নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় সিগারেট খাওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ছাত্রলীগ নেতার ছররা গুলিতে ৬ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে গুলিবিদ্ধ দুজনকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল থেকে ঢাকায় রেফার করা হয়। এর আগে শুক্রবার (২৬ জুন) রাত ৯টার দিকে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের নোয়াগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে দেওটি ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা রাসেদ ও রেদোয়ানসহ কয়েকজন যুবক একটি দোকান থেকে সিগারেট কিনে ধূমপান করছিলেন। এ সময় এলাকার কয়েকজন মুরব্বি তাদের বাধা দিলে উভয়পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এ ঘটনার জেরে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে দেওটি ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা রাশেদের নেতৃত্বে একদল যুবক ঘটনার সময় মুরুব্বিদের সঙ্গে থাকা নাহিদ ও নাঈমকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এতে নাহিদ ও নাঈমসহ অন্তত ৬ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে আশিক ও নাহিদকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাদের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, ধুমপান করাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ হয়। এরই জেরে পরদিন রাতে এসে তারা গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধদের মধ্যে অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। তবে একজনের পেট ও উরুতে গুলি লাগায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় রাশেদসহ ১২ জনকে এজাহারভুক্ত আসামি করে মামলা করা হয়েছে। পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।
শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে গুলিবিদ্ধ দুজনকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল থেকে ঢাকায় রেফার করা হয়। এর আগে শুক্রবার (২৬ জুন) রাত ৯টার দিকে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের নোয়াগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে দেওটি ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা রাসেদ ও রেদোয়ানসহ কয়েকজন যুবক একটি দোকান থেকে সিগারেট কিনে ধূমপান করছিলেন। এ সময় এলাকার কয়েকজন মুরব্বি তাদের বাধা দিলে উভয়পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এ ঘটনার জেরে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে দেওটি ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা রাশেদের নেতৃত্বে একদল যুবক ঘটনার সময় মুরুব্বিদের সঙ্গে থাকা নাহিদ ও নাঈমকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এতে নাহিদ ও নাঈমসহ অন্তত ৬ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে আশিক ও নাহিদকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাদের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, ধুমপান করাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ হয়। এরই জেরে পরদিন রাতে এসে তারা গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধদের মধ্যে অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। তবে একজনের পেট ও উরুতে গুলি লাগায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় রাশেদসহ ১২ জনকে এজাহারভুক্ত আসামি করে মামলা করা হয়েছে। পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।