রাজশাহী মহানগরীর কর্ণহার থানার বহুল আলোচিত ও ক্লু-লেস শিশু আদিব আহনাফ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে রাজশাহী মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে সে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ১ মার্চ রাতে শিশু আদিব আহনাফ তারাবির নামাজ পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। পরদিন ২ মার্চ সকালে কর্ণহার থানাধীন বিলধর্মপুর গ্রামের কৈচাপুকুর এলাকায় তার বাবার ঘাসক্ষেত থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন এবং গলায় প্যান্টের বেল্ট পেঁচানো অবস্থায় পাওয়া যায়। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কর্ণহার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পরবর্তীতে মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর করা হলে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ এরশাদ হোসেনের নেতৃত্বে তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য ও গোপন সূত্রের ভিত্তিতে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
দীর্ঘ তদন্ত ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের পর ডিবি পুলিশ হত্যাকান্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়। তদন্তে জানা যায়, পূর্বপরিকল্পিতভাবে আক্রোশ ও প্রতিশোধের বশবর্তী হয়ে এ হত্যাকান্ড সংঘটিত করা হয়।
মঙ্গলবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান। তিনি জানান, গত ২১ জুন অভিযানে হত্যাকান্ডের পরিকল্পনাকারী ওই কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ২২ জুন তাকে আদালতে হাজির করা হলে সে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে সে হত্যাকান্ডে দায় স্বীকার করে।
তদন্তে উঠে এসেছে, একটি ব্যক্তিগত বিরোধ ও ক্ষোভের জেরে শিশুটিকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। ভুক্তভোগী শিশু একটি বিষয় জানিয়ে দেওয়ায় অভিযুক্ত কিশোর ক্ষুব্ধ হয়। পরে রমজান মাসে তারাবির নামাজে যাওয়ার সময় কৌশলে আদিব আহনাফকে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে মাথায় আঘাত এবং শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে স্বীকারোক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযানকালে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি কোমরের বেল্ট উদ্ধার করেছে ডিবি পুলিশ।
আলোচিত এ হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনের মাধ্যমে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা অপরাধ দমন ও তদন্তে তাদের পেশাদারিত্ব এবং দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ১ মার্চ রাতে শিশু আদিব আহনাফ তারাবির নামাজ পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। পরদিন ২ মার্চ সকালে কর্ণহার থানাধীন বিলধর্মপুর গ্রামের কৈচাপুকুর এলাকায় তার বাবার ঘাসক্ষেত থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন এবং গলায় প্যান্টের বেল্ট পেঁচানো অবস্থায় পাওয়া যায়। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কর্ণহার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পরবর্তীতে মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর করা হলে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ এরশাদ হোসেনের নেতৃত্বে তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য ও গোপন সূত্রের ভিত্তিতে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
দীর্ঘ তদন্ত ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের পর ডিবি পুলিশ হত্যাকান্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়। তদন্তে জানা যায়, পূর্বপরিকল্পিতভাবে আক্রোশ ও প্রতিশোধের বশবর্তী হয়ে এ হত্যাকান্ড সংঘটিত করা হয়।
মঙ্গলবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ গাজিউর রহমান। তিনি জানান, গত ২১ জুন অভিযানে হত্যাকান্ডের পরিকল্পনাকারী ওই কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ২২ জুন তাকে আদালতে হাজির করা হলে সে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে সে হত্যাকান্ডে দায় স্বীকার করে।
তদন্তে উঠে এসেছে, একটি ব্যক্তিগত বিরোধ ও ক্ষোভের জেরে শিশুটিকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। ভুক্তভোগী শিশু একটি বিষয় জানিয়ে দেওয়ায় অভিযুক্ত কিশোর ক্ষুব্ধ হয়। পরে রমজান মাসে তারাবির নামাজে যাওয়ার সময় কৌশলে আদিব আহনাফকে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে মাথায় আঘাত এবং শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে স্বীকারোক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযানকালে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি কোমরের বেল্ট উদ্ধার করেছে ডিবি পুলিশ।
আলোচিত এ হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনের মাধ্যমে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা অপরাধ দমন ও তদন্তে তাদের পেশাদারিত্ব এবং দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।