নাটোরের আলোচিত আবুল কালাম হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ১ ও ২ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৫ ও র্যাব-৪ এর যৌথ আভিযানিক দল।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো: নাটোর সদর উপজেলার কান্দিভিটা পূর্বপাড়া এলাকার মৃত হানিফের ছেলে মো. হাফিজ (৩৫) ও মো. হামজা (৩৬)।
র্যাব জানায়, গত ২৩ জুন রাত পৌনে ১০টায় ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন ভাদাইল বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ মার্চ ২০২৬ রাতে মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াকে কেন্দ্র করে আবু কাউসার, সজল খানসহ আসামিদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভের জেরে গত ১৬ মার্চ রাতে নাটোর থানার কান্দিভিটা পূর্বপাড়া কদমতলা মোড়ে সজল খানকে একা পেয়ে আসামিরা হামলা চালায়।
এ সময় তাকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে আবু কাউসার ও আবুল কালামকেও হামলার শিকার হতে হয়। হামলায় আবুল কালাম (৪৯) গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এছাড়া আবু কাউসার ও সজল খানও গুরুতর আহত হন।
এ ঘটনায় নিহত আবুল কালামের ভাই মো. জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে নাটোর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, মারধরসহ বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
র্যাব জানায়, ঘটনার পর আসামিরা আত্মগোপনে ছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃতদের আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আশুলিয়া থানার মাধ্যমে নাটোর থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো: নাটোর সদর উপজেলার কান্দিভিটা পূর্বপাড়া এলাকার মৃত হানিফের ছেলে মো. হাফিজ (৩৫) ও মো. হামজা (৩৬)।
র্যাব জানায়, গত ২৩ জুন রাত পৌনে ১০টায় ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন ভাদাইল বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ মার্চ ২০২৬ রাতে মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াকে কেন্দ্র করে আবু কাউসার, সজল খানসহ আসামিদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভের জেরে গত ১৬ মার্চ রাতে নাটোর থানার কান্দিভিটা পূর্বপাড়া কদমতলা মোড়ে সজল খানকে একা পেয়ে আসামিরা হামলা চালায়।
এ সময় তাকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে আবু কাউসার ও আবুল কালামকেও হামলার শিকার হতে হয়। হামলায় আবুল কালাম (৪৯) গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এছাড়া আবু কাউসার ও সজল খানও গুরুতর আহত হন।
এ ঘটনায় নিহত আবুল কালামের ভাই মো. জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে নাটোর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, মারধরসহ বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
র্যাব জানায়, ঘটনার পর আসামিরা আত্মগোপনে ছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃতদের আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আশুলিয়া থানার মাধ্যমে নাটোর থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে।