‘ব্লাশ’ নয়, এখন সাজের অঙ্গ ‘টিন্ট’, রূপটানে কেন বাড়ছে প্রসাধনীটির কদর

আপলোড সময় : ২৯-০৬-২০২৬ ০৫:৪২:৫৪ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৯-০৬-২০২৬ ০৫:৪২:৫৪ অপরাহ্ন
সাজগোজের দিকে নজর দিলেই বোঝা যাবে, রূপটানের দুনিয়া বদলাচ্ছে খুব দ্রুত। চড়া মেকআপ লাগিয়ে, ফর্সা হয়ে ওঠা নয়, বরং নতুন সাজগোজ শেখাচ্ছে, কী ভাবে সৌন্দর্য বাড়িয়ে তোলা যায় নিঃশব্দেই। সাজ থাকবে, তবে তা উচ্চকিত নয়। সাজগোজের দুনিয়া এখন অল্পে বিশ্বাসী, তবে তা হতে হবে নিখুঁত। সেই জগতেই কার্যত সাড়া ফেলে দিয়েছে ‘টিন্ট’।

বছর দুই-তিন আগেও যে শব্দটি প্রসাধনীর জগতে সে ভাবে পরিচিত হয়ে উঠতেই পারেনি, সেটি এখন জেন জি থেকে মিলেনিয়াল-দের মেকআপ ব্যাগে অপরিহার্য হয়ে উঠছে।

কী এই টিন্ট?
টিন্ট হল হালকা, আধা স্বচ্ছ রূপটান সামগ্রী। ত্বকের উপর হালকা রঙের ছোঁয়া এনে দেয়। টিন্টের পরশেই ত্বক দেখায় আর্দ্র এবং উজ্জ্বল। দেখলে মনে হয় এই দীপ্তি ত্বকের নিজস্ব। কৃত্রিম পুরু পরতের বদলে ত্বকের আভা বৃদ্ধির এই নিখুঁত কৌশলই জনপ্রিয় করে তুলছে প্রসাধনীটিকে।

টিন্টের ধরন এবং বৈশিষ্ট্য
টিন্ট তিন ধরনের হয়। ঠোঁটের জন্য, গালের জন্য এবং সমগ্র মুখের জন্য। লিপস্টিকের চেয়ে টিন্ট হালকা আবার লিপ বামের চেয়ে গাঢ়। ফলে ঠোঁটে ছুঁইয়ে দিলে মনে হয়, লালচে বা গোলাপি আভা যেন ওষ্ঠাধরের নিজস্ব বর্ণ। উচ্চকিত নয়, অথচ নিঃশব্দেই বাড়িয়ে দেয় সৌন্দর্য। গালের জন্যও একই যুক্তি খাটে।

স্কিন টিন্ট এবং টিন্টেড ময়েশ্চারাইজার
এক ধরনের টিন্ট পাওয়া যায় যা ঠোঁট এবং গালে ছুঁইয়ে দেওয়া যায়। ঈষৎ তরল। আর পাওয়া যায় টিন্টেড ময়শ্চারাইজার। স্কিন টিন্ট অত্যন্ত হালকা কিছুটা সিরামেক মতো। গালে খুব সহজে মিলিয়ে দেওয়া যায়। খানিকটা ব্লাশের মতোই কাজ করে বটে, তবে তফাত আছে। সাজের ধরন এখন বাহুল্যবর্জিত। ব্লাশ মেকআপের শেষ ব্যবহার হয়। গাল খানিক রঙিন দেখায়। তবে টিন্ট খুব সহজে ত্বক শুষে নেয়। ফলে গাল খানিক দীপ্তিময় হয়ে ওঠে। মনে হয় যেন গালে লালচে আভা খেলছে।

আবার সাধারণ ময়েশ্চারাইজারের সঙ্গে টিন্টেড ময়েশ্চারাইজারের তফাত আছে। সাধারণ ময়েশ্চারাইজার বর্ণহীন। কিন্তু এটি ত্বকের অসমবর্ণের উপর হালকা পরত তৈরি করে। ত্বকের সঙ্গে মিলিয়ে হালকা মেকআপের মতো পরত তৈরি হয় এতে। মেকআপের চেয়ে হালকা অথচ সাধারণ ময়েশ্চারাইজারের চেয়ে ভিন্ন এটি। উদ্দেশ্য একটাই, দেখলে মনে হবে সাজগোজ করা হয়েছে, অথচ ত্বক দেখাবে দীপ্তিময়।

স্কিন টিন্ট কখন দরকার?
অফিস হোক বা দৈনন্দিন কাজ, দিনের বেলা সাধারণ অথচ পরিপাটি সাজের অপরিহার্য অঙ্গ হতে পারে টিন্ট। ক্রিম বা সিরামের মতো টিন্ট, হালকা মেকআপের পর গালে লাগিয়ে খুব ভাল করে মিলিয়ে নিলেই হল। চোখে পড়বে শুধু গোলাপি আভা। আলো পড়লেই চকচক করবে গাল। ব্লাশের কায়দাতেই মাখতে হবে। ছুঁয়ে দেওয়া যায় নাকের ডগাটিতেও।

কী ভাবে ব্যবহার করা যায়?
টিন্টেড ময়েশ্চারাইজার মাখা যায় ময়েশ্চারাইজারের মতো। মুখ ফেশওয়াশ দিয়ে পরিষ্কারের পরে মুখে ফোঁটা ফোঁটা লাগিয়ে বিউটি ব্লেন্ডার জলে ভিজিয়ে তা নিংড়ে নিয়ে টিন্টেড ময়েশ্চারাইজার মুখে মিলিয়ে নিন। মুখের অসমবর্ণ ঢেকে সুন্দর দীপ্তি আসবে।

স্কিন টিন্ট ব্যবহারের জন্য ত্বকের প্রস্তুতি দরকার। মুখ ধুয়ে প্রাইমার ব্যবহার করুন। হালকা ফাউন্ডেশন লাগিয়ে নিন ভাল করে। তার পরে টিন্ট গালে লাগিয়ে বিউটি ব্লেন্ডার দিয়ে মিশিয়ে দিন।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]