খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ফাঁকা কক্ষে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে নজরুল ইসলাম (৫৭) নামে এক স্কুল শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বাহাদুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ১০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে একটি ফাঁকা কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় শিশুটির চিৎকার শুনে তার এক সহপাঠী ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি প্রত্যক্ষ করে। পরে তারা বিদ্যালয়ের অপর এক শিক্ষককে বিষয়টি জানালেও তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিদ্যালয় ছুটির পর ভুক্তভোগী শিশুটি ও তার সহপাঠী বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের ঘটনাটি জানায়। পরে অভিভাবকরা শিশুটিকে নিয়ে ডুমুরিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক নজরুল ইসলামকে তার বাড়ির পাশের একটি দোকান থেকে গ্রেপ্তার করে।
বিদ্যালয়ের এক অভিভাবক জাকির গাজী বলেন, নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এর আগেও অনুরূপ অভিযোগ উঠেছিল এবং তিনি কারাভোগও করেছেন।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের বিষয়ে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ডুমুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান জানান, ধর্ষণের অভিযোগে মামলা (মামলা নং-০২, তারিখ : ৩ জুলাই ২০২৬) দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ভুক্তভোগী শিশুটিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার বাহাদুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ১০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে একটি ফাঁকা কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় শিশুটির চিৎকার শুনে তার এক সহপাঠী ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি প্রত্যক্ষ করে। পরে তারা বিদ্যালয়ের অপর এক শিক্ষককে বিষয়টি জানালেও তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিদ্যালয় ছুটির পর ভুক্তভোগী শিশুটি ও তার সহপাঠী বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের ঘটনাটি জানায়। পরে অভিভাবকরা শিশুটিকে নিয়ে ডুমুরিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক নজরুল ইসলামকে তার বাড়ির পাশের একটি দোকান থেকে গ্রেপ্তার করে।
বিদ্যালয়ের এক অভিভাবক জাকির গাজী বলেন, নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এর আগেও অনুরূপ অভিযোগ উঠেছিল এবং তিনি কারাভোগও করেছেন।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের বিষয়ে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ডুমুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান জানান, ধর্ষণের অভিযোগে মামলা (মামলা নং-০২, তারিখ : ৩ জুলাই ২০২৬) দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ভুক্তভোগী শিশুটিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।