টাঙ্গাইলে হাত বাঁধা, গলায় রশি পেঁচানো ও রক্তাক্ত অবস্থায় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২৮ জুন) দুপুরে পৌর শহরের শিবনাথ পাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত নাজমা আলম (৫১) ওই এলাকার ভেটেরিনারি ডাক্তার শফিউল আলম শাহীনের স্ত্রী।
নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী জানান, সকালে শফিউল আলম অফিসে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হন। পরে তিনি স্ত্রী নাজমাকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল দিলেও কোন খবর না পেয়ে সাবেক ভাড়াটিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে। পরে তিনি বাসার নিচতলার ভাড়াটিয়ার সাথে যোগাযোগ করে জানতে পারেন নাজমা আলমের অবস্থা আংশঙ্কাজনক।
এ সময় বাড়ির ভেতরে গিয়ে হাত বাধা, গলায় রশি পেঁচানো ও রক্তাক্ত অবস্থায় নামজার মরদেহ দেখতে পায়। পরে পরিবারের সদস্যদের ও পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল এইচ এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী বলেন, এটি নিঃসন্দেহে হত্যা। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে তার মৃত্যু কীভাবে হয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
নিহত নাজমা আলম (৫১) ওই এলাকার ভেটেরিনারি ডাক্তার শফিউল আলম শাহীনের স্ত্রী।
নিহতের স্বজন ও এলাকাবাসী জানান, সকালে শফিউল আলম অফিসে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হন। পরে তিনি স্ত্রী নাজমাকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল দিলেও কোন খবর না পেয়ে সাবেক ভাড়াটিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে। পরে তিনি বাসার নিচতলার ভাড়াটিয়ার সাথে যোগাযোগ করে জানতে পারেন নাজমা আলমের অবস্থা আংশঙ্কাজনক।
এ সময় বাড়ির ভেতরে গিয়ে হাত বাধা, গলায় রশি পেঁচানো ও রক্তাক্ত অবস্থায় নামজার মরদেহ দেখতে পায়। পরে পরিবারের সদস্যদের ও পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল এইচ এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী বলেন, এটি নিঃসন্দেহে হত্যা। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে তার মৃত্যু কীভাবে হয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।