বুধ ও শুক্রবারের পর শনিবারেও স্বস্তি মিলল না ভেনেজুয়েলায়। কয়েক দিন আগের জোড়া ভূমিকম্পের জেরে কার্যত তছনছ হয়ে গিয়েছে দেশটির উপকূলীয় এলাকা। চারদিকে শুধু ধ্বংসস্তূপ আর আর্তনাদ। এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মাঝেই শনিবার ফের নতুন করে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ভেনেজুয়েলা। ইউরোপিয়ান-মেডিটেরানিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (EMSC) জানিয়েছে, এবার ভেনেজুয়েলার আরাগুয়া উপকূলের অদূরে সমুদ্রের তলদেশে ৫.৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছে। নতুন এই কম্পনে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়ালেও, এখনও পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। প্রশাসন পুরো পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে।
এর আগে গত বুধবার সন্ধ্যায় মাত্র ৩৮ সেকেন্ডের ব্যবধানে পর পর দু’বার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল ভেনেজুয়েলা। প্রথম কম্পনটি অনুভূত হয় রাজধানী কারাকাস থেকে ১৬০ কিলোমিটার দূরে, রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৭.২। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই দ্বিতীয়বার কেঁপে ওঠে কারাকাস ও তার আশেপাশের অঞ্চল। দ্বিতীয় কম্পনটির মাত্রা ছিল ৭.৫, যার জেরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় লা গুয়াইরা অঞ্চল। ভূকম্পবিদদের মতে, এত বড় ভূমিকম্পের পর কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহ ধরে ছোট-বড় আফটারশক হতে পারে। সেই আশঙ্কা সত্যি করেই গত শুক্রবারও দেশটির উত্তর উপকূলে ৪.৯ মাত্রার একটি কম্পন অনুভূত হয়েছিল।
ভেনেজুয়েলার মন্ত্রী দিয়োসদাদো ক্যাবেলো জানিয়েছেন, লা গুয়াইরা অঞ্চলে ১০০-রও বেশি বাড়ি ভেঙে পড়েছে এবং ৭০ হাজারেরও বেশি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই জোড়া ভূমিকম্পের জেরে কমপক্ষে ১,৪৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর জখম হয়েছেন ৩,২০০-রও বেশি মানুষ। এছাড়া সর্বস্ব হারিয়ে ঘরছাড়া হয়েছেন প্রায় ৩,১০০ জন বাসিন্দা।
বিপর্যস্ত এলাকায় প্রশাসন ও সেনাবাহিনী জোরকদমে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে উদ্ধারকারী দলের বহর আরও বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি রাষ্ট্রপুঞ্জের (UN) তরফেও ভেনেজুয়েলায় বিশেষ উদ্ধারকারী দল পাঠানো হচ্ছে। কারাকাসের চাকাও-এর মেয়র গুস্তাভো দুকে জানান, উদ্ধারকর্মীরা এখনও আশা ছাড়েননি। ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেকেই জীবিত অবস্থায় আটকে আছেন বলে মনে করা হচ্ছে এবং যত বেশি সম্ভব মানুষকে জীবিত উদ্ধার করাই এখন তাঁদের মূল লক্ষ্য।
এর আগে গত বুধবার সন্ধ্যায় মাত্র ৩৮ সেকেন্ডের ব্যবধানে পর পর দু’বার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল ভেনেজুয়েলা। প্রথম কম্পনটি অনুভূত হয় রাজধানী কারাকাস থেকে ১৬০ কিলোমিটার দূরে, রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৭.২। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই দ্বিতীয়বার কেঁপে ওঠে কারাকাস ও তার আশেপাশের অঞ্চল। দ্বিতীয় কম্পনটির মাত্রা ছিল ৭.৫, যার জেরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় লা গুয়াইরা অঞ্চল। ভূকম্পবিদদের মতে, এত বড় ভূমিকম্পের পর কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহ ধরে ছোট-বড় আফটারশক হতে পারে। সেই আশঙ্কা সত্যি করেই গত শুক্রবারও দেশটির উত্তর উপকূলে ৪.৯ মাত্রার একটি কম্পন অনুভূত হয়েছিল।
ভেনেজুয়েলার মন্ত্রী দিয়োসদাদো ক্যাবেলো জানিয়েছেন, লা গুয়াইরা অঞ্চলে ১০০-রও বেশি বাড়ি ভেঙে পড়েছে এবং ৭০ হাজারেরও বেশি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই জোড়া ভূমিকম্পের জেরে কমপক্ষে ১,৪৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর জখম হয়েছেন ৩,২০০-রও বেশি মানুষ। এছাড়া সর্বস্ব হারিয়ে ঘরছাড়া হয়েছেন প্রায় ৩,১০০ জন বাসিন্দা।
বিপর্যস্ত এলাকায় প্রশাসন ও সেনাবাহিনী জোরকদমে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে উদ্ধারকারী দলের বহর আরও বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি রাষ্ট্রপুঞ্জের (UN) তরফেও ভেনেজুয়েলায় বিশেষ উদ্ধারকারী দল পাঠানো হচ্ছে। কারাকাসের চাকাও-এর মেয়র গুস্তাভো দুকে জানান, উদ্ধারকর্মীরা এখনও আশা ছাড়েননি। ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেকেই জীবিত অবস্থায় আটকে আছেন বলে মনে করা হচ্ছে এবং যত বেশি সম্ভব মানুষকে জীবিত উদ্ধার করাই এখন তাঁদের মূল লক্ষ্য।