বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-বিসিবির সাবেক সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের একযুগের ‘অন্তহীন’ দুর্নীতির জট খুলতে সময় লাগছে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটি জানিয়েছে, প্রাথমিক কিছু নথিপত্র পাওয়া গেলেও বিস্তর অভিযোগের সমাধান করতে বেগ পেতে হচ্ছে।
এবার আলাদা তিন চিঠিতে পাপনের সময়কালের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের রেকর্ডপত্র তলব করেছে দুদক।
২০১২ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট; টানা একযুগ বিসিবির সভাপতি হিসেবে একচ্ছত্র ক্ষমতার ব্যবহার করেন নাজমুল হাসান পাপন। এই দীর্ঘ সময়ে ঢাকার পূর্বাচলে শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম নির্মাণে অনিয়ম, কনসালট্যান্ট নিয়োগে জালিয়াতি, বিপিএল আয়োজন নিয়ে বিপুল লুটপাট এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অনুসন্ধানে নামে দুদক।
অভিযোগের সত্যতার খোঁজে গেল বছর বিসিবিতে অভিযানের পাশাপাশি তলব করা হয় ২৩ ধরণের নথিপত্র। তবে এক বছরের বেশি সময় ধরে অনুসন্ধান চললেও এখনও তা শেষ হয়নি।
দুদকের উপ-পরিচালক আকতারুল ইসলাম বলেন, বিশাল এই দুর্নীতির জাল ভাঙতে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহে বাড়তি সময় লাগছে।
এদিকে, গত বৃহস্পতিবার বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল বরাবর তিনটি পৃথক চিঠি পাঠায় দুদক। যেখানে নাজমুল হাসান পাপনের একযুগের শাসনামলের সব ধরণের আর্থিক লেনদেন ও প্রশাসনিক নথিপত্র তলব করা হয়।
বিসিবি'র দুর্নীতির পাশাপাশি পাপন ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ৮০০ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের মামলার তদন্তও করছে দুদক।
এবার আলাদা তিন চিঠিতে পাপনের সময়কালের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের রেকর্ডপত্র তলব করেছে দুদক।
২০১২ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট; টানা একযুগ বিসিবির সভাপতি হিসেবে একচ্ছত্র ক্ষমতার ব্যবহার করেন নাজমুল হাসান পাপন। এই দীর্ঘ সময়ে ঢাকার পূর্বাচলে শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম নির্মাণে অনিয়ম, কনসালট্যান্ট নিয়োগে জালিয়াতি, বিপিএল আয়োজন নিয়ে বিপুল লুটপাট এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অনুসন্ধানে নামে দুদক।
অভিযোগের সত্যতার খোঁজে গেল বছর বিসিবিতে অভিযানের পাশাপাশি তলব করা হয় ২৩ ধরণের নথিপত্র। তবে এক বছরের বেশি সময় ধরে অনুসন্ধান চললেও এখনও তা শেষ হয়নি।
দুদকের উপ-পরিচালক আকতারুল ইসলাম বলেন, বিশাল এই দুর্নীতির জাল ভাঙতে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহে বাড়তি সময় লাগছে।
এদিকে, গত বৃহস্পতিবার বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল বরাবর তিনটি পৃথক চিঠি পাঠায় দুদক। যেখানে নাজমুল হাসান পাপনের একযুগের শাসনামলের সব ধরণের আর্থিক লেনদেন ও প্রশাসনিক নথিপত্র তলব করা হয়।
বিসিবি'র দুর্নীতির পাশাপাশি পাপন ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ৮০০ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের মামলার তদন্তও করছে দুদক।