সকালে যেমন ছিল একটি হাসিখুশি পরিবার, দুপুর গড়াতেই সেখানে নেমে আসে শোকের কালো ছায়া। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি, তিন সন্তানের স্নেহময় বাবা ও স্ত্রীর একমাত্র অবলম্বন কৃষক আনোয়ার হোসেন (৪০) আর ফিরলেন না ঘরে। একটি গাছের ডাল ভেঙে মাথার ওপর পড়ে মুহূর্তেই নিভে যায় তার জীবনপ্রদীপ। আর সেই সঙ্গে ভেঙে চুরমার হয়ে যায় একটি অসহায় পরিবারের ভবিষ্যতের স্বপ্ন। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নের ধকরাপট্টি গ্রামে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আনোয়ার হোসেন ওই গ্রামের চৈতু মোহাম্মদের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন দুপুরে বাড়ির পাশের একটি আমগাছের নিচে আম কুড়াতে যান আনোয়ার। কাজ শেষে পাশের একটি ইউক্যালিপ্টাস গাছের ছায়ায় বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এ সময় কয়েকজন শ্রমিক নিকটস্থ গাছ কাটার কাজ করছিলেন। হঠাৎ অসাবধানতাবশত গাছের একটি মোটা ডাল ভেঙে সজোরে আনোয়ারের মাথার ওপর এসে পড়ে। প্রচণ্ড আঘাতে তিনি ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নেকমরদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আনোয়ার ছিলেন অত্যন্ত পরিশ্রমী ও ভদ্র স্বভাবের মানুষ। তার অকাল মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখা যায় আনোয়ারের বাড়িতে। স্বামীর মরদেহ জড়িয়ে ধরে বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন স্ত্রী লাবলী আক্তার। একমাত্র উপার্জনক্ষম স্বামীকে হারিয়ে তিনি এখন তিনটি অবুঝ সন্তানকে নিয়ে দিশেহারা। ছোট দুই সন্তান এখনো বুঝতেই পারেনি তাদের বাবা আর কখনো ফিরে আসবেন না। তারা শুধু বাবার নিথর মুখের দিকে নির্বাক তাকিয়ে ছিল। সেই দৃশ্য উপস্থিত সবার চোখে জল এনে দেয়।
প্রতিবেশীরা জানান, আনোয়ারের সংসার ছিল পুরোপুরি তার আয়ের ওপর নির্ভরশীল। সামান্য জমিজিরাত আবাদ করে কষ্ট করে সংসার চালাতেন তিনি। সন্তানদের মানুষ করার স্বপ্ন ছিল তার। কিন্তু একটি দুর্ঘটনা মুহূর্তেই সেই স্বপ্নগুলোকে মাটিচাপা দিয়ে গেল।
এদিকে আনোয়ারের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী তার বাড়িতে ভিড় করেন। শোকাহত পরিবারের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। অনেকেই পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
রাণীশংকৈল থানার ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
একটি গাছের ডাল ভেঙে পড়ার ঘটনায় শুধু একজন মানুষের মৃত্যু হয়নি; হারিয়ে গেছে একটি পরিবারের ভরসা, তিনটি শিশুর বাবার ছায়া এবং এক অসহায় স্ত্রীর জীবনের সবচেয়ে বড় আশ্রয়। ধকরাপট্টি গ্রামের মানুষের হৃদয়ে এই শোক দীর্ঘদিন বেদনার স্মৃতি হয়ে থাকবে।।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন দুপুরে বাড়ির পাশের একটি আমগাছের নিচে আম কুড়াতে যান আনোয়ার। কাজ শেষে পাশের একটি ইউক্যালিপ্টাস গাছের ছায়ায় বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এ সময় কয়েকজন শ্রমিক নিকটস্থ গাছ কাটার কাজ করছিলেন। হঠাৎ অসাবধানতাবশত গাছের একটি মোটা ডাল ভেঙে সজোরে আনোয়ারের মাথার ওপর এসে পড়ে। প্রচণ্ড আঘাতে তিনি ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নেকমরদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আনোয়ার ছিলেন অত্যন্ত পরিশ্রমী ও ভদ্র স্বভাবের মানুষ। তার অকাল মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখা যায় আনোয়ারের বাড়িতে। স্বামীর মরদেহ জড়িয়ে ধরে বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন স্ত্রী লাবলী আক্তার। একমাত্র উপার্জনক্ষম স্বামীকে হারিয়ে তিনি এখন তিনটি অবুঝ সন্তানকে নিয়ে দিশেহারা। ছোট দুই সন্তান এখনো বুঝতেই পারেনি তাদের বাবা আর কখনো ফিরে আসবেন না। তারা শুধু বাবার নিথর মুখের দিকে নির্বাক তাকিয়ে ছিল। সেই দৃশ্য উপস্থিত সবার চোখে জল এনে দেয়।
প্রতিবেশীরা জানান, আনোয়ারের সংসার ছিল পুরোপুরি তার আয়ের ওপর নির্ভরশীল। সামান্য জমিজিরাত আবাদ করে কষ্ট করে সংসার চালাতেন তিনি। সন্তানদের মানুষ করার স্বপ্ন ছিল তার। কিন্তু একটি দুর্ঘটনা মুহূর্তেই সেই স্বপ্নগুলোকে মাটিচাপা দিয়ে গেল।
এদিকে আনোয়ারের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী তার বাড়িতে ভিড় করেন। শোকাহত পরিবারের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। অনেকেই পরিবারের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
রাণীশংকৈল থানার ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
একটি গাছের ডাল ভেঙে পড়ার ঘটনায় শুধু একজন মানুষের মৃত্যু হয়নি; হারিয়ে গেছে একটি পরিবারের ভরসা, তিনটি শিশুর বাবার ছায়া এবং এক অসহায় স্ত্রীর জীবনের সবচেয়ে বড় আশ্রয়। ধকরাপট্টি গ্রামের মানুষের হৃদয়ে এই শোক দীর্ঘদিন বেদনার স্মৃতি হয়ে থাকবে।।