রাজশাহী মহানগরীর কাজলা অক্ট্রয় মোড় এলাকায় বাঘের মতো ডোরাকাটা নকশাযুক্ত একটি বিড়াল দেখা যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
প্রাণীটিকে দেখতে এলাকায় অনেকের ভিড় জমে। কেউ কেউ এটিকে বিরল প্রজাতির বিড়াল বলে দাবি করলেও এখন পর্যন্ত এর প্রজাতি সম্পর্কে কোনো বিশেষজ্ঞ বা সরকারি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বিড়ালটির শরীরে গাঢ় ডোরাকাটা দাগ রয়েছে, যা দেখতে অনেকটা বাঘের গায়ের দাগের মতো। আকারে এটি সাধারণ গৃহপালিত বিড়ালের কাছাকাছি হলেও এর ব্যতিক্রমী রং ও শরীরের নকশা মানুষের আগ্রহের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রাণীবিদদের মতে, গৃহপালিত বিড়ালের মধ্যেও জিনগত বৈচিত্র্যের কারণে বিভিন্ন ধরনের রঙ ও নকশা দেখা যায়। বিশেষ করে ‘ট্যাবি’ (Tabby) নকশার বিড়ালের শরীরে অনেক সময় এমন ডোরাকাটা দাগ থাকে। শুধু বাহ্যিক চেহারা দেখে কোনো প্রাণীকে বিরল প্রজাতির বা বন্য প্রাণী হিসেবে চিহ্নিত করা বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।
সচেতন নাগরিকরা জানান, প্রাণীটিকে ঘিরে অযথা ভিড় না করে এবং কোনো ধরনের ক্ষতি না করে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা উচিত। যদি এটি কোনো অস্বাভাবিক বা বন্য প্রজাতির প্রাণী হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই প্রকৃত তথ্য জানা সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের আনুষ্ঠানিক মতামত পাওয়া না পর্যন্ত প্রাণীটিকে বিরল প্রজাতির বিড়াল হিসেবে দাবি করা ঠিক হবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রাণীটিকে দেখতে এলাকায় অনেকের ভিড় জমে। কেউ কেউ এটিকে বিরল প্রজাতির বিড়াল বলে দাবি করলেও এখন পর্যন্ত এর প্রজাতি সম্পর্কে কোনো বিশেষজ্ঞ বা সরকারি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বিড়ালটির শরীরে গাঢ় ডোরাকাটা দাগ রয়েছে, যা দেখতে অনেকটা বাঘের গায়ের দাগের মতো। আকারে এটি সাধারণ গৃহপালিত বিড়ালের কাছাকাছি হলেও এর ব্যতিক্রমী রং ও শরীরের নকশা মানুষের আগ্রহের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রাণীবিদদের মতে, গৃহপালিত বিড়ালের মধ্যেও জিনগত বৈচিত্র্যের কারণে বিভিন্ন ধরনের রঙ ও নকশা দেখা যায়। বিশেষ করে ‘ট্যাবি’ (Tabby) নকশার বিড়ালের শরীরে অনেক সময় এমন ডোরাকাটা দাগ থাকে। শুধু বাহ্যিক চেহারা দেখে কোনো প্রাণীকে বিরল প্রজাতির বা বন্য প্রাণী হিসেবে চিহ্নিত করা বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।
সচেতন নাগরিকরা জানান, প্রাণীটিকে ঘিরে অযথা ভিড় না করে এবং কোনো ধরনের ক্ষতি না করে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা উচিত। যদি এটি কোনো অস্বাভাবিক বা বন্য প্রজাতির প্রাণী হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই প্রকৃত তথ্য জানা সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের আনুষ্ঠানিক মতামত পাওয়া না পর্যন্ত প্রাণীটিকে বিরল প্রজাতির বিড়াল হিসেবে দাবি করা ঠিক হবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।