২০০২ সালে ছোটবেলার বান্ধবী অবন্তিকাকে বিয়ে করেছিলেন ইমরান খান। তাঁদের একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে। কিন্তু ২০১৯ সালে দীর্ঘদিনের সম্পর্কে ইতি টেনেছিলেন তাঁরা। তার পরে লেখা ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান তিনি। লেখার সঙ্গে ১২ বছরের কন্যা ইমারার পরিচয় কী ভাবে করালেন, সম্প্রতি সাক্ষাৎকারে তা নিয়ে মুখ খুললেন ‘জানে তু ইয়া জানে না’-খ্যাত অভিনেতা।
ইমরানের বিচ্ছেদের পরে তাঁর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর জন্য নানা কুকথা শুনতে হয়েছিল লেখাকেও। বিষয়টি নিয়ে মাসকয়েক আগে মুখ খুলেছিলেন লেখা নিজেও। এ বার ইমরান জানালেন, কী ভাবে কন্যার সঙ্গে লেখার পরিচয় করালেন। ইমরান বলেন, “লেখা আর আমি আগে থেকেই একে অপরকে চিনতাম। আমাদের সম্পর্কের আগে থেকেই ইমারা ওকে চিনত। শুধু সম্পর্কের সমীকরণটা বদলে গিয়েছিল। আমি চেয়েছিলাম ইমারা যেন এই পরিবর্তিত সমীকরণটা জানতে পারে। স্বচ্ছ থাকা একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কোনও কিছু লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করলে সন্তানের সঙ্গে সুস্থ সম্পর্ক তৈরি হয় না।”
কেন ইমারাকে সবটা বুঝিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেছিলেন অভিনেতা, সেটাও পরিষ্কার করে বলেন। তাঁর কথায়, “বাচ্চারা আমাদের কথা শুনে নয়, আমাদের কাজ দেখে শেখে। তাই আমি এমন ভাবে জীবন কাটাতে চাই, যাতে ওর সামনে একটা ভাল দৃষ্টান্ত তৈরি হয়। বাচ্চাদের সঙ্গে এমন ভাবে কথা বলা উচিত যেন তারা সব কিছু বুঝতে পারে, ভাবতে পারে। বাচ্চা মানেই, ওরা কিছু বোঝে না, এই ভাবে ওদের দেখা উচিত নয়।” তাই কন্যাকে সবটা পরিষ্কার করে বলে দিয়েছিলেন তিনি।
তবে কন্যার বাবা হওয়ার পথ সব সময় সহজ ছিল না। ইমরান জানান, মেয়ের চোখ দিয়ে পৃথিবীকে দেখতে শুরু করার পর তাঁর নিজের ভাবনাতেও পরিবর্তন এসেছে। তিনি বলেন, “আমি ওর সঙ্গে কার্টুন বা ছবি দেখার সময়ে বুঝতে পারি, অনেক ক্ষেত্রেই মহিলা চরিত্রগুলোকে ঠিক ভাবে দেখানো হয় না। অনেক সময়ে সেখানে নারীবিদ্বেষের ভাবনা ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এটা আমাকে আমার নিজের ছবিতেও আরও ভাল ও ইতিবাচক নারী চরিত্র খোঁজার ব্যাপারে উৎসাহিত করেছে।”
ইমরান জানান, কন্যা ইমারাকে প্রচারের আলো থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করেন তিনি। তাঁর কথায়, “আমি বেশিরভাগ সময়ে ওকে এ সব থেকে দূরে রেখেছি। এক সময়ে ও আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল, ‘মানুষ তোমার এত ছবি কেন তোলে?’ তখন আমাকে বোঝাতে হয়েছিল যে আমি কিছু ছবিতে অভিনয় করেছি এবং সেই কারণে মানুষ আমাকে চেনে। আমার ছবিগুলো এখনও ওকে দেখাইনি। ওর কাছে এখনও আমি শুধু এমন এক জন মানুষ, যার কাছে বাইরের লোকেরা এসে কথা বলে এবং শুভেচ্ছা জানায়।” ইমারা যাতে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট সঠিক ভাবে ব্যবহার করে, সেই দিকেও খেয়াল রাখেন ইমরান।
ইমরানের বিচ্ছেদের পরে তাঁর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর জন্য নানা কুকথা শুনতে হয়েছিল লেখাকেও। বিষয়টি নিয়ে মাসকয়েক আগে মুখ খুলেছিলেন লেখা নিজেও। এ বার ইমরান জানালেন, কী ভাবে কন্যার সঙ্গে লেখার পরিচয় করালেন। ইমরান বলেন, “লেখা আর আমি আগে থেকেই একে অপরকে চিনতাম। আমাদের সম্পর্কের আগে থেকেই ইমারা ওকে চিনত। শুধু সম্পর্কের সমীকরণটা বদলে গিয়েছিল। আমি চেয়েছিলাম ইমারা যেন এই পরিবর্তিত সমীকরণটা জানতে পারে। স্বচ্ছ থাকা একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কোনও কিছু লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করলে সন্তানের সঙ্গে সুস্থ সম্পর্ক তৈরি হয় না।”
কেন ইমারাকে সবটা বুঝিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেছিলেন অভিনেতা, সেটাও পরিষ্কার করে বলেন। তাঁর কথায়, “বাচ্চারা আমাদের কথা শুনে নয়, আমাদের কাজ দেখে শেখে। তাই আমি এমন ভাবে জীবন কাটাতে চাই, যাতে ওর সামনে একটা ভাল দৃষ্টান্ত তৈরি হয়। বাচ্চাদের সঙ্গে এমন ভাবে কথা বলা উচিত যেন তারা সব কিছু বুঝতে পারে, ভাবতে পারে। বাচ্চা মানেই, ওরা কিছু বোঝে না, এই ভাবে ওদের দেখা উচিত নয়।” তাই কন্যাকে সবটা পরিষ্কার করে বলে দিয়েছিলেন তিনি।
তবে কন্যার বাবা হওয়ার পথ সব সময় সহজ ছিল না। ইমরান জানান, মেয়ের চোখ দিয়ে পৃথিবীকে দেখতে শুরু করার পর তাঁর নিজের ভাবনাতেও পরিবর্তন এসেছে। তিনি বলেন, “আমি ওর সঙ্গে কার্টুন বা ছবি দেখার সময়ে বুঝতে পারি, অনেক ক্ষেত্রেই মহিলা চরিত্রগুলোকে ঠিক ভাবে দেখানো হয় না। অনেক সময়ে সেখানে নারীবিদ্বেষের ভাবনা ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এটা আমাকে আমার নিজের ছবিতেও আরও ভাল ও ইতিবাচক নারী চরিত্র খোঁজার ব্যাপারে উৎসাহিত করেছে।”
ইমরান জানান, কন্যা ইমারাকে প্রচারের আলো থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করেন তিনি। তাঁর কথায়, “আমি বেশিরভাগ সময়ে ওকে এ সব থেকে দূরে রেখেছি। এক সময়ে ও আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল, ‘মানুষ তোমার এত ছবি কেন তোলে?’ তখন আমাকে বোঝাতে হয়েছিল যে আমি কিছু ছবিতে অভিনয় করেছি এবং সেই কারণে মানুষ আমাকে চেনে। আমার ছবিগুলো এখনও ওকে দেখাইনি। ওর কাছে এখনও আমি শুধু এমন এক জন মানুষ, যার কাছে বাইরের লোকেরা এসে কথা বলে এবং শুভেচ্ছা জানায়।” ইমারা যাতে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট সঠিক ভাবে ব্যবহার করে, সেই দিকেও খেয়াল রাখেন ইমরান।