স্বামীকে ছেড়ে স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে থাকছিলেন! ‘শাস্তি’ হিসাবে প্রকাশ্যে হেনস্থা করা হল এক তরুণীকে। পরনের জামাকামড় ছিঁড়ে তাঁকে মারধর করল বর্তমান সঙ্গীর পরিবারের সদস্যেরা। চুল কেটে, গলায় জুতোর মালা পরিয়ে ঘোরানোও হল তরুণীকে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের উজ্জৈন জেলায়। সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
‘রমেশ তিওয়ারি’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে পোস্ট করা ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ওই তরুণী বধূ মাটিতে অর্ধনগ্ন অবস্থায় বসে রয়েছেন। তাঁর চুল কেটে দেওয়া হয়েছে। গলায় পরানো হয়েছে জুতার মালা। অভিযুক্তদের তাঁকে ধাক্কা দিতে এবং শারীরিক ভাবে হেনস্থা করতেও দেখা গিয়েছে। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৩০ জুন উজ্জৈন থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে আরনিয়া ভেগা গ্রামে ঘটনটি ঘটে। ঝারদা থানা এলাকার অন্তর্গত ওই গ্রামে তাঁর বর্তমান স্বামীর বাবা, আত্মীয়স্বজন এবং গ্রামবাসীরা এই হামলা চালায়। জানা গিয়েছে, ওই তরুণী তাঁর প্রথম স্বামীকে ছেড়ে ২০২৩ সালে স্থানীয় এক যুবককে বিয়ে করেছিলেন। সেই বিয়েকে কেন্দ্র করে চলা পারিবারিক এবং গ্রাম্য বিবাদের জের ধরেই এই ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ, ঘটনার সময় গ্রামবাসীরা তরুণীকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায়, তাঁর চুল কেটে দেয় এবং গলায় জুতোর মালা পরিয়ে দেয়। এর পর তাঁর পরনের কাপড় ছিঁড়ে মুখে কালি মাখিয়ে সারা গ্রামে ঘোরানোও হয় তাঁকে। সঙ্গে চলে মারধর।
পুলিশ সূত্রে খবর, প্রায় ১৪ বছর আগে ওই গ্রামেই বিয়ে হয়েছিল তরুণীর। কিন্তু স্বামীকে ছেড়ে প্রায় বছর তিন-চারেক আগে স্থানীয় অন্য এক যুবকের সঙ্গে বসবাস শুরু করেন তিনি। কিন্তু পরে সঙ্গীর বিরুদ্ধেই ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। জেল হয় যুবকের। সম্প্রতি তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান এবং আবার দু’জনে একসঙ্গে থাকতে শুরু করেছিলেন। অভিযোগ, সেই বিষয়টিই ওই যুবকের পরিবারের সদস্যদের ক্ষুব্ধ করে তোলে এবং এর জেরে কয়েক জন গ্রামবাসী এবং আত্মীয়স্বজনকে সঙ্গে নিয়ে তরুণীর উপর হামলা চালায় তাঁরা। পুলিশ জানিয়েছে, ওই যুবকের বাবা, আত্মীয়স্বজন এবং কয়েক জন গ্রামবাসী মিলে ওই হামলা চালিয়েছিলেন। হামলার পেছনের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত চলছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ওই ঘটনায় ৩ মহিলা-সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
‘রমেশ তিওয়ারি’ নামের এক্স হ্যান্ডল থেকে পোস্ট করা ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ওই তরুণী বধূ মাটিতে অর্ধনগ্ন অবস্থায় বসে রয়েছেন। তাঁর চুল কেটে দেওয়া হয়েছে। গলায় পরানো হয়েছে জুতার মালা। অভিযুক্তদের তাঁকে ধাক্কা দিতে এবং শারীরিক ভাবে হেনস্থা করতেও দেখা গিয়েছে। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৩০ জুন উজ্জৈন থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে আরনিয়া ভেগা গ্রামে ঘটনটি ঘটে। ঝারদা থানা এলাকার অন্তর্গত ওই গ্রামে তাঁর বর্তমান স্বামীর বাবা, আত্মীয়স্বজন এবং গ্রামবাসীরা এই হামলা চালায়। জানা গিয়েছে, ওই তরুণী তাঁর প্রথম স্বামীকে ছেড়ে ২০২৩ সালে স্থানীয় এক যুবককে বিয়ে করেছিলেন। সেই বিয়েকে কেন্দ্র করে চলা পারিবারিক এবং গ্রাম্য বিবাদের জের ধরেই এই ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ, ঘটনার সময় গ্রামবাসীরা তরুণীকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায়, তাঁর চুল কেটে দেয় এবং গলায় জুতোর মালা পরিয়ে দেয়। এর পর তাঁর পরনের কাপড় ছিঁড়ে মুখে কালি মাখিয়ে সারা গ্রামে ঘোরানোও হয় তাঁকে। সঙ্গে চলে মারধর।
পুলিশ সূত্রে খবর, প্রায় ১৪ বছর আগে ওই গ্রামেই বিয়ে হয়েছিল তরুণীর। কিন্তু স্বামীকে ছেড়ে প্রায় বছর তিন-চারেক আগে স্থানীয় অন্য এক যুবকের সঙ্গে বসবাস শুরু করেন তিনি। কিন্তু পরে সঙ্গীর বিরুদ্ধেই ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। জেল হয় যুবকের। সম্প্রতি তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান এবং আবার দু’জনে একসঙ্গে থাকতে শুরু করেছিলেন। অভিযোগ, সেই বিষয়টিই ওই যুবকের পরিবারের সদস্যদের ক্ষুব্ধ করে তোলে এবং এর জেরে কয়েক জন গ্রামবাসী এবং আত্মীয়স্বজনকে সঙ্গে নিয়ে তরুণীর উপর হামলা চালায় তাঁরা। পুলিশ জানিয়েছে, ওই যুবকের বাবা, আত্মীয়স্বজন এবং কয়েক জন গ্রামবাসী মিলে ওই হামলা চালিয়েছিলেন। হামলার পেছনের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত চলছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ওই ঘটনায় ৩ মহিলা-সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।