্পাস উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
ফল প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের বিভিন্ন দেশীয় ও মৌসুমি ফলের সমাহার ছিল। এর মধ্যে কাঁঠাল, আম, আনারস, কলা, লিচু, তরমুজ, বাঙ্গি, জাম, জামরুল, পেয়ারা, পেঁপে, ডাব, নারিকেল, আতা, সফেদা, বেল, আমড়া, করমচা, কুল, লেবু, কমলা, মাল্টা, ড্রাগন ফল, আঙুর, আপেল, নাশপাতি, ডালিম, স্ট্রবেরি ও কিউইসহ মোট ৬২ প্রজাতির ফল প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন ফল দিয়ে তৈরি ১০৫টি খাদ্যসামগ্রীও প্রদর্শিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক মো. আরিফুল ইসলাম সুজন বলেন, “বর্তমান প্রজন্মকে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে উদ্বুদ্ধ করতে এমন ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন অত্যন্ত কার্যকর। মৌসুমি ফল শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই ফাস্টফুডের পরিবর্তে দেশীয় ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।”
উৎসবে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ফল সম্পর্কে জানার পাশাপাশি আনন্দঘন পরিবেশে বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেয়। অভিভাবকরাও এ ধরনের আয়োজনকে শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।
প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ জানায়, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, নৈতিক মূল্যবোধ এবং বাস্তবমুখী শিক্ষার বিকাশে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ব্যতিক্রমধর্মী ও শিক্ষামূলক আয়োজন নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
শনিবার (৪ জুলাই) বিদ্যালয়ের কাটাখালি শাখায় "Let's Learn with Fun" প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ উৎসবে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পুরো ক্যাম্পাস উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
ফল প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের বিভিন্ন দেশীয় ও মৌসুমি ফলের সমাহার ছিল। এর মধ্যে কাঁঠাল, আম, আনারস, কলা, লিচু, তরমুজ, বাঙ্গি, জাম, জামরুল, পেয়ারা, পেঁপে, ডাব, নারিকেল, আতা, সফেদা, বেল, আমড়া, করমচা, কুল, লেবু, কমলা, মাল্টা, ড্রাগন ফল, আঙুর, আপেল, নাশপাতি, ডালিম, স্ট্রবেরি ও কিউইসহ মোট ৬২ প্রজাতির ফল প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন ফল দিয়ে তৈরি ১০৫টি খাদ্যসামগ্রীও প্রদর্শিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক মো. আরিফুল ইসলাম সুজন বলেন, “বর্তমান প্রজন্মকে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে উদ্বুদ্ধ করতে এমন ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন অত্যন্ত কার্যকর। মৌসুমি ফল শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই ফাস্টফুডের পরিবর্তে দেশীয় ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।”
উৎসবে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ফল সম্পর্কে জানার পাশাপাশি আনন্দঘন পরিবেশে বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেয়। অভিভাবকরাও এ ধরনের আয়োজনকে শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।
প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ জানায়, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, নৈতিক মূল্যবোধ এবং বাস্তবমুখী শিক্ষার বিকাশে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ব্যতিক্রমধর্মী ও শিক্ষামূলক আয়োজন নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।