চট্টগ্রাম মহানগরীর চকবাজার থানার চাঞ্চল্যকর বিএএফ শাহীন কলেজের শিক্ষার্থী আশফাক কবির সাজিদ হত্যা মামলার তদন্তে সন্দিগ্ধ আসামি ইশতিয়াককে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
র্যাব-৭ সূত্র জানায়, নিহত আশফাক কবির সাজিদ কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানার দাতিনাথালীপাড়া এলাকার আবুল হাসেমের ছেলে এবং বিএএফ শাহীন কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১২ এপ্রিল ২০২৬ বিকালে চট্টগ্রামের বৌ-বাজার এলাকায় একটি টং দোকানের সামনে বন্ধু ফারদিন হাসানের সঙ্গে কথা বলার সময় আইমন, অনিক, রানা প্রকাশ মাইকেল রানা, ইলিয়াস, এনায়েত উল্লাহ ও মিসকাতুল কায়েসসহ কয়েকজন দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সাজিদকে অপহরণের চেষ্টা করে।
এ সময় সাজিদ তাদের হাত থেকে বাঁচতে দৌড়ে চকবাজার থানাধীন ডিসি রোডের মৌসুমি আবাসিক এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের অষ্টম তলায় গিয়ে নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করেন। পরে দুর্বৃত্তরা ভবনে প্রবেশ করে তাকে মারধর করে গুরুতর আহত অবস্থায় লিফটের খালি জায়গা দিয়ে নিচে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ করা হয়।
পরে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে চকবাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাজিদকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর-০৪, তারিখ-১৩ এপ্রিল ২০২৬। এতে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় মামলা করা হয়।
র্যাব-৭ জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে মামলার তদন্তে সন্দিগ্ধ পলাতক আসামি ইশতিয়াক চট্টগ্রাম জেলার দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া এলাকায় অবস্থান করছে। এর ভিত্তিতে গত ২৬ জুন ২০২৬ রাত আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ার শিলক মিনাগাজির টিলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ইশতিয়াক (২২) চকবাজার এলাকার ডিসি রোড, শিশু কবরস্থান এলাকার ইদ্রিসের ছেলে।
র্যাব আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে চকবাজার থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৭ সূত্র জানায়, নিহত আশফাক কবির সাজিদ কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানার দাতিনাথালীপাড়া এলাকার আবুল হাসেমের ছেলে এবং বিএএফ শাহীন কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১২ এপ্রিল ২০২৬ বিকালে চট্টগ্রামের বৌ-বাজার এলাকায় একটি টং দোকানের সামনে বন্ধু ফারদিন হাসানের সঙ্গে কথা বলার সময় আইমন, অনিক, রানা প্রকাশ মাইকেল রানা, ইলিয়াস, এনায়েত উল্লাহ ও মিসকাতুল কায়েসসহ কয়েকজন দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সাজিদকে অপহরণের চেষ্টা করে।
এ সময় সাজিদ তাদের হাত থেকে বাঁচতে দৌড়ে চকবাজার থানাধীন ডিসি রোডের মৌসুমি আবাসিক এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনের অষ্টম তলায় গিয়ে নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করেন। পরে দুর্বৃত্তরা ভবনে প্রবেশ করে তাকে মারধর করে গুরুতর আহত অবস্থায় লিফটের খালি জায়গা দিয়ে নিচে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ করা হয়।
পরে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে চকবাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাজিদকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর-০৪, তারিখ-১৩ এপ্রিল ২০২৬। এতে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় মামলা করা হয়।
র্যাব-৭ জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে মামলার তদন্তে সন্দিগ্ধ পলাতক আসামি ইশতিয়াক চট্টগ্রাম জেলার দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া এলাকায় অবস্থান করছে। এর ভিত্তিতে গত ২৬ জুন ২০২৬ রাত আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ার শিলক মিনাগাজির টিলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ইশতিয়াক (২২) চকবাজার এলাকার ডিসি রোড, শিশু কবরস্থান এলাকার ইদ্রিসের ছেলে।
র্যাব আরও জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে চকবাজার থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।