রাজশাহী মহানগরীতে ৬০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও ২০ গ্রাম গাঁজা সহ তিনজন মাদক কারবারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৪ জুন) আনুমানিক রাত সোয়া ১১টার দিকে মতিহার থানার ধরমপুর পূর্বপাড়া এলাকা থেকে শহিদুলকে, একই তারিখ অনুমানিক দিবাগত রাত সোয়া ২টায় মতিহার থানার সাতবাড়িয়া এলাকা থেকে রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়াও বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) অনুমানিক রাত পৌনে ১০টায় বেলপুকুর থানার ভাংগা এলাকা থেকে রাতুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন- মতিহার থানার নতুন বুধপাড়া এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে মো: শহিদুল ইসলাম পিন্টু (৩৯); একই থানার সাতবাড়িয়া এলাকার মো: আতর আলীর ছেলে মো: রানা (৪৪) ও বেলপুকুর থানার চক জামিরা এলাকার কুদরত আলীর ছেলে মো: রাতুল হোসেন (২২)। সকলেই রাজশাহী মহানগরীর স্থায়ী বাসিন্দা।
শুক্রবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম।
তিনি জানান, গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারীদের দেহ তল্লাশি করে তাদের হেফাজত থেকে ৬০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও ২০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক ব্যবসার কাজে ব্যবহৃত ১টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা রুজু করে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) আনুমানিক রাত সোয়া ১১টার দিকে মতিহার থানার ধরমপুর পূর্বপাড়া এলাকা থেকে শহিদুলকে, একই তারিখ অনুমানিক দিবাগত রাত সোয়া ২টায় মতিহার থানার সাতবাড়িয়া এলাকা থেকে রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়াও বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) অনুমানিক রাত পৌনে ১০টায় বেলপুকুর থানার ভাংগা এলাকা থেকে রাতুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন- মতিহার থানার নতুন বুধপাড়া এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে মো: শহিদুল ইসলাম পিন্টু (৩৯); একই থানার সাতবাড়িয়া এলাকার মো: আতর আলীর ছেলে মো: রানা (৪৪) ও বেলপুকুর থানার চক জামিরা এলাকার কুদরত আলীর ছেলে মো: রাতুল হোসেন (২২)। সকলেই রাজশাহী মহানগরীর স্থায়ী বাসিন্দা।
শুক্রবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান, পিপিএম।
তিনি জানান, গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারীদের দেহ তল্লাশি করে তাদের হেফাজত থেকে ৬০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও ২০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক ব্যবসার কাজে ব্যবহৃত ১টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা রুজু করে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।