মা-দিদিমার পুরনো শাড়ি ছিঁড়ে গিয়েছে?৫ পন্থায় রঙিন করে তুলুন বাড়ির প্রতিটি কোণ

আপলোড সময় : ০১-০৭-২০২৬ ১০:৩৫:৩০ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ০১-০৭-২০২৬ ১০:৩৫:৩০ অপরাহ্ন
দিদিমা, ঠাকুরমা বা মায়ের পুরনো শাড়ির সঙ্গে জড়িয়ে থাকে অসংখ্য স্মৃতি, আবেগ এবং পারিবারিক ঐতিহ্য। অনেক সময়ে আলমারিতে যত্ন করে রাখা সেই শাড়িগুলি আর পরা হয় না, কখনও বা ছিঁড়ে যায়, কখনও ফেঁসেও যায়। কিন্তু ফেলে দিতে মন চায় না। সেই পুরনো শাড়িকে নতুন রূপ দিয়ে ঘরের সাজে ব্যবহার করা যেতে পারে। আলমারির অন্ধকারে পড়ে থাকা শাড়িগুলি এ ভাবে নতুন জীবন পেতে পারে। এতে যেমন স্মৃতিগুলি জীবন্ত থাকে, তেমনই ঘরের সাজেও আসে ব্যক্তিগত ছোঁয়া। তার সঙ্গে রঙিন হয়ে উঠতে পারে বাড়ির প্রতিটি কোণ।

কুশন কভার

রঙিন বা নকশাকরা শাড়ি দিয়ে কুশনের কভার তৈরি করা যায়। বিশেষ করে সিল্ক, তাঁত বা জমকালো কাজ করা শাড়ি বসার ঘরের সাজে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। সোফা বা খাটের উপর এই ধরনের কুশন ঘরকে জমকালো করে তোলে।

জানলার পর্দা

লম্বা শাড়ি পর্দা হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। পর্দা তৈরির জন্য দারুণ উপযোগী পুরনো শাড়ি। হালকা কাপড়ের শাড়ি জানালার পর্দা হিসেবে ব্যবহার করলে ঘরে নরম আলো ঢোকে এবং একটি নান্দনিক পরিবেশ তৈরি হয়। ফুলছাপ বা প্যাস্টেল শেডের শাড়ি বেশি ভাল মানাবে পর্দা হিসেবে।

দেওয়াল সজ্জায়

বিশেষ নকশা, সূচিশিল্প বা পাড়ের কাজ করা শাড়িকে ফ্রেমে বাঁধিয়ে দেওয়ালে টাঙানো যেতে পারে। এটি শুধু সাজসজ্জার উপাদান নয়, বরং পরিবারের স্মৃতিকে শিল্পের রূপ দেওয়ার একটি উপায়। ধরা যাক, পুরনো বেনারসি শাড়ি বা শাড়িতে জারদৌসি কাজ, অথবা কাঁথাস্টিচের কাজ করা শাড়ি পড়ে রয়েছে বাড়িতে। সেগুলি ফ্রেমে বাঁধিয়েে নিতে পারেন।

ল্যাম্পশেড

সুন্দর রঙের বা সূক্ষ্ম নকশার শাড়ি দিয়ে ল্যাম্পশেডের আবরণ তৈরি করা যেতে পারে। আলো জ্বাললে কাপড়ের নকশা আরও সুন্দর ভাবে ফুটে ওঠে এবং ঘরে একটি নরম, আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি হয়। যে রকম রঙের আলো পছন্দ, তেমনই শাড়ি বেছে নিতে পারেন।

চেয়ারের ঢাকা

পুরনো কাঠের চেয়ার বা টুল নতুন করে সাজাতে শাড়ির কাপড় ব্যবহার করা যায়। এতে আসবাবপত্রের চেহারাই বদলে যেতে পারে। অন্দরসজ্জায় চমক আনতে চেয়ারের আবরণ এ ভাবেই বদলানো যেতে পারে।

আজকের দিনে যে কোনও সজ্জায় পুনর্ব্যবহারের গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে। সেই জায়গা থেকে দেখলে, মায়ের পুরনো শাড়ি দিয়ে ঘর সাজানো শুধু সৃজনশীলতার পরিচায়ক নয়, বরং স্মৃতিকে বাঁচিয়ে রাখারও একটি সুন্দর উপায়।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]