চাঁপাইনবাবগঞ্জের বন্ধুদের ছুরিকাঘাতে রজব আলী (২৬) নামে এক যুবক খুন হয়েছেন। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে জেলা শহরের পুরাতন বাজারের হাসপাতাল রোডের পদ্মা ক্লিনিকের সামনে এই ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে।
নিহত রজব আলী জেলা শহরের মসজিদপাড়া মহল্লার বাবু আলীর ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা, নিহতের স্বজন, চিকিৎসক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রজব ও একই এলাকার জিসান ও মেহেদী তারা একসঙ্গেই ঘোরাঘুরি করতেন।
বুধবার দুপুরে তিনজনের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হলে জিসান ও মেহেদী মিলে রজবের বুকে ছুরিকাঘাত করে। স্থানীয়রা তাদের করে হাসপাতালে নিলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। ছুরিকাঘাতের ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরামুল হোসাইন জানান, মরদেহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে রাখা হয়েছে। এ নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের করা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রতিবেশীরা জানান, নিহত রজব ও তার দুই বন্ধু মেহেদী ও জিসানের মধ্যে গত কয়েকদিন আগেও মাদক সংক্রান্ত বিরোধ হয়। ছুরিকাঘাতের পর থেকেই মেহেদী ও সিজান পলাতক রয়েছেন। এ ছাড়াও ছুরিকাঘাতের সময় উভয়ই মাদকাসক্ত ছিল বলে দাবি পুলিশের।
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ইসারুল ইসলাম তুসার জানান, হাসপাতালে নেয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়েছিল। বুকের ডান দিকে গভীরভাবে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
নিহত রজব আলী জেলা শহরের মসজিদপাড়া মহল্লার বাবু আলীর ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা, নিহতের স্বজন, চিকিৎসক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রজব ও একই এলাকার জিসান ও মেহেদী তারা একসঙ্গেই ঘোরাঘুরি করতেন।
বুধবার দুপুরে তিনজনের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হলে জিসান ও মেহেদী মিলে রজবের বুকে ছুরিকাঘাত করে। স্থানীয়রা তাদের করে হাসপাতালে নিলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। ছুরিকাঘাতের ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরামুল হোসাইন জানান, মরদেহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে রাখা হয়েছে। এ নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের করা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রতিবেশীরা জানান, নিহত রজব ও তার দুই বন্ধু মেহেদী ও জিসানের মধ্যে গত কয়েকদিন আগেও মাদক সংক্রান্ত বিরোধ হয়। ছুরিকাঘাতের পর থেকেই মেহেদী ও সিজান পলাতক রয়েছেন। এ ছাড়াও ছুরিকাঘাতের সময় উভয়ই মাদকাসক্ত ছিল বলে দাবি পুলিশের।
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ইসারুল ইসলাম তুসার জানান, হাসপাতালে নেয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়েছিল। বুকের ডান দিকে গভীরভাবে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।