বর্তমান প্রজন্মের পুরুষেরা শরীরচর্চা, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসচেতনতা নিয়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি মনোযোগী। কিন্তু ত্বকের যত্নের ক্ষেত্রে এখনও অনীহা স্পষ্ট। অনেকের কাছেই স্কিনকেয়ার মানে বাড়তি ঝক্কি, শুধুমাত্র সৌন্দর্যচর্চা বা একেবারেই অপ্রয়োজনীয় কিছু। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারণাগুলিই পুরুষদের ত্বকের স্বাস্থ্যের প্রতি উদাসীন করে তুলছে।
স্কিনকেয়ার বিশেষজ্ঞ এবং ফিক্সডার্মা ও এফসিএলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা শৈলী মেহরোত্রার মতে, আধুনিক জীবনযাত্রার কারণে পুরুষদের ত্বক প্রতিনিয়ত নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। দীর্ঘ যাতায়াত, দূষণ, অনিয়মিত ঘুম, রোদে অতিরিক্ত থাকা এবং কাজের চাপ ত্বকের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত তেল নিঃসরণ, শেভ করার কারণে হওয়া জ্বালা, ব্রণ এবং পিগমেন্টেশনের মতো সমস্যাও দেখা দিচ্ছে।
তিনি জানাচ্ছেন, অনেকেই বুঝতে পারেন না যে নিয়মিত শেভ করার ফলে ত্বকের উপরের স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এতে ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে এবং সংবেদনশীলতা বাড়ে। তাই ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
অনেক পুরুষই মনে করেন, স্কিনকেয়ার মানেই বহু ধাপের জটিল রুটিন এবং একাধিক প্রসাধনী। সামাজিক মাধ্যমে নানা ধরনের স্কিনকেয়ার ট্রেন্ড জনপ্রিয় হওয়ায় এই ধারণা আরও জোরদার হয়েছে। তবে শৈলী মেহরোত্রা মনে করেন, সুস্থ ত্বকের চাবিকাঠি জটিলতা নয়, বরং নিয়মিত অভ্যাস।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, অধিকাংশ পুরুষের জন্য মুখ পরিষ্কার রাখা, ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখা এবং প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহার করাই যথেষ্ট। ঠিক যেমন নিয়মিত শরীরচর্চা বা সুষম খাদ্য দীর্ঘমেয়াদে উপকার দেয়, তেমনই ছোট ছোট অভ্যাসও ত্বককে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, স্কিনকেয়ারকে কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্যের সঙ্গে যুক্ত না করে সামগ্রিক স্বাস্থ্যের অংশ হিসেবে দেখা উচিত। প্রতিদিনের যাতায়াত বা সাধারণ কাজের সময়ও সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মির সংস্পর্শে আসতে হয়। তাই শুধুমাত্র বেড়াতে গেলে নয়, প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ।
তবে ইতিবাচক দিক হল, ধীরে ধীরে পুরুষদের দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আসছে। অনেকেই এখন স্কিনকেয়ারকে আত্মযত্নের অংশ হিসেবে দেখতে শুরু করেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশি পণ্য নয়, বরং সচেতনতা এবং শুরু করার আত্মবিশ্বাসই এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।
স্কিনকেয়ার বিশেষজ্ঞ এবং ফিক্সডার্মা ও এফসিএলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা শৈলী মেহরোত্রার মতে, আধুনিক জীবনযাত্রার কারণে পুরুষদের ত্বক প্রতিনিয়ত নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। দীর্ঘ যাতায়াত, দূষণ, অনিয়মিত ঘুম, রোদে অতিরিক্ত থাকা এবং কাজের চাপ ত্বকের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত তেল নিঃসরণ, শেভ করার কারণে হওয়া জ্বালা, ব্রণ এবং পিগমেন্টেশনের মতো সমস্যাও দেখা দিচ্ছে।
তিনি জানাচ্ছেন, অনেকেই বুঝতে পারেন না যে নিয়মিত শেভ করার ফলে ত্বকের উপরের স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এতে ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে এবং সংবেদনশীলতা বাড়ে। তাই ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
অনেক পুরুষই মনে করেন, স্কিনকেয়ার মানেই বহু ধাপের জটিল রুটিন এবং একাধিক প্রসাধনী। সামাজিক মাধ্যমে নানা ধরনের স্কিনকেয়ার ট্রেন্ড জনপ্রিয় হওয়ায় এই ধারণা আরও জোরদার হয়েছে। তবে শৈলী মেহরোত্রা মনে করেন, সুস্থ ত্বকের চাবিকাঠি জটিলতা নয়, বরং নিয়মিত অভ্যাস।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, অধিকাংশ পুরুষের জন্য মুখ পরিষ্কার রাখা, ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখা এবং প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহার করাই যথেষ্ট। ঠিক যেমন নিয়মিত শরীরচর্চা বা সুষম খাদ্য দীর্ঘমেয়াদে উপকার দেয়, তেমনই ছোট ছোট অভ্যাসও ত্বককে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, স্কিনকেয়ারকে কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্যের সঙ্গে যুক্ত না করে সামগ্রিক স্বাস্থ্যের অংশ হিসেবে দেখা উচিত। প্রতিদিনের যাতায়াত বা সাধারণ কাজের সময়ও সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মির সংস্পর্শে আসতে হয়। তাই শুধুমাত্র বেড়াতে গেলে নয়, প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ।
তবে ইতিবাচক দিক হল, ধীরে ধীরে পুরুষদের দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আসছে। অনেকেই এখন স্কিনকেয়ারকে আত্মযত্নের অংশ হিসেবে দেখতে শুরু করেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশি পণ্য নয়, বরং সচেতনতা এবং শুরু করার আত্মবিশ্বাসই এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।