খোলাবোনা মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া

আপলোড সময় : ২৫-০৬-২০২৬ ০৯:৪২:৪৭ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৫-০৬-২০২৬ ০৯:৪২:৪৭ অপরাহ্ন
রাজশাহীর পবার খোলাবোনা দাখিল মাদ্রাসা ও খোলাবোনা ফুরকানিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার জমি, অর্থ ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মের অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে সুপারের বিরুদ্ধে  এলাকাবাসি প্রতিবাদ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।

সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপি প্রদান ও এলাকাবাসীর ব্যানারে উপজেলা পরিষদ চত্বরে মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল করেছেন।তবে এনিয়ে স্থানীয় বয়োজ্যেষ্ঠ একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন,রাজনৈতিক পরিচয়ের একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী  মাদ্রাসার বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ নিতেই কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত্য ছাড়াই সুপারের বিরুদ্ধে মনগড়া অভিযোগ এনেছে।

এদিকে স্মারকলিপি ও প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে, এছাড়া জনমনেও মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে,উঠেছে সমালোচনার ঝড় বইছে, মুখরোচক নানা গুঞ্জন। 

অভিযোগকারীদের দাবি প্রায় ৩৮ বছর ধরে খোলাবোনা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মিকাইল হোসেন, কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারী ও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দোসর হিসেবে পরিচিত পরিচালনা কমিটির কয়েকজন সদস্য প্রতিষ্ঠান দুটির কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন।

দাতা পরিবারের সদস্য ও তাঁদের পূর্বপুরুষেরা প্রতিষ্ঠান দুটির উন্নয়নের জন্য প্রায় ১০৫ বিঘা জমি দান করেছিলেন। তবে ওই সম্পত্তির বর্তমান অবস্থা, দখল, বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে এলাকাবাসীকে কোনো স্বচ্ছ তথ্য দেওয়া হয়নি। এছাড়া কিছু জমি বিক্রি ও বিনিময়ের পাশাপাশি শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে পাঁচ থেকে ছয় লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে মাদ্রাসা সুপার মিকাইল হোসেন বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো সঠিক নয় সম্পুর্ন মিথ্যা, ভিত্তিহীন,কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত। তিনি প্রতিষ্ঠানের কোনো সম্পত্তিও আত্মসাৎ করেননি। দীর্ঘ প্রায় ৩৮ বছর যাবত সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

এদিকে স্থানীয়দের অভিমত দীর্ঘ ৩৮ বছর দায়িত্ব পালন করা সুপারের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ উঠেনি।কিন্ত্ত চাকরি জীবনের শেষ বছরে তার বিরুদ্ধে  উঠা অভিযোগের সত্যতা কতটুকু রয়েছে সেটা নিয়ে জনসাধারণের মনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।তারা বলছে,রাজনৈতিক পরিচয়ের একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী মাদ্রাসার সম্পদ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে সুপারকে ফাঁসিয়ে বসে আনতে এসব মনগড়া অভিযোগ উঙ্খাপন করেছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) ইবনুল আবেদীন বলেন, এলাকাবাসীর দেওয়া স্মারকলিপি গ্রহণ করা হয়েছে। উত্থাপিত অভিযোগ ও দাবিগুলো যাচাই করে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনার পাশাপাশি উভয় পক্ষের বক্তব্য নেওয়া হবে।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]