ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের শেষকৃত্য চলছে। ছ’দিন ধরে ইরান এবং ইরাকের বিভিন্ন শহরে খামেনেই এবং তাঁর আত্মীয়দের শেষবিদায় জানাবে জনতা। সেই আবহে আবার ইরানকে নিশানা করে বার্তা উড়ে এল সুদূর আমেরিকা থেকে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তিনি এবং আমেরিকার সেনাবাহিনী ইরানকে গুঁড়িয়ে দিয়েছেন। পাশাপাশি এ-ও জানান, খামেনেইয়ের শেষকৃত্যের জন্য তিনি ইরানকে ‘ছ’দিনের ছুটি’ দিয়েছেন। অর্থাৎ, তাঁর ইঙ্গিত, খামেনেইয়ের শেষকৃত্য মিটলে দ্বিতীয় দফা শান্তি আলোচনায় বসতে পারে আমেরিকা এবং ইরান।
ট্রাম্পের কথায়, ‘‘আমরা একদিনেই ভেনেজ়ুয়েলাকে হারিয়েছি, আর ইরানকে যুদ্ধে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছি। কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছোনোর জন্য ইরান মরিয়া হয়ে রয়েছে। আমরা ভাল মানুষ বলে একটা শেষকৃত্যের জন্য ইরানকে এক সপ্তাহের ছুটি দিয়েছি।’’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে সংঘাত শুরু করেছিল আমেরিকা। সেই সংঘাতে জড়ায় ইজ়রায়েলও। আর প্রথম দিনের হামলাতেই প্রাণ হারান আলি খামেনেই। এত দিন তাঁর দেহ কফিনবন্দি করে রাখা হয়েছিল। চার মাসের বেশি সময় পর আলি খামেনেই এবং তাঁর নিহত পরিবারের সদস্যদের শেষকৃত্যের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সাধারণত, মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা বা কয়েক দিনের মধ্যেই শেষকৃত্য সম্পন্ন করাই রীতি। তবে যুদ্ধের আবহে সেই রীতির ব্যতিক্রম ঘটে।
কবে খামেনেইয়ের দেহের শেষকৃত্য করা হবে, তা নিয়ে জল্পনা ছিল। গত মাসে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে মউ স্বাক্ষরিত হওয়ার পরই শেষকৃত্য সম্পন্ন করার তারিখ চূড়ান্ত হয়। ঠিক হয়, আমেরিকা প্রতিষ্ঠার ২৫০ তম বার্ষিকীতে, অর্থাৎ ৪ জুলাই খামেনেই এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের শেষবিদায় জানানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে।
বাবার শেষকৃত্যে যোগ দিতে পারছেন না আলি খামেনেইয়ের পুত্র মোজতবা খামেনেই। বর্তমানে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। খামেনেইয়ের মেজোপুত্র মোজতবার উপর হামলার আশঙ্কা থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মোজতবার ঘনিষ্ঠ সূত্র উল্লেখ করে এমনই দাবি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে।
ট্রাম্পের কথায়, ‘‘আমরা একদিনেই ভেনেজ়ুয়েলাকে হারিয়েছি, আর ইরানকে যুদ্ধে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছি। কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছোনোর জন্য ইরান মরিয়া হয়ে রয়েছে। আমরা ভাল মানুষ বলে একটা শেষকৃত্যের জন্য ইরানকে এক সপ্তাহের ছুটি দিয়েছি।’’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে সংঘাত শুরু করেছিল আমেরিকা। সেই সংঘাতে জড়ায় ইজ়রায়েলও। আর প্রথম দিনের হামলাতেই প্রাণ হারান আলি খামেনেই। এত দিন তাঁর দেহ কফিনবন্দি করে রাখা হয়েছিল। চার মাসের বেশি সময় পর আলি খামেনেই এবং তাঁর নিহত পরিবারের সদস্যদের শেষকৃত্যের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সাধারণত, মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা বা কয়েক দিনের মধ্যেই শেষকৃত্য সম্পন্ন করাই রীতি। তবে যুদ্ধের আবহে সেই রীতির ব্যতিক্রম ঘটে।
কবে খামেনেইয়ের দেহের শেষকৃত্য করা হবে, তা নিয়ে জল্পনা ছিল। গত মাসে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে মউ স্বাক্ষরিত হওয়ার পরই শেষকৃত্য সম্পন্ন করার তারিখ চূড়ান্ত হয়। ঠিক হয়, আমেরিকা প্রতিষ্ঠার ২৫০ তম বার্ষিকীতে, অর্থাৎ ৪ জুলাই খামেনেই এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের শেষবিদায় জানানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে।
বাবার শেষকৃত্যে যোগ দিতে পারছেন না আলি খামেনেইয়ের পুত্র মোজতবা খামেনেই। বর্তমানে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। খামেনেইয়ের মেজোপুত্র মোজতবার উপর হামলার আশঙ্কা থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মোজতবার ঘনিষ্ঠ সূত্র উল্লেখ করে এমনই দাবি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে।