রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানা এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ব্যানারে মিছিল ও উসকানিমূলক স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গত ২১ জুন দিনগত রাত পৌনে ৫টার দিকে বোয়ালিয়া মডেল থানার রানীবাজার টাইলস পট্টি মোড়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা ব্যানার নিয়ে জড়ো হয়ে বিভিন্ন উসকানিমূলক স্লোগান দিয়ে মিছিল করে। এ সময় এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
এ ঘটনায় বোয়ালিয়া মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় ৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৩০-৩৫ জনকে আসামি করা হয়। তদন্তে স্থানীয় সাক্ষীদের তথ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজ ও স্থিরচিত্র পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্টদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় ২৭ জুন দিবাগত রাত ৩টার দিকে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ সিলিন্ডা বটতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ রাজিব শেখ (৩৬) নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে। তিনি বোয়ালিয়া থানার বখতিয়ারাবাদ মালদা কলোনির মৃত আজিজুল শেখের ছেলে এবং রাজশাহী মহানগরীর ১৬ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এ ছাড়া একই দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে সপুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তানভীর আহমেদ রাহাতকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বোয়ালিয়া থানার সপুরা এলাকার মোঃ আসলামের ছেলে এবং বোয়ালিয়া থানা পশ্চিম ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বলে জানা গেছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামি বোয়ালিয়া মডেল থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি। তাদের আদালতে উপস্থাপন করা হবে।
এদিকে মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গত ২১ জুন দিনগত রাত পৌনে ৫টার দিকে বোয়ালিয়া মডেল থানার রানীবাজার টাইলস পট্টি মোড়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা ব্যানার নিয়ে জড়ো হয়ে বিভিন্ন উসকানিমূলক স্লোগান দিয়ে মিছিল করে। এ সময় এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
এ ঘটনায় বোয়ালিয়া মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় ৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৩০-৩৫ জনকে আসামি করা হয়। তদন্তে স্থানীয় সাক্ষীদের তথ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজ ও স্থিরচিত্র পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্টদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় ২৭ জুন দিবাগত রাত ৩টার দিকে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ সিলিন্ডা বটতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোঃ রাজিব শেখ (৩৬) নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে। তিনি বোয়ালিয়া থানার বখতিয়ারাবাদ মালদা কলোনির মৃত আজিজুল শেখের ছেলে এবং রাজশাহী মহানগরীর ১৬ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এ ছাড়া একই দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে সপুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তানভীর আহমেদ রাহাতকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বোয়ালিয়া থানার সপুরা এলাকার মোঃ আসলামের ছেলে এবং বোয়ালিয়া থানা পশ্চিম ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বলে জানা গেছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামি বোয়ালিয়া মডেল থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি। তাদের আদালতে উপস্থাপন করা হবে।
এদিকে মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ।