প্রধানমন্ত্রী বাজেটে শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন: শিক্ষামন্ত্রী

আপলোড সময় : ২২-০৬-২০২৬ ০৭:০৬:৫২ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ২২-০৬-২০২৬ ০৭:০৬:৫২ অপরাহ্ন
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষাই হচ্ছে সবার সম্বল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাজেটে সব চেয়ে বেশি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ভালোবাসার প্রধান বিষয়বস্তু হচ্ছে শিক্ষা। আপনারা তাকে জিজ্ঞাসা করুন আপনার সব চেয়ে ফেভারিট ডিপার্টমেন্ট কোনটি তিনি বলবেন শিক্ষা, দ্বিতীয়বার যদি জিজ্ঞেস করেন বলবেন শিক্ষা। তৃতীয় বার জিজ্ঞেস করেন আপনি কোন ডিপার্টমেন্টকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে চান তিনি বলবেন শিক্ষা।

সোমবার (২২ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ২০তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন এবং ডিনস ও ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় বিগত দুই সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমাদের মাদরাসা শিক্ষকরা মে-জুন মাসের বেতন পাচ্ছে না। ২০১৭ সালে একটি ইলেকট্রিক ফান্ড ট্রান্সফার প্রজেক্ট (ইটিএফ) হাতে নেওয়া হয়েছিল। ১০ কোটি টাকার প্রজেক্ট এসে দাঁড়িয়েছে ৮০ কোটি টাকায়। কিন্তু প্রজেক্ট শেষ হয় না। গত ইন্টেরিয়ম গভর্নমেন্ট ১৭ হাজার মাদরাসা শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছে। কিন্তু অটোমেটিক ফান্ড ট্রান্সফারে প্রোগ্রাম না থাকায় কী পরিমাণ টাকা মাদরাসার শিক্ষকদের বেতনের জন্য বরাদ্দ করতে হবে তারা বুঝেননি। প্রতিমাসে ৫০০ কোটি টাকার ওপরে মাদরাসা শিক্ষকদের প্রয়োজন হয়। এই শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে গিয়ে তাদের বেতনের ব্যবস্থা করেনি। আমাদের কাছে ১০০ কোটি টাকা ছিল, ওই টাকা বরাদ্দ দিয়ে দিয়েছি। জুলাই মাসে এসে সবার বেতন পরিশোধ করব। একবার ভেবে দেখুন একজন মাদরাসা শিক্ষক প্রতিমাসে বেতন পায়। একমাস বেতন না পেলে তার কী পরিমাণ ভোগান্তি যায়। বিগত সরকারগুলো না করল ইটিএফ, না করল অ্যালোগেইট মানি, যে এই বাজেটে এত দরকার। এভাবে সরকার চালিয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার জন্য ব্যাপক কাজ করছেন। কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রুপান্তর করতে হবে। এই জনসংখ্যা কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারলে আমাদের আয় বহুগুণ বেড়ে যেত। ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষাকে কীভাবে গুরুত্ব দেওয়া যায়- সেই বিষয়টি ভেবে দেখা হচ্ছে। মাদরাসা শিক্ষাকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। আমরা অত্যন্ত ভাগ্যবান- আমরা তারেক রহমানের মতো একজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি। আমি জানি না আমার এই বয়সে বিশ্ব পরিমণ্ডলে তারেক রহমানের মতো কোনো প্রধানমন্ত্রী পৃথিবীতে এসেছে কিনা, আমি আর দেখছি না।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিনিয়ত এ দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করেন। যে ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করেছিলেন তারই পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। আমরা ছাত্র-জনতার জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ফিরে পেয়েছি আরেকটি বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেশ নায়ক তারেক রহমানের। তারেক রহমান বাংলাদেশকে ভালোবাসেন, বাংলাদেশও তাকে ভালোবাসে। একটি প্রজন্মকে তৈরি করতে পারলে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।  

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহজাহান, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, নোবিপ্রবির উপউপাচার্য ড.মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে ৪৯ জন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড এবং তিনজনকে ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

এর আগে সকালে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে কেক কেটে, পায়রা উড়িয়ে ও বর্ণাঢ্য র‍্যালির মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সম্পাদকীয় :

Publisher & Editor :Md. Abu Hena Mostafa Zaman

Mobile No: 01971- 007766; 01711-954647

রাজশাহীর সময় অনলাইন নিউজ পোর্টাল আবেদনকৃত চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ঢাকা ।

অফিস :

Head office: 152- Aktroy more ( kazla)-6204 Thana : Motihar,Rajshahi

Email : [email protected],                    [email protected]