দিনাজপুরের চিরিরবন্দরের চাঞ্চল্যকর জোড়া হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ ২ জনকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব
দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর থানার চাঞ্চল্যকর জোড়া হত্যা মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামি মোঃ সাদেকুল ইসলাম ও ২ নম্বর আসামি মোঃ সাকিবকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র্যাব-১৩, রংপুরের যৌথ আভিযানিক দল।
র্যাব জানায়, নিহত শহিদুল হক দুলু ও জয়নাল আবেদিন দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর থানার উত্তর পলাশবাড়ী টেপাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। নিহত শহিদুল হক দুলু ও জয়নাল আবেদিন সম্পর্কে পিতা-পুত্র। অপরদিকে মামলার প্রধান আসামি মোঃ সাদেকুল ইসলাম ও ২ নম্বর আসামি মোঃ সাকিব ছিলেন নিহত শহিদুল হক দুলুর সন্তান। পারিবারিক বিরোধ ও জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় বলে জানা যায়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১২ মে ২০২৬ ইং তারিখ সকাল আনুমানিক ৬টা ৫০ মিনিটে চিরিরবন্দর থানার উত্তর পলাশবাড়ী বেগপাড়া এলাকায় একটি ভুট্টাক্ষেতে ভিকটিম শহিদুল হক দুলুকে ধারালো অস্ত্র ও লোহার শাবল দিয়ে আঘাত করা হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় বাবাকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে জয়নাল আবেদিনকেও হামলাকারীরা গুরুতর আহত করে। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ১০ জনকে আসামি করে চিরিরবন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি নং-১৩/২১, তারিখ-১৩ মে ২০২৬; ধারা-৩০২/৩৪, পেনাল কোড-১৮৬০।
র্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, মামলার প্রধান পলাতক আসামি মোঃ সাদেকুল ইসলাম ও ২ নম্বর আসামি মোঃ সাকিব চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানা এলাকায় অবস্থান করছে।
এর ভিত্তিতে গত ২৯ জুন ২০২৬ ইং তারিখে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র্যাব-১৩, রংপুরের যৌথ দল পৃথক অভিযান পরিচালনা করে। প্রথম অভিযানে দুপুর আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানাধীন আকমল আলী রোড এলাকা থেকে মামলার প্রধান আসামি মোঃ সাদেকুল ইসলাম (৩০), পিতা-মৃত শহিদুল হক দুলু, সাং-উত্তর পলাশবাড়ী টেপাপাড়া, থানা-চিরিরবন্দর, জেলা-দিনাজপুরকে গ্রেফতার করা হয়।
পরবর্তীতে একই দিন রাত আনুমানিক ৯টা ১০ মিনিটে ইপিজেড থানাধীন হোটেল ব্লু সোম ইন্টারন্যাশনালের সামনে অভিযান চালিয়ে অপর আসামি মোঃ সাকিব (১৯), পিতা-মৃত শহিদুল হক দুলু, সাং-উত্তর পলাশবাড়ী টেপাপাড়া, থানা-চিরিরবন্দর, জেলা-দিনাজপুরকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর থানার চাঞ্চল্যকর জোড়া হত্যা মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামি মোঃ সাদেকুল ইসলাম ও ২ নম্বর আসামি মোঃ সাকিবকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র্যাব-১৩, রংপুরের যৌথ আভিযানিক দল।
র্যাব জানায়, নিহত শহিদুল হক দুলু ও জয়নাল আবেদিন দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর থানার উত্তর পলাশবাড়ী টেপাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। নিহত শহিদুল হক দুলু ও জয়নাল আবেদিন সম্পর্কে পিতা-পুত্র। অপরদিকে মামলার প্রধান আসামি মোঃ সাদেকুল ইসলাম ও ২ নম্বর আসামি মোঃ সাকিব ছিলেন নিহত শহিদুল হক দুলুর সন্তান। পারিবারিক বিরোধ ও জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় বলে জানা যায়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১২ মে ২০২৬ ইং তারিখ সকাল আনুমানিক ৬টা ৫০ মিনিটে চিরিরবন্দর থানার উত্তর পলাশবাড়ী বেগপাড়া এলাকায় একটি ভুট্টাক্ষেতে ভিকটিম শহিদুল হক দুলুকে ধারালো অস্ত্র ও লোহার শাবল দিয়ে আঘাত করা হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় বাবাকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে জয়নাল আবেদিনকেও হামলাকারীরা গুরুতর আহত করে। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ১০ জনকে আসামি করে চিরিরবন্দর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি নং-১৩/২১, তারিখ-১৩ মে ২০২৬; ধারা-৩০২/৩৪, পেনাল কোড-১৮৬০।
র্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, মামলার প্রধান পলাতক আসামি মোঃ সাদেকুল ইসলাম ও ২ নম্বর আসামি মোঃ সাকিব চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানা এলাকায় অবস্থান করছে।
এর ভিত্তিতে গত ২৯ জুন ২০২৬ ইং তারিখে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র্যাব-১৩, রংপুরের যৌথ দল পৃথক অভিযান পরিচালনা করে। প্রথম অভিযানে দুপুর আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানাধীন আকমল আলী রোড এলাকা থেকে মামলার প্রধান আসামি মোঃ সাদেকুল ইসলাম (৩০), পিতা-মৃত শহিদুল হক দুলু, সাং-উত্তর পলাশবাড়ী টেপাপাড়া, থানা-চিরিরবন্দর, জেলা-দিনাজপুরকে গ্রেফতার করা হয়।
পরবর্তীতে একই দিন রাত আনুমানিক ৯টা ১০ মিনিটে ইপিজেড থানাধীন হোটেল ব্লু সোম ইন্টারন্যাশনালের সামনে অভিযান চালিয়ে অপর আসামি মোঃ সাকিব (১৯), পিতা-মৃত শহিদুল হক দুলু, সাং-উত্তর পলাশবাড়ী টেপাপাড়া, থানা-চিরিরবন্দর, জেলা-দিনাজপুরকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চট্টগ্রাম মহানগরীর ইপিজেড থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।