গাইবান্ধার সদর উপজেলায় প্রথম শ্রেণিতে পড়া ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে ফাস্টফুডের দোকান ডেকে ধর্ষণচেষ্টা করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পুলিশে দেওয়ার পর জনতা তার দোকানে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়নের ভেড়ামারা ব্রিজ সংলগ্ন ঘাঘট নদীর তীরে অবস্থিত ‘জাফলং চাইনিজ ফাস্টফুড’ রেস্তোরাঁয় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তি আমির হোসেন (৫০)। তিনি সদর উপজেলার দারিয়াপুর বাজার এলাকার বাসিন্দা এবং ওই রেস্তোরাঁর ম্যানেজার। ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাড়ি রেস্তোরাঁটির পাশের বাইরবন এলাকায়।
স্থানীয়রা জানান, বুধবার দুপুরে শিশুটিকে কৌশলে রেস্তোরাঁর ভেতরে ডেকে নিয়ে যান ম্যানেজার আমির হোসেন। সেখানে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। বিষয়টি টের পেয়ে আশপাশের লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে তারা রেস্তোরাঁটি ঘিরে ফেলে অভিযুক্ত আমিরকে ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
খবর পেয়ে গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এক ঘণ্টার বেশি সময় চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ তাকে নিয়ে চলে যাওয়ার পর উত্তেজিত জনতা রেস্তোরাঁটিতে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।
এ বিষয়ে গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শেখ মুত্তাজুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে ওই ব্যক্তিকে স্থানীয় জনতার সহায়তায় আটক করা হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়নের ভেড়ামারা ব্রিজ সংলগ্ন ঘাঘট নদীর তীরে অবস্থিত ‘জাফলং চাইনিজ ফাস্টফুড’ রেস্তোরাঁয় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তি আমির হোসেন (৫০)। তিনি সদর উপজেলার দারিয়াপুর বাজার এলাকার বাসিন্দা এবং ওই রেস্তোরাঁর ম্যানেজার। ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাড়ি রেস্তোরাঁটির পাশের বাইরবন এলাকায়।
স্থানীয়রা জানান, বুধবার দুপুরে শিশুটিকে কৌশলে রেস্তোরাঁর ভেতরে ডেকে নিয়ে যান ম্যানেজার আমির হোসেন। সেখানে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। বিষয়টি টের পেয়ে আশপাশের লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরে তারা রেস্তোরাঁটি ঘিরে ফেলে অভিযুক্ত আমিরকে ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
খবর পেয়ে গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এক ঘণ্টার বেশি সময় চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ তাকে নিয়ে চলে যাওয়ার পর উত্তেজিত জনতা রেস্তোরাঁটিতে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।
এ বিষয়ে গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শেখ মুত্তাজুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে ওই ব্যক্তিকে স্থানীয় জনতার সহায়তায় আটক করা হয়েছে।