বৃহস্পতিবার ভরদুপুরে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা কর্নাটকে। বেঙ্গালুরুর মূল শহরের বাইরের দিকে একটি পাথর খাদানে কাজ করার সময় উপর থেকে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে বিশাল বোল্ডার। হঠাৎ এই পাথরের ধসে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৭ জন শ্রমিকের। এই ঘটনায় আরও ৫ জন শ্রমিক গুরুতরভাবে জেরে আহত বলে জানা গিয়েছে। তৎপরতায় সঙ্গে উদ্ধারকাজ শুরু হওয়ায় ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়া বাকি শ্রমিকদের উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেঙ্গালুরুর সীমান্তবর্তী মাদাপাট্টানা গ্রামের এক পাথর খাদানে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ‘কাবেরী কোম্পানি’ নামে একটি সংস্থার মালিকানাধীন ওই খাদানে তখন পুরোদমে কাজ চলছিল। একটি এক্সকাভেটর বা মাটি কাটার যন্ত্র দিয়ে খাদানের একেবারে উপরিভাগে খননকার্য চালানো হচ্ছিল। খননকাজের ফলে তৈরি হওয়া কম্পনের জেরে আচমকা উপরের একটি বিশাল পাথর আলগা হয়ে যায় এবং ৪০ ফুট উপর থেকে সোজা নীচের দিকে কর্মরত শ্রমিকদের উপর পড়ে।
সর্বভারতীয় এক সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, দুর্ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক শ্রমিক জানান, সেই সময় খাদানে প্রায় ১৮ জন কাজ করছিলেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই প্রায় ৪০ ফুট উপর থেকে ওই বিশাল পাথরের চাঁইটি হুড়মুড়িয়ে শ্রমিকদের উপর পড়ে।
খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। শুরু হয় উদ্ধারকার্য। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া শ্রমিকদের বের করার পাশাপাশি কীভাবে এবং ঠিক কী কারণে এই ধস নামল, তা খতিয়ে দেখতে উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে থেকে পুরো অপারেশনের তদারকি করছেন বলে খবর।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃত ও আহত শ্রমিকদের সিংহভাগই মধ্যপ্রদেশ এবং ছত্তিসগড়ের বাসিন্দা। তাঁরা রুটিরুজির সন্ধানে বেঙ্গালুরুতে এসেছিলেন। ইতিমধ্যেই তাঁদের পরিবারকে এই মর্মান্তিক খবর দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার বলেন, “মাগাড়ি রোডের কাছাকাছি একটি পাথর খাদানে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমি সমস্ত আধিকারিকদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখছি এবং তাঁরা ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। আমি প্রাথমিক যে রিপোর্ট পেয়েছি, তাতে এখনও পর্যন্ত দুটি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং প্রায় সাতজন আটকে রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে চূড়ান্ত সংখ্যাটি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।”
মুখ্যমন্ত্রী আরও যোগ করেন, “প্রথম রিপোর্টে এটা স্পষ্ট যে, কোনও ডিনামাইট বা খনি বিস্ফোরণের (Blasting) কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেনি। মূলত মাটি ক্ষয়ের কারণেই পাথরটি আলগা হয়ে ধস নেমেছিল। আমি এই বিষয়ে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছি। ওই খাদানে খনি নিয়মনীতি মেনে কাজ হচ্ছিল কি না এবং সুরক্ষাবিধি কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা হবে। এই ঘটনার পর আমরা গোটা রাজ্যে এই ধরনের পাথর খাদানের কাজ নিয়ে একগুচ্ছ নতুন ও কড়া গাইডলাইন জারি করব। আমি নিশ্চিত করতে চাই যে ভবিষ্যতে রাজ্যে যেন আর কোনওদিন এই ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা না ঘটে।”
এই দুর্ঘটনায় খনি কর্তৃপক্ষের কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেঙ্গালুরুর সীমান্তবর্তী মাদাপাট্টানা গ্রামের এক পাথর খাদানে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ‘কাবেরী কোম্পানি’ নামে একটি সংস্থার মালিকানাধীন ওই খাদানে তখন পুরোদমে কাজ চলছিল। একটি এক্সকাভেটর বা মাটি কাটার যন্ত্র দিয়ে খাদানের একেবারে উপরিভাগে খননকার্য চালানো হচ্ছিল। খননকাজের ফলে তৈরি হওয়া কম্পনের জেরে আচমকা উপরের একটি বিশাল পাথর আলগা হয়ে যায় এবং ৪০ ফুট উপর থেকে সোজা নীচের দিকে কর্মরত শ্রমিকদের উপর পড়ে।
সর্বভারতীয় এক সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, দুর্ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক শ্রমিক জানান, সেই সময় খাদানে প্রায় ১৮ জন কাজ করছিলেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই প্রায় ৪০ ফুট উপর থেকে ওই বিশাল পাথরের চাঁইটি হুড়মুড়িয়ে শ্রমিকদের উপর পড়ে।
খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। শুরু হয় উদ্ধারকার্য। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া শ্রমিকদের বের করার পাশাপাশি কীভাবে এবং ঠিক কী কারণে এই ধস নামল, তা খতিয়ে দেখতে উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে থেকে পুরো অপারেশনের তদারকি করছেন বলে খবর।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃত ও আহত শ্রমিকদের সিংহভাগই মধ্যপ্রদেশ এবং ছত্তিসগড়ের বাসিন্দা। তাঁরা রুটিরুজির সন্ধানে বেঙ্গালুরুতে এসেছিলেন। ইতিমধ্যেই তাঁদের পরিবারকে এই মর্মান্তিক খবর দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার বলেন, “মাগাড়ি রোডের কাছাকাছি একটি পাথর খাদানে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমি সমস্ত আধিকারিকদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখছি এবং তাঁরা ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। আমি প্রাথমিক যে রিপোর্ট পেয়েছি, তাতে এখনও পর্যন্ত দুটি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং প্রায় সাতজন আটকে রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে চূড়ান্ত সংখ্যাটি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।”
মুখ্যমন্ত্রী আরও যোগ করেন, “প্রথম রিপোর্টে এটা স্পষ্ট যে, কোনও ডিনামাইট বা খনি বিস্ফোরণের (Blasting) কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেনি। মূলত মাটি ক্ষয়ের কারণেই পাথরটি আলগা হয়ে ধস নেমেছিল। আমি এই বিষয়ে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছি। ওই খাদানে খনি নিয়মনীতি মেনে কাজ হচ্ছিল কি না এবং সুরক্ষাবিধি কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা হবে। এই ঘটনার পর আমরা গোটা রাজ্যে এই ধরনের পাথর খাদানের কাজ নিয়ে একগুচ্ছ নতুন ও কড়া গাইডলাইন জারি করব। আমি নিশ্চিত করতে চাই যে ভবিষ্যতে রাজ্যে যেন আর কোনওদিন এই ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা না ঘটে।”
এই দুর্ঘটনায় খনি কর্তৃপক্ষের কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।