রাজশাহীর তানোরের ঐতিহ্যবাহী তালন্দ ললিত মোহন ডিগ্রি কলেজে জনবল নিয়োগে আবারো নিয়োগ বোর্ড স্থগিত করা হয়েছে। গত রোববার (২৮জুন) তৃতীয়বারের মতো নিয়োগ বোর্ড স্থগিত করা হয়েছে। এ সময় পরীক্ষা নেয়ার দাবিতে পরীক্ষার্থী ও স্থানীয়দের একাংশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে তর্কে জড়ালে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত হওয়ায় কলেজের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।অধ্যক্ষসহ ৫টি পদ শূণ্য রয়েছে দীর্ঘদিন।এসব পদে নিয়োগ দিতে বাধা দিয়ে আসছে একটি গোষ্ঠী। এ ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক মহল ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।সচেতন মহল দ্রুত জনবল নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করে কলেজের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অসমর্থিত একটি সূত্র জানায়,একটি গোষ্ঠী জনবল নিয়োগ থেকে কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে বড় অঙ্কের আর্থিক সুবিধা নিতে মরিয়া।এটা না পেলে
তারা কোনো অবস্থাতেই নিয়োগ সম্পন্ন করতে দিবে না।কিন্ত্ত যেহুতু নিয়োগ কার্যক্রমে কোনো আর্থিক লেনদেন হচ্ছে না,সেহুতু কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের সুবিধা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছে। এর পর থেকে ওই গোষ্ঠী কলেজের নিয়োগ পক্রিয়ায় নানা কৌশলে বাধা প্রদান করে আসছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,গত রবিবার (২৮জুন) সকালে ১০ নিয়োগ বোর্ড করার জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়।এমনকি ডিসি ও ডিজির প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টরা কলেজ চত্ত্বরে উপস্থিত হয়েছিলেন।ছিলেন গভর্নিং বডির সভাপতি ও সাবেক অধ্যক্ষ সেলিম উদ্দিন কবিরাজ। এছাড়াও আবেদনকারী প্রার্থীরা সঠিক সময়ে পরীক্ষা দিতে কলেজে উপস্থিত হন। কিন্তু একটি অশুভ গোষ্ঠীর অপতৎপরতার কারণে সময়মতো পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি।এতে ফের তৃতীয়বারের নিয়োগ বোর্ড স্থগিত করা হয়।
স্থানীয়রা জানান,নিয়োগের আগেই কোটি টাকার বাণিজ্য করা হয়েছে বলে ডিসি ও ইউএনওসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ করেন তালন্দ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুস সালাম।আর এই অভিযোগ করতে সার্বিক সহযোগীতা করেন তালন্দ কলেজের জনৈক শিক্ষক ।অথচ তিনি যে বিষয়ের শিক্ষক সেই বিষয়ে কোনো শিক্ষার্থী নাই,তিনি নীতিমালা লঙ্ঘন করে বসে বসে এমপিওর টাকা হজম করছেন।
এদিকে অভিযোগের ভিত্তিতে দুদফা তদন্ত হয়। এসব তদন্তে কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যাযনি।ফলে একাধিকবার জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নেয়া হলেও, চেনা মুখের একটি অশুভ গোষ্ঠীর অপতৎপরতার কারণে নিয়োগ বোর্ড স্থগিত করা হচ্ছে বলে মনে করেন ভুক্তভোগীরা।
এদিকে স্থানীয় অভিভাবক,শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সচেতন মহল দ্রুত সময়ে জনবল নিয়োগ দিয়ে কলেজের কার্যক্রম এবং পাঠদান স্বাভাবিক ও সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এদিকে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত হওয়ায় কলেজের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।অধ্যক্ষসহ ৫টি পদ শূণ্য রয়েছে দীর্ঘদিন।এসব পদে নিয়োগ দিতে বাধা দিয়ে আসছে একটি গোষ্ঠী। এ ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক মহল ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।সচেতন মহল দ্রুত জনবল নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করে কলেজের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অসমর্থিত একটি সূত্র জানায়,একটি গোষ্ঠী জনবল নিয়োগ থেকে কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে বড় অঙ্কের আর্থিক সুবিধা নিতে মরিয়া।এটা না পেলে
তারা কোনো অবস্থাতেই নিয়োগ সম্পন্ন করতে দিবে না।কিন্ত্ত যেহুতু নিয়োগ কার্যক্রমে কোনো আর্থিক লেনদেন হচ্ছে না,সেহুতু কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের সুবিধা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেছে। এর পর থেকে ওই গোষ্ঠী কলেজের নিয়োগ পক্রিয়ায় নানা কৌশলে বাধা প্রদান করে আসছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,গত রবিবার (২৮জুন) সকালে ১০ নিয়োগ বোর্ড করার জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়।এমনকি ডিসি ও ডিজির প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টরা কলেজ চত্ত্বরে উপস্থিত হয়েছিলেন।ছিলেন গভর্নিং বডির সভাপতি ও সাবেক অধ্যক্ষ সেলিম উদ্দিন কবিরাজ। এছাড়াও আবেদনকারী প্রার্থীরা সঠিক সময়ে পরীক্ষা দিতে কলেজে উপস্থিত হন। কিন্তু একটি অশুভ গোষ্ঠীর অপতৎপরতার কারণে সময়মতো পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি।এতে ফের তৃতীয়বারের নিয়োগ বোর্ড স্থগিত করা হয়।
স্থানীয়রা জানান,নিয়োগের আগেই কোটি টাকার বাণিজ্য করা হয়েছে বলে ডিসি ও ইউএনওসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ করেন তালন্দ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুস সালাম।আর এই অভিযোগ করতে সার্বিক সহযোগীতা করেন তালন্দ কলেজের জনৈক শিক্ষক ।অথচ তিনি যে বিষয়ের শিক্ষক সেই বিষয়ে কোনো শিক্ষার্থী নাই,তিনি নীতিমালা লঙ্ঘন করে বসে বসে এমপিওর টাকা হজম করছেন।
এদিকে অভিযোগের ভিত্তিতে দুদফা তদন্ত হয়। এসব তদন্তে কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যাযনি।ফলে একাধিকবার জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নেয়া হলেও, চেনা মুখের একটি অশুভ গোষ্ঠীর অপতৎপরতার কারণে নিয়োগ বোর্ড স্থগিত করা হচ্ছে বলে মনে করেন ভুক্তভোগীরা।
এদিকে স্থানীয় অভিভাবক,শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সচেতন মহল দ্রুত সময়ে জনবল নিয়োগ দিয়ে কলেজের কার্যক্রম এবং পাঠদান স্বাভাবিক ও সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।