ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। ভারতীয় সময় বুধবার রাতে কিয়েভের একাধিক জায়গায় রকেট ও ড্রোন হামলা চালায় রুশ বাহিনী। এই ঘটনায় ২৭ জন সাধারণ নাগরিক নিহত হয়েছেন। আহত ১৯ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বুধবার সকালেই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দেশবাসীকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন যে কোন সময় রাশিয়া আক্রমণ চালাতে পারে। কিয়েভেই আক্রমণ হতে পারে বুঝে রাজধানীর কিছু এলাকা থেকে মানুষজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। আক্রমণের পর তিনি বলেছেন, ইউক্রেন এই হামলার যোগ্য জবাব দেবে। এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক দুনিয়াকে মস্কোর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট।
মস্কোর তরফে বলা হয়েছে, রাশিয়ায় জনবসতি এলাকায় ইউক্রেনের হামলার জবাবে তারা কিয়েভের সামরিক ঘাঁটিতে আক্রমণ শানিয়েছে। অন্যদিকে ইউক্রেনের রাজধানীর সামরিক প্রশাসক তৈমুর তকাচেনকো একাধিক আন্তর্জাতিক নিউজ এজেন্সির সাংবাদিকদের ধ্বংসের ছবি পাঠিয়ে দাবি করেছেন হামলা চালানো হয় জনবসতি এলাকায়। এই হামলা সম্পূর্ণভাবে আন্তর্জাতিক যুদ্ধ বিধির বিরোধী।
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো বলেছেন, রাজধানীতে আগেও রাশিয়া হামলা চালিয়েছে। মৃতের সংখ্যাও অতীতে বেশি ছিল। তবে বুধবারের আক্রমণ ছিল ভিন্ন প্রকৃতির। সীমিত এলাকায় লাগাতার বোমাবর্ষণ করে রাশিয়ার সেনা।
মেয়র জানিয়েছেন ৭ ঘন্টা ধরে চলা এই হামলার জেরে শহরের কয়েক হাজার মানুষ ভূগর্ভস্থ মেট্রো স্টেশনগুলিতে আশ্রয় নিয়েছেন। রকেট হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শহরের একটি খাদ্য ভান্ডার। এর ফলে বিপুল পরিমাণ খাদ্য সামগ্রী বিনষ্ট হয়েছে। তার জেরে কিয়েভে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির কারণে এমনিতেই ইউক্রেনের শহরগুলিতে খাদ্যের সরবরাহ কম। হাসপাতালগুলিতেও ভয়াবহ পরিস্থিতি। অসামরিক হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্সদের বড় অংশকে মিলিটারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শহরের হাসপাতালগুলিতে চলছে ওষুধের তীব্র সংকট।
বুধবার সকালেই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দেশবাসীকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন যে কোন সময় রাশিয়া আক্রমণ চালাতে পারে। কিয়েভেই আক্রমণ হতে পারে বুঝে রাজধানীর কিছু এলাকা থেকে মানুষজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। আক্রমণের পর তিনি বলেছেন, ইউক্রেন এই হামলার যোগ্য জবাব দেবে। এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক দুনিয়াকে মস্কোর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট।
মস্কোর তরফে বলা হয়েছে, রাশিয়ায় জনবসতি এলাকায় ইউক্রেনের হামলার জবাবে তারা কিয়েভের সামরিক ঘাঁটিতে আক্রমণ শানিয়েছে। অন্যদিকে ইউক্রেনের রাজধানীর সামরিক প্রশাসক তৈমুর তকাচেনকো একাধিক আন্তর্জাতিক নিউজ এজেন্সির সাংবাদিকদের ধ্বংসের ছবি পাঠিয়ে দাবি করেছেন হামলা চালানো হয় জনবসতি এলাকায়। এই হামলা সম্পূর্ণভাবে আন্তর্জাতিক যুদ্ধ বিধির বিরোধী।
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো বলেছেন, রাজধানীতে আগেও রাশিয়া হামলা চালিয়েছে। মৃতের সংখ্যাও অতীতে বেশি ছিল। তবে বুধবারের আক্রমণ ছিল ভিন্ন প্রকৃতির। সীমিত এলাকায় লাগাতার বোমাবর্ষণ করে রাশিয়ার সেনা।
মেয়র জানিয়েছেন ৭ ঘন্টা ধরে চলা এই হামলার জেরে শহরের কয়েক হাজার মানুষ ভূগর্ভস্থ মেট্রো স্টেশনগুলিতে আশ্রয় নিয়েছেন। রকেট হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শহরের একটি খাদ্য ভান্ডার। এর ফলে বিপুল পরিমাণ খাদ্য সামগ্রী বিনষ্ট হয়েছে। তার জেরে কিয়েভে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির কারণে এমনিতেই ইউক্রেনের শহরগুলিতে খাদ্যের সরবরাহ কম। হাসপাতালগুলিতেও ভয়াবহ পরিস্থিতি। অসামরিক হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্সদের বড় অংশকে মিলিটারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শহরের হাসপাতালগুলিতে চলছে ওষুধের তীব্র সংকট।