‘আমাদের হাতে ক্ষেপণাস্ত্র না থাকলে ইরানের অবস্থাও হত গাজার মতো’! দাবি পেজশকিয়ানের

আপলোড সময় : ২৪-০৬-২০২৬ ০৭:০১:১৫ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২৪-০৬-২০২৬ ০৭:০১:১৫ অপরাহ্ন
নিজেদের অস্ত্রভান্ডারের ‘সুফল’ বোঝালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি মনে করেন, ইরানের হাতে যদি ক্ষেপণাস্ত্র না-থাকত তবে তাঁর দেশের অবস্থাও গাজার মতো হত। আমেরিকা এবং ইজরায়েল ইরানেরও গাজার মতো পরিণতি তৈরি করত।

পাকিস্তান সফরে রয়েছেন পেজেশকিয়ান। সেই সফরকালে সংবাদসংস্থা এএফপি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের প্রতিরক্ষার জন্য যে সব ক্ষেপণাস্ত্র আছে, সেগুলি যদি না-থাকত, তবে ইজরায়েল এবং গাজার মতোই ইরানের উপর নির্বিচারে হামলা চালাত আমেরিকা। বৃদ্ধ, তরুণ বা শিশু— কেউ রক্ষা পেত না।’’ পেজেশকিয়ান মনে করেন, মানবাধিকার বলে আমেরিকা যা প্রচার করে, তা ‘ভণ্ডামি’ ছাড়া আর কিছুই নয়। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, ইরান কোনও অবস্থাতেই তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে কারও সঙ্গে কোনও আলোচনা করবে না।

১৭ জুন ট্রাম্প এবং পেজেশকিয়ান ১৪ দফা সমঝোতা স্মারকে (মউ) সই করেছিলেন। ইরানের প্রেসিডেন্টের দাবি, তাঁর দেশের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনার কোনও প্রস্তাবই নেই সমঝোতা স্মারকে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তাঁর কথায়, ‘‘আমি নিঃসন্দেহে বলতে পারি, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে আলোচনার বিষয় নয়। আলোচনার টেবিলে ছিল না এমন কোনও বিষয়।’’ একই বিষয় টেনে পেজেশকিয়ান বলেন, আলোচনায় কখনই দ্বৈতনীতি থাকতে পারে না। কিছু দেশের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকবে, আর ইরানের থাকবে না, তা হতে পারে না।’’

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করেছিল পেন্টাগন। সেই অভিযানে জুড়ে যায় ইজরায়েলও। পাল্টা হামলার পথে হাঁটে ইরান। পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে প্রত্যাঘাত শুরু করেছিল তেহরান। ইজরায়েলও তাদের নিশানায় ছিল। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় কয়েক দফা আলোচনার পরে ৮ এপ্রিল অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল ওয়াশিংটন ও তেহরান। পরে অনেক টালবাহানার পর দু’দেশের মধ্যে মউ স্বাক্ষর হয়। তার পরে ইরানের তেল রফতানির উপর নিষেধাজ্ঞা সাময়িক প্রত্যাহার করে আমেরিকা। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে নতুন করে জট তৈরি হয়েছে। আমেরিকার তরফে দাবি করা হচ্ছে, জাতিসংঘ নিয়ন্ত্রিত আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)-কে ইরানে প্রবেশের অনুমতি দিতে তেহরান আগেই সম্মত হয়েছে। তবে তেহরানের দাবি, কোনও অবস্থাতেই আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দলকে পরমাণুকেন্দ্র পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়া হবে না। আর তার পরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট বুঝিয়ে দিলেন, ইরান যদি পরমাণু পরিদর্শকদের তাদের দেশে প্রবেশে অনুমতি না দেয়, তবে ফল ভাল হবে না।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]