যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী ও ৪ জুলাই স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ঐতিহাসিক মাউন্ট ভার্ননে এক বিশেষ নাগরিকত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিশ্বের বাংলাদেশসহ ৫০টি দেশের ১৫০ জন অভিবাসী আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন-এর ঐতিহাসিক বাসভবনের প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে নবনাগরিকদের পরিবার-পরিজনও উপস্থিত ছিলেন। মার্কিন পতাকায় সজ্জিত পরিবেশে দেশাত্মবোধক আবহে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অ্যান নিল পেট্রি। তিনি উপস্থিত সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, 'শুভ জন্মদিন, যুক্তরাষ্ট্র।
নাগরিকত্বপ্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গিনির বাসিন্দা এবং মার্কিন মেরিন বাহিনীর সার্জেন্ট দিয়াকারিয়া সাঙ্গারে। সামরিক পোশাকে তিনটি পদক বুকে ধারণ করে অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। দীর্ঘ নাগরিকত্ব প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তিনি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ, সাক্ষাৎকার, গ্রিন কার্ড এবং বায়োমেট্রিক যাচাই সম্পন্ন করেন। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া অনেকেই যুদ্ধ, সহিংসতা ও নির্যাতন থেকে পালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নিয়েছিলেন।
জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সময় উপস্থিত সবাই দাঁড়িয়ে সম্মান জানান। পরে একে একে ৫০টি দেশের নাম ঘোষণা করা হয়। দেশগুলোর নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশের আবেদনকারীরা দাঁড়িয়ে নিজেদের পরিচয় দেন।
'বাংলাদেশ' নাম ঘোষণার পর কালো শার্ট পরিহিত এক বাংলাদেশি অংশগ্রহণকারী দাঁড়িয়ে সাড়া দেন। উপস্থিত অন্য অভিবাসীরাও তাকে অভিনন্দন জানান। একইভাবে আলবেনিয়া, চীন, ইরাক, এল সালভাদর, মঙ্গোলিয়া, মরক্কোসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন নাগরিকত্বের শপথে।
এরপর সবাই হাত উঁচু করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্যের শপথ পাঠ করেন। শপথ শেষে অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ঘোষণা করেন, 'অভিনন্দন, আপনারা এখন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।'
ইতিহাসবিদ ডগলাস ব্র্যাডবার্ন নবনাগরিকদের উদ্দেশে বলেন, 'আপনাদের প্রত্যেকের জীবনের গল্প এখন আমেরিকার গল্পের অংশ। আর আজ থেকে আমেরিকার ইতিহাসও আপনাদের ইতিহাস।'
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল জর্জ ওয়াশিংটনের চরিত্রে এক ঐতিহাসিক পুনঃঅভিনয় শিল্পীর বক্তব্য। তিনি নবনাগরিকদের উদ্দেশে বলেন, 'আজ থেকে ‘আমেরিকান’ পরিচয় যেমন আমার, তেমনি আপনাদেরও। আপনাদের সবার প্রতি আমার একটাই কথা—স্বাগতম, নিজের ঘরে স্বাগতম।'
অনুষ্ঠান শেষে আবেগাপ্লুত সার্জেন্ট দিয়াকারিয়া সাঙ্গারে বলেন, 'আমি আজ যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হয়েছি।' মুখভরা হাসিতে হাতে মার্কিন পতাকা ধরে তিনি স্মরণীয় এই মুহূর্ত উদযাপন করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন-এর ঐতিহাসিক বাসভবনের প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে নবনাগরিকদের পরিবার-পরিজনও উপস্থিত ছিলেন। মার্কিন পতাকায় সজ্জিত পরিবেশে দেশাত্মবোধক আবহে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অ্যান নিল পেট্রি। তিনি উপস্থিত সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, 'শুভ জন্মদিন, যুক্তরাষ্ট্র।
নাগরিকত্বপ্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গিনির বাসিন্দা এবং মার্কিন মেরিন বাহিনীর সার্জেন্ট দিয়াকারিয়া সাঙ্গারে। সামরিক পোশাকে তিনটি পদক বুকে ধারণ করে অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। দীর্ঘ নাগরিকত্ব প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তিনি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ, সাক্ষাৎকার, গ্রিন কার্ড এবং বায়োমেট্রিক যাচাই সম্পন্ন করেন। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া অনেকেই যুদ্ধ, সহিংসতা ও নির্যাতন থেকে পালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নিয়েছিলেন।
জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সময় উপস্থিত সবাই দাঁড়িয়ে সম্মান জানান। পরে একে একে ৫০টি দেশের নাম ঘোষণা করা হয়। দেশগুলোর নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশের আবেদনকারীরা দাঁড়িয়ে নিজেদের পরিচয় দেন।
'বাংলাদেশ' নাম ঘোষণার পর কালো শার্ট পরিহিত এক বাংলাদেশি অংশগ্রহণকারী দাঁড়িয়ে সাড়া দেন। উপস্থিত অন্য অভিবাসীরাও তাকে অভিনন্দন জানান। একইভাবে আলবেনিয়া, চীন, ইরাক, এল সালভাদর, মঙ্গোলিয়া, মরক্কোসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন নাগরিকত্বের শপথে।
এরপর সবাই হাত উঁচু করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্যের শপথ পাঠ করেন। শপথ শেষে অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ঘোষণা করেন, 'অভিনন্দন, আপনারা এখন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।'
ইতিহাসবিদ ডগলাস ব্র্যাডবার্ন নবনাগরিকদের উদ্দেশে বলেন, 'আপনাদের প্রত্যেকের জীবনের গল্প এখন আমেরিকার গল্পের অংশ। আর আজ থেকে আমেরিকার ইতিহাসও আপনাদের ইতিহাস।'
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল জর্জ ওয়াশিংটনের চরিত্রে এক ঐতিহাসিক পুনঃঅভিনয় শিল্পীর বক্তব্য। তিনি নবনাগরিকদের উদ্দেশে বলেন, 'আজ থেকে ‘আমেরিকান’ পরিচয় যেমন আমার, তেমনি আপনাদেরও। আপনাদের সবার প্রতি আমার একটাই কথা—স্বাগতম, নিজের ঘরে স্বাগতম।'
অনুষ্ঠান শেষে আবেগাপ্লুত সার্জেন্ট দিয়াকারিয়া সাঙ্গারে বলেন, 'আমি আজ যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হয়েছি।' মুখভরা হাসিতে হাতে মার্কিন পতাকা ধরে তিনি স্মরণীয় এই মুহূর্ত উদযাপন করেন।