ঐতিহাসিক পদ্মা নদীসহ দেশের সব নদ-নদী রক্ষা, নাব্যতা সংকট দূর, নদীদখল ও দূষণ প্রতিরোধ এবং আন্তর্জাতিক অভিন্ন নদীগুলোর পানির ন্যায্য হিস্যার দাবিতে রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে রান ফর পদ্মা মিনি ম্যারাথন।
শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল ৬টায় নগরের লালনশাহ মুক্তমঞ্চ থেকে সাড়ে ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মিনি ম্যারাথনের উদ্বোধন করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, নদী রক্ষায় জনসচেতনতা তৈরির ক্ষেত্রে রান ফর পদ্মা একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক উদ্যোগ। সম্মিলিত সচেতনতা, দায়িত্ববোধ ও কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে পদ্মাসহ দেশের সব নদ-নদী রক্ষা করা সম্ভব| ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ, নিরাপদ ও প্রাণবন্ত নদী ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল ৬টায় নগরের লালনশাহ মুক্তমঞ্চ থেকে সাড়ে ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মিনি ম্যারাথনের উদ্বোধন করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, নদী রক্ষায় জনসচেতনতা তৈরির ক্ষেত্রে রান ফর পদ্মা একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক উদ্যোগ। সম্মিলিত সচেতনতা, দায়িত্ববোধ ও কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে পদ্মাসহ দেশের সব নদ-নদী রক্ষা করা সম্ভব| ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ, নিরাপদ ও প্রাণবন্ত নদী ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
ম্যারাথনটি লালনশাহ মুক্তমঞ্চ থেকে শুরু হয়ে ফুড অফিস মোড় ঘুরে পুনরায় মুক্তমঞ্চে এসে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন বয়সের প্রায় ৫৫০ জন অংশগ্রহণ করেন| তাঁদের মধ্যে প্রায় ১৩৫ জন ছিলেন নারী এবং আয়োজক কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকদের ভাষ্য, রান ফর পদ্মা শুধু একটি ক্রীড়া আয়োজন নয়; এটি দেশের নদ-নদী রক্ষায় জনসচেতনতা গড়ে তোলার একটি সামাজিক আন্দোলন। নদী রক্ষার বিষয়টি পরিবেশের পাশাপাশি কৃষি, জীববৈচিত্র্য, জনজীবন ও অর্থনীতির সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তরুণ প্রজন্মসহ সর্বস্তরের মানুষকে নদী সংরক্ষণ আন্দোলনে সম্পৃক্ত করতেই এ আয়োজন করা হয়েছে।
আয়োজকদের ভাষ্য, রান ফর পদ্মা শুধু একটি ক্রীড়া আয়োজন নয়; এটি দেশের নদ-নদী রক্ষায় জনসচেতনতা গড়ে তোলার একটি সামাজিক আন্দোলন। নদী রক্ষার বিষয়টি পরিবেশের পাশাপাশি কৃষি, জীববৈচিত্র্য, জনজীবন ও অর্থনীতির সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তরুণ প্রজন্মসহ সর্বস্তরের মানুষকে নদী সংরক্ষণ আন্দোলনে সম্পৃক্ত করতেই এ আয়োজন করা হয়েছে।