ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, এমপি বলেছেন, রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল কেবল রাজশাহী বা বাংলাদেশের নয়, বরং সমগ্র উপমহাদেশের একটি গর্বের প্রতিষ্ঠান। ২০২৮ সালে এই স্কুলের দ্বিশত বর্ষপূর্তি উদযাপিত হবে। আর সে অনুষ্ঠান হবে এক ঐতিহাসিক মিলনমেলা।
শুক্রবার (২৬ জুন) বিকালে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল প্রাঙ্গণে ২০২৮ সালে অনুষ্ঠাতব্য স্কুলের দ্বিশত বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
দ্বিশত বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানোর প্রস্তাব রেখে অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র ভূমিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সেনাবাহিনীর প্রধানসহ সরকারের অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এই স্কুলেরই কৃতী ছাত্র। তাঁরাও এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী।
মন্ত্রী সভায় দ্বিশত বার্ষিকী স্মৃতি হিসেবে স্কুলে একটি অত্যাধুনিক অডিটোরিয়াম বা ‘২০০ ইয়ার্স হল’ নির্মাণের প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সুবর্ণ জয়ন্তী টাওয়ারের আদলে একটি দৃষ্টিনন্দন টাওয়ার বা স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে, যা সারা বিশ্বের মানুষের নজর কাড়বে। স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র যারা দেশবরেণ্য শিল্পী, তাদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এছাড়া উপহার হিসেবে বড়ো কোনো ক্রেস্টের পরিবর্তে ব্রিটিশ মিউজিয়াম বা প্রাচীন ঐতিহ্যের আদলে ছোট স্মারক মেডেল প্রদান করা হবে, যা বংশপরম্পরায় সংরক্ষিত থাকবে।
তিনি জানান, অনুষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক মানের করতে এবং সারা বিশ্বের কাছে স্কুলের ঐতিহ্য তুলে ধরতে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। অত্যন্ত স্বচ্ছতা ও সততার সাথে অনুষ্ঠান উদযাপনের লক্ষ্যে একটি প্রাথমিক পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। দলমত নির্বিশেষে স্কুলের প্রতি ভালোবাসা থেকে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
উদযাপন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক রেজাউল করিম রাজুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজিয়েট স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. বাইরুল ইসলাম ও জেলা পরিষদ প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী ঈশা। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, প্রাক্তন ছাত্র এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
শুক্রবার (২৬ জুন) বিকালে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল প্রাঙ্গণে ২০২৮ সালে অনুষ্ঠাতব্য স্কুলের দ্বিশত বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
দ্বিশত বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানোর প্রস্তাব রেখে অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র ভূমিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সেনাবাহিনীর প্রধানসহ সরকারের অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এই স্কুলেরই কৃতী ছাত্র। তাঁরাও এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী।
মন্ত্রী সভায় দ্বিশত বার্ষিকী স্মৃতি হিসেবে স্কুলে একটি অত্যাধুনিক অডিটোরিয়াম বা ‘২০০ ইয়ার্স হল’ নির্মাণের প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সুবর্ণ জয়ন্তী টাওয়ারের আদলে একটি দৃষ্টিনন্দন টাওয়ার বা স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে, যা সারা বিশ্বের মানুষের নজর কাড়বে। স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র যারা দেশবরেণ্য শিল্পী, তাদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এছাড়া উপহার হিসেবে বড়ো কোনো ক্রেস্টের পরিবর্তে ব্রিটিশ মিউজিয়াম বা প্রাচীন ঐতিহ্যের আদলে ছোট স্মারক মেডেল প্রদান করা হবে, যা বংশপরম্পরায় সংরক্ষিত থাকবে।
তিনি জানান, অনুষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক মানের করতে এবং সারা বিশ্বের কাছে স্কুলের ঐতিহ্য তুলে ধরতে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। অত্যন্ত স্বচ্ছতা ও সততার সাথে অনুষ্ঠান উদযাপনের লক্ষ্যে একটি প্রাথমিক পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। দলমত নির্বিশেষে স্কুলের প্রতি ভালোবাসা থেকে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
উদযাপন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক রেজাউল করিম রাজুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজিয়েট স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. বাইরুল ইসলাম ও জেলা পরিষদ প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী ঈশা। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, প্রাক্তন ছাত্র এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।