রাজশাহীর তানোরে কয়েকটি বাড়ির পানি নিস্কাশনের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে পাকা রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।এভাবে এই রাস্তা নির্মাণ করায় কয়েকটি পরিবার চরম বিপাকে পড়েছে।এমনকি অকাল জলাবদ্ধতার কারণে বাড়িতে তাদের বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়েছে।এঘটনায় গত ১৭জুন ভুক্তভোগী পরিবারগুলোে পক্ষে মুক্তার রহমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।
এদিকে লিখিত আবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের বাড়ির গৃহস্থালি কাজে ব্যবহৃত ও বৃষ্টির পানি স্বাভাবিক নিয়মেই বাড়ির সামনের সরকারি রাস্তার উপর দিয়ে নিষ্কাশন হয়ে আসছে।এমতাবস্থায় পানি নিস্কাশনের বিকল্প পথ তৈরী না করেই রাস্তাটি উচু করে পাকা করা হচ্ছে। এতে তাদের বসতঘর এখন রাস্তা থেকে অনেক নিচু হয়ে পড়েছে। এতে বাড়ির গৃহস্থালি কাজের পানি ও বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের পথটি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই তাদের বাড়ির উঠান ও ঘরে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এই দুর্ভোগ নিরসনে এবং পানি নিষ্কাশনের স্বার্থে সরকারি রাস্তার নিচ দিয়ে একটি পাইপ বা ড্রেন নির্মাণের জন্য তারা দীর্ঘদিন যাবত দাবি করে আসছেন।
এমতাবস্থায় পানি নিষ্কাশনের বিকল্প কোনো পথ না থাকায় আশেপাশের কয়েকটি পরিবার জলাবদ্ধতার মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।নোংরা পানি জমে থাকায় মশা-মাছির উপদ্রপ বৃদ্ধি ও নানাবিধ পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিচ্ছে।
এদিকে গ্রামবাসি রাস্তার নিচে পাইপ দিয়ে পানি নিষ্কাশনের পথ তৈরীর উদ্যোগ নিলেও, স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কাদের বাধা দিচ্ছেন।
ভুক্তভোগীরা সামাজিকভাবে বিষয়টি কাদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করেন।কিন্ত্ত কাদের কোনো যেকোনো রকমের সমঝোতা মানতে নারাজ এবং পানি নিস্কাশনের পথ তৈরীতে করতে দিচ্ছেন না।
স্থানীয়রা বলছে, মানবিক দিক বিবেচনা এবং জলাবদ্ধতার হাত থেকে কয়েকটি পরিবারকে রক্ষা করতে দ্রুত উক্ত স্থানে পানি নিষ্কাশনের ড্রেন নির্মাণ করা হোক।তারা এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা খাঁন বলেন, এবিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে লিখিত আবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের বাড়ির গৃহস্থালি কাজে ব্যবহৃত ও বৃষ্টির পানি স্বাভাবিক নিয়মেই বাড়ির সামনের সরকারি রাস্তার উপর দিয়ে নিষ্কাশন হয়ে আসছে।এমতাবস্থায় পানি নিস্কাশনের বিকল্প পথ তৈরী না করেই রাস্তাটি উচু করে পাকা করা হচ্ছে। এতে তাদের বসতঘর এখন রাস্তা থেকে অনেক নিচু হয়ে পড়েছে। এতে বাড়ির গৃহস্থালি কাজের পানি ও বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের পথটি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই তাদের বাড়ির উঠান ও ঘরে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এই দুর্ভোগ নিরসনে এবং পানি নিষ্কাশনের স্বার্থে সরকারি রাস্তার নিচ দিয়ে একটি পাইপ বা ড্রেন নির্মাণের জন্য তারা দীর্ঘদিন যাবত দাবি করে আসছেন।
এমতাবস্থায় পানি নিষ্কাশনের বিকল্প কোনো পথ না থাকায় আশেপাশের কয়েকটি পরিবার জলাবদ্ধতার মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।নোংরা পানি জমে থাকায় মশা-মাছির উপদ্রপ বৃদ্ধি ও নানাবিধ পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিচ্ছে।
এদিকে গ্রামবাসি রাস্তার নিচে পাইপ দিয়ে পানি নিষ্কাশনের পথ তৈরীর উদ্যোগ নিলেও, স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কাদের বাধা দিচ্ছেন।
ভুক্তভোগীরা সামাজিকভাবে বিষয়টি কাদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করেন।কিন্ত্ত কাদের কোনো যেকোনো রকমের সমঝোতা মানতে নারাজ এবং পানি নিস্কাশনের পথ তৈরীতে করতে দিচ্ছেন না।
স্থানীয়রা বলছে, মানবিক দিক বিবেচনা এবং জলাবদ্ধতার হাত থেকে কয়েকটি পরিবারকে রক্ষা করতে দ্রুত উক্ত স্থানে পানি নিষ্কাশনের ড্রেন নির্মাণ করা হোক।তারা এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা খাঁন বলেন, এবিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।