রাজশাহী খাদ্য বিভাগে দীর্ঘ প্রায় দু'বছরের প্রতীক্ষার অবসান হয়েছে।
নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে রাজশাহী খাদ্য প্রশাসনে আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (আরসি ফুড) হিসেবে যোগদান করেছেন ২৫তম বিসিএস (খাদ্য) ক্যাডারের অভিজ্ঞ কর্মকর্তা এস. এম. কায়ছার আলী।প্রশাসনের ইতিহাসে এমন কিছু অধ্যায় থাকে, যা একটি প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণ করে।
চট্টগ্রামের একটি ঐতিহ্যবাহী সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান এস.এম. কায়ছার আলী। সৎ কর্মকর্তার প্রতিকৃতি ও ব্যক্তিত্বে এবং শালীনতায় অনন্য বৈশিষ্ঠের অধিকারী।
রাজশাহী বিভাগের খাদ্য প্রশাসনে ১০জুন ২০২৬ ছিল তেমনই একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এদিন ২৫তম বিসিএস (খাদ্য) ক্যাডারের অভিজ্ঞ কর্মকর্তা এস.এম. কায়ছার আলী রাজশাহীর আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
দীর্ঘ প্রায় দুই বছরের প্রশাসনিক অনিশ্চয়তা, অস্বস্তি ও প্রত্যাশার পর তাঁর এই পদায়ন সংশ্লিষ্ট মহলে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।কর্মকর্তা-কর্মচারিদের ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃস্টি হয়েছে,বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। তার আচার-আচরণে সৌজন্য, বিনয় ও মানবিকতা সমানভাবে প্রতিফলিত হয়। কথাবার্তায় পরিমিতি, আচরণে আন্তরিকতা এবং দাপ্তরিক কর্মকান্ডে শৃঙ্খলাবোধ তাঁকে স্বতন্ত্র মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে।
ইতমধ্যে চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক হিসেবে তাঁর কর্মকাল কর্মদক্ষতা, সততা, সমন্বয়মুখী প্রশাসনিক পরিচালনা এবং দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ইতিবাচকভাবে আলোচিত হয়েছে। দায়িত্বভার গ্রহণের অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি রাজশাহী আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, বিভাগের আটটি জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তর, দুটি সিএসডি, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় এবং এলএসডিসহ সমগ্র খাদ্য প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আস্থা, শ্রদ্ধা ও আন্তরিকতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁর সৌহাদ্যপূর্ণ আচরণ, সহজপ্রাপ্যতা, সহমর্মিতা এবং মনোযোগের সহিত সবার কথা শোনার মানসিকতা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে ইতোমধ্যেই স্বস্তি, আত্মবিশ্বাস ও কর্মস্পৃহা ফিরিয়ে এনেছে।
খাদ্য বিভাগের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ খাদ্য পরিদর্শক সমিতি এবং বাংলাদেশ খাদ্য কর্মকর্তা সমিতির সদস্যরা, যারা মাঠপর্যায়ে সরকারের খাদ্যনীতি বাস্তবায়ন, নিরাপদ খাদ্য মজুদ গঠন, ধান-চাল-গম সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণ কার্যক্রমে নিরলস ভূমিকা পালন করে চলেছেন, তাঁরাও নতুন এই প্রশাসনিক পরিবেশকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহযোগিতার মধ্য দিয়ে রাজশাহীর খাদ্য প্রশাসন আরও গতিশীল হয়ে উঠবে।
সাম্প্রতিক অতীতের অভিজ্ঞতা খাদ্য প্রশাসনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হয়ে রয়েছে। প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সমন্বয়, জবাবদিহিতা, নৈতিকতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা প্রশ্ন, সমালোচনা ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছিল। এসব ঘটনার প্রভাব প্রশাসনের কর্মপরিবেশেও প্রতিফলিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট অনেকের অভিমত। একটি প্রতিষ্ঠানের সুনাম টিকিয়ে রাখতে প্রশাসনিক সততা, নৈতিক মানদ- এবং পারস্পরিক বিশ্বাসের কোনো বিকল্প নেই-এই উপলব্ধিই আজ আরও সুস্পষ্ট। এই বাস্তবতায় এস, এম, কায়ছার আলীর প্রশাসনিক পরিচালনায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নতুন উদ্যম সৃষ্টি হয়েছে। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, ন্যায্যতা, মানবিকতা এবং বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে রাজশাহীর পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হবে-এমন প্রত্যাশা দিন দিন আরও দৃঢ় হচ্ছে। খাদ্য প্রশাসনে একটি সুস্থ, সুশৃঙ্খল ও কর্মমুখী রাজশাহীর খাদ্য প্রশাসনের সামনে এখন একটি নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রয়াস, কৃষকবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি এবং জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে একটি দক্ষ, স্বচ্ছ,আস্থাভাজন ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক সংস্কৃতি গড়ে উঠুক-এটাই সংশ্লিষ্ট সকলের প্রত্যাশা।
নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে রাজশাহী খাদ্য প্রশাসনে আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (আরসি ফুড) হিসেবে যোগদান করেছেন ২৫তম বিসিএস (খাদ্য) ক্যাডারের অভিজ্ঞ কর্মকর্তা এস. এম. কায়ছার আলী।প্রশাসনের ইতিহাসে এমন কিছু অধ্যায় থাকে, যা একটি প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণ করে।
চট্টগ্রামের একটি ঐতিহ্যবাহী সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান এস.এম. কায়ছার আলী। সৎ কর্মকর্তার প্রতিকৃতি ও ব্যক্তিত্বে এবং শালীনতায় অনন্য বৈশিষ্ঠের অধিকারী।
রাজশাহী বিভাগের খাদ্য প্রশাসনে ১০জুন ২০২৬ ছিল তেমনই একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এদিন ২৫তম বিসিএস (খাদ্য) ক্যাডারের অভিজ্ঞ কর্মকর্তা এস.এম. কায়ছার আলী রাজশাহীর আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
দীর্ঘ প্রায় দুই বছরের প্রশাসনিক অনিশ্চয়তা, অস্বস্তি ও প্রত্যাশার পর তাঁর এই পদায়ন সংশ্লিষ্ট মহলে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।কর্মকর্তা-কর্মচারিদের ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃস্টি হয়েছে,বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। তার আচার-আচরণে সৌজন্য, বিনয় ও মানবিকতা সমানভাবে প্রতিফলিত হয়। কথাবার্তায় পরিমিতি, আচরণে আন্তরিকতা এবং দাপ্তরিক কর্মকান্ডে শৃঙ্খলাবোধ তাঁকে স্বতন্ত্র মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে।
ইতমধ্যে চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক হিসেবে তাঁর কর্মকাল কর্মদক্ষতা, সততা, সমন্বয়মুখী প্রশাসনিক পরিচালনা এবং দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ইতিবাচকভাবে আলোচিত হয়েছে। দায়িত্বভার গ্রহণের অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি রাজশাহী আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, বিভাগের আটটি জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তর, দুটি সিএসডি, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় এবং এলএসডিসহ সমগ্র খাদ্য প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আস্থা, শ্রদ্ধা ও আন্তরিকতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁর সৌহাদ্যপূর্ণ আচরণ, সহজপ্রাপ্যতা, সহমর্মিতা এবং মনোযোগের সহিত সবার কথা শোনার মানসিকতা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে ইতোমধ্যেই স্বস্তি, আত্মবিশ্বাস ও কর্মস্পৃহা ফিরিয়ে এনেছে।
খাদ্য বিভাগের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ খাদ্য পরিদর্শক সমিতি এবং বাংলাদেশ খাদ্য কর্মকর্তা সমিতির সদস্যরা, যারা মাঠপর্যায়ে সরকারের খাদ্যনীতি বাস্তবায়ন, নিরাপদ খাদ্য মজুদ গঠন, ধান-চাল-গম সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণ কার্যক্রমে নিরলস ভূমিকা পালন করে চলেছেন, তাঁরাও নতুন এই প্রশাসনিক পরিবেশকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহযোগিতার মধ্য দিয়ে রাজশাহীর খাদ্য প্রশাসন আরও গতিশীল হয়ে উঠবে।
সাম্প্রতিক অতীতের অভিজ্ঞতা খাদ্য প্রশাসনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হয়ে রয়েছে। প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সমন্বয়, জবাবদিহিতা, নৈতিকতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা প্রশ্ন, সমালোচনা ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছিল। এসব ঘটনার প্রভাব প্রশাসনের কর্মপরিবেশেও প্রতিফলিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট অনেকের অভিমত। একটি প্রতিষ্ঠানের সুনাম টিকিয়ে রাখতে প্রশাসনিক সততা, নৈতিক মানদ- এবং পারস্পরিক বিশ্বাসের কোনো বিকল্প নেই-এই উপলব্ধিই আজ আরও সুস্পষ্ট। এই বাস্তবতায় এস, এম, কায়ছার আলীর প্রশাসনিক পরিচালনায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নতুন উদ্যম সৃষ্টি হয়েছে। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, ন্যায্যতা, মানবিকতা এবং বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে রাজশাহীর পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হবে-এমন প্রত্যাশা দিন দিন আরও দৃঢ় হচ্ছে। খাদ্য প্রশাসনে একটি সুস্থ, সুশৃঙ্খল ও কর্মমুখী রাজশাহীর খাদ্য প্রশাসনের সামনে এখন একটি নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রয়াস, কৃষকবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি এবং জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে একটি দক্ষ, স্বচ্ছ,আস্থাভাজন ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক সংস্কৃতি গড়ে উঠুক-এটাই সংশ্লিষ্ট সকলের প্রত্যাশা।