ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় মসজিদের ভেতরে পাঁচ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ইমামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২০ জুন) বিকেলে ত্রিশালের চিকনা মনোহর এলাকার হাসেন আলী শেখবাড়ী জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তার মোহাম্মদ শাহিনুর ইসলাম (৪৪) ওই মসজিদেরই মসজিদের ইমাম ও খতিব হিসেবে কর্মরত ছিল। সে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের বেলুয়া গ্রামর পশ্চিমপাড়া এলাকার মো. মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই শিশুটিসহ আরও দুই শিশু মসজিদের ইমাম শাহিনুর ইসলামের কাছে কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করে আসছিল। গত কিছুদিন ধরে ইমাম শাহিনুর অপর দুই শিশুকে দ্রুত ছুটি দিয়ে দিলেও ভুক্তভোগী শিশুটিকে নিয়মের বাইরে দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখতেন। বিষয়টি নিয়ে শিশুটির মায়ের সন্দেহ হলে তিনি তার স্বামীকে একাধিকবার বিষয়টি জানান। কিন্তু স্বামী প্রাথমিকভাবে অভিযোগটি বিশ্বাস করতে চাননি।
শনিবার বরাবরের মতোই বিকেলে ওই শিশুটি কোরআন পড়তে মসজিদে যায়। তবে নির্ধারিত সময়ের পরও মেয়েটি বাড়ি না ফেরায় দুশ্চিন্তাগ্রস্ত মা বিকেলে তিনটার দিকে মসজিদে যান। মসজিদের ভেতর প্রবেশ করতেই তিনি ইমাম শাহিনুর ইসলামকে শিশুটির সাথে আপত্তিকর ও নগ্ন অবস্থায় দেখতে পান।
শিশুটির মায়ের চিৎকারে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং অভিযুক্ত ইমামকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। এরপর ইমামকে জুতার মালা পড়িয়ে ও গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
এ ঘটনায় শনিবার (২০ জুন) রাতে থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা। পরে শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে মোহাম্মদ শাহিনুর ইসলাম (৪৪) নামে মসজিদের এক ইমামকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।
ভুক্তভোগী শিশুটির মা বলেন, ‘আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি চাই, যেন ভবিষ্যতে আর কোনো শিশুর সঙ্গে এমন ঘটনা না ঘটে।’
ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনসুর আহমেদ বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে অভিযুক্ত মোহাম্মদ শাহিনুর ইসলামকে হেফাজতে নেওয়া হয়। রাতেই ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিবদ্ধ করে অভিযুক্ত ইমামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ তাকে ময়মনসিংহের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হবে।’
শনিবার (২০ জুন) বিকেলে ত্রিশালের চিকনা মনোহর এলাকার হাসেন আলী শেখবাড়ী জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তার মোহাম্মদ শাহিনুর ইসলাম (৪৪) ওই মসজিদেরই মসজিদের ইমাম ও খতিব হিসেবে কর্মরত ছিল। সে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের বেলুয়া গ্রামর পশ্চিমপাড়া এলাকার মো. মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই শিশুটিসহ আরও দুই শিশু মসজিদের ইমাম শাহিনুর ইসলামের কাছে কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করে আসছিল। গত কিছুদিন ধরে ইমাম শাহিনুর অপর দুই শিশুকে দ্রুত ছুটি দিয়ে দিলেও ভুক্তভোগী শিশুটিকে নিয়মের বাইরে দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখতেন। বিষয়টি নিয়ে শিশুটির মায়ের সন্দেহ হলে তিনি তার স্বামীকে একাধিকবার বিষয়টি জানান। কিন্তু স্বামী প্রাথমিকভাবে অভিযোগটি বিশ্বাস করতে চাননি।
শনিবার বরাবরের মতোই বিকেলে ওই শিশুটি কোরআন পড়তে মসজিদে যায়। তবে নির্ধারিত সময়ের পরও মেয়েটি বাড়ি না ফেরায় দুশ্চিন্তাগ্রস্ত মা বিকেলে তিনটার দিকে মসজিদে যান। মসজিদের ভেতর প্রবেশ করতেই তিনি ইমাম শাহিনুর ইসলামকে শিশুটির সাথে আপত্তিকর ও নগ্ন অবস্থায় দেখতে পান।
শিশুটির মায়ের চিৎকারে স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং অভিযুক্ত ইমামকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। এরপর ইমামকে জুতার মালা পড়িয়ে ও গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
এ ঘটনায় শনিবার (২০ জুন) রাতে থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা। পরে শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে মোহাম্মদ শাহিনুর ইসলাম (৪৪) নামে মসজিদের এক ইমামকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।
ভুক্তভোগী শিশুটির মা বলেন, ‘আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি চাই, যেন ভবিষ্যতে আর কোনো শিশুর সঙ্গে এমন ঘটনা না ঘটে।’
ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনসুর আহমেদ বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে অভিযুক্ত মোহাম্মদ শাহিনুর ইসলামকে হেফাজতে নেওয়া হয়। রাতেই ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিবদ্ধ করে অভিযুক্ত ইমামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ তাকে ময়মনসিংহের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হবে।’