স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বাস্তবায়নাধীন জলবায়ু ও দুর্যোগ সহনশীল ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের (সিডিআরএসএসডব্লিউআরএমপি) আওতায় চলমান খাল পুনঃখনন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন প্রকল্প পরিচালক ইনামুল কবির।
রোববার (২১ জুন) ঠাকুরগাঁওয়ে মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে প্রায় ১১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য দুটি খাল খনন প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি, কাজের গুণগত মান এবং প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়।
পরিদর্শনকালে খাল পুনঃখননের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় প্রকল্পের সম্ভাব্য সুফল নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও টেকসই পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় প্রকল্পটির ভূমিকা নিয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, স্থানীয় উপকারভোগী এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রকল্প পরিচালক। তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্নের পাশাপাশি নির্মাণ ও বাস্তবায়ন কাজে সর্বোচ্চ গুণগত মান নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মামুন বিশ্বাস, প্রকল্প বাস্তবায়ন সহায়তা পরামর্শক (পিআইএসসি)-এর উপ-দলনেতা শহিদুল হক, জ্যেষ্ঠ কৃষিবিদ কাজী রেজাউল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ পানি সম্পদ পরিকল্পনাবিদ ও ডিজাইন প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম,গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞ আরাফাত ইকবাল কামাল, প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ উত্তম কুমার হালদার, সহকারী প্রকৌশলী এটিএম রাকিবুল হাসান হিমেল, জেলা পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা (ডিডব্লিউআরএমও) মিঠুন কুমার পাল, উপ-সহকারী প্রকৌশলী শাজিব হোসেন এবং ইএসডিও’র অন্তর্ভুক্তিমূলক ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির প্রধান আইনুল হক।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্পের আওতায় খাল পুনঃখনন ও পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের মাধ্যমে এলাকার কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সম্ভব হবে। এছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে জলাবদ্ধতা কমে গিয়ে কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
রোববার (২১ জুন) ঠাকুরগাঁওয়ে মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে প্রায় ১১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য দুটি খাল খনন প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি, কাজের গুণগত মান এবং প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়।
পরিদর্শনকালে খাল পুনঃখননের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় প্রকল্পের সম্ভাব্য সুফল নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও টেকসই পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় প্রকল্পটির ভূমিকা নিয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, স্থানীয় উপকারভোগী এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রকল্প পরিচালক। তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্নের পাশাপাশি নির্মাণ ও বাস্তবায়ন কাজে সর্বোচ্চ গুণগত মান নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মামুন বিশ্বাস, প্রকল্প বাস্তবায়ন সহায়তা পরামর্শক (পিআইএসসি)-এর উপ-দলনেতা শহিদুল হক, জ্যেষ্ঠ কৃষিবিদ কাজী রেজাউল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ পানি সম্পদ পরিকল্পনাবিদ ও ডিজাইন প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম,গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞ আরাফাত ইকবাল কামাল, প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ উত্তম কুমার হালদার, সহকারী প্রকৌশলী এটিএম রাকিবুল হাসান হিমেল, জেলা পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা (ডিডব্লিউআরএমও) মিঠুন কুমার পাল, উপ-সহকারী প্রকৌশলী শাজিব হোসেন এবং ইএসডিও’র অন্তর্ভুক্তিমূলক ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির প্রধান আইনুল হক।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্পের আওতায় খাল পুনঃখনন ও পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের মাধ্যমে এলাকার কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সম্ভব হবে। এছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে জলাবদ্ধতা কমে গিয়ে কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।