রাজশাহী মহানগরীর ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত কারুশ্রী জুয়েলার্সে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে| দোকানটির মালিকের দাবি, সংঘবদ্ধ চোরচক্র প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
ঘটনার প্রতিবাদে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) রাজশাহী জেলা শাখার সিদ্ধান্তে মহানগর ও জেলার অধিকাংশ স্বর্ণের দোকান বন্ধ রেখে কর্মসূচি পালন করছেন ব্যবসায়ীরা।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী তুর্য সরকার জানান, বৃহস্পতিবার রাতে নিয়ম অনুযায়ী দোকান বন্ধ করে তিনি বাসায় চলে যান। পরদিন শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় দোকান খোলা হয়নি। এই সুযোগে চোরেরা পাশের আফিয়া জুয়েলার্সের দেয়াল কেটে কারুশ্রী জুয়েলার্সে প্রবেশ করে।
তুর্য সরকার বলেন, চোরেরা দোকানের সবকিছু নিয়ে গেছে। প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করেছে| অথচ যে দোকানের দেয়াল কেটে তারা ঢুকেছে, সেই আফিয়া জুয়েলার্স থেকে কোনো মালামাল নেয়নি। আমাকে একেবারে নিঃস্ব করে দিয়ে গেছে।
তিনি জানান, চুরির পর বের হওয়ার সময় চোরেরা আফিয়া জুয়েলার্সের শাটার আবার বন্ধ করে তালা লাগিয়ে দেয়। এতে দীর্ঘ সময় ঘটনাটি গোপন থাকার সুযোগ তৈরি হয়।
বাজুস রাজশাহী জেলা শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক নাজেরুল ইসলাম মিঠু বলেন, এটি সাধারণ চুরির ঘটনা নয়। পরিকল্পিতভাবে সংঘবদ্ধ একটি চক্র এ ঘটনা ঘটিয়েছে। চোরেরা সিসিটিভি ক্যামেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে, যাতে কোনো প্রমাণ না থাকে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার প্রতিবাদে রাজশাহী মহানগর ও জেলার স্বর্ণ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। আমরা মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের গ্রেফতার করতে হবে। অন্যথায় ব্যবসায়ীরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।
এ ব্যপারে বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কাউকে থানায় আনা হয়নি।
এ ঘটনায় চোরচক্রের পরিচয়, লুট হওয়া স্বর্ণের অবস্থান এবং ঘটনার পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ অপরাধী দলের সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না-তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
ঘটনার প্রতিবাদে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) রাজশাহী জেলা শাখার সিদ্ধান্তে মহানগর ও জেলার অধিকাংশ স্বর্ণের দোকান বন্ধ রেখে কর্মসূচি পালন করছেন ব্যবসায়ীরা।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী তুর্য সরকার জানান, বৃহস্পতিবার রাতে নিয়ম অনুযায়ী দোকান বন্ধ করে তিনি বাসায় চলে যান। পরদিন শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় দোকান খোলা হয়নি। এই সুযোগে চোরেরা পাশের আফিয়া জুয়েলার্সের দেয়াল কেটে কারুশ্রী জুয়েলার্সে প্রবেশ করে।
তুর্য সরকার বলেন, চোরেরা দোকানের সবকিছু নিয়ে গেছে। প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করেছে| অথচ যে দোকানের দেয়াল কেটে তারা ঢুকেছে, সেই আফিয়া জুয়েলার্স থেকে কোনো মালামাল নেয়নি। আমাকে একেবারে নিঃস্ব করে দিয়ে গেছে।
তিনি জানান, চুরির পর বের হওয়ার সময় চোরেরা আফিয়া জুয়েলার্সের শাটার আবার বন্ধ করে তালা লাগিয়ে দেয়। এতে দীর্ঘ সময় ঘটনাটি গোপন থাকার সুযোগ তৈরি হয়।
বাজুস রাজশাহী জেলা শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক নাজেরুল ইসলাম মিঠু বলেন, এটি সাধারণ চুরির ঘটনা নয়। পরিকল্পিতভাবে সংঘবদ্ধ একটি চক্র এ ঘটনা ঘটিয়েছে। চোরেরা সিসিটিভি ক্যামেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে, যাতে কোনো প্রমাণ না থাকে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার প্রতিবাদে রাজশাহী মহানগর ও জেলার স্বর্ণ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। আমরা মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের গ্রেফতার করতে হবে। অন্যথায় ব্যবসায়ীরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।
এ ব্যপারে বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কাউকে থানায় আনা হয়নি।
এ ঘটনায় চোরচক্রের পরিচয়, লুট হওয়া স্বর্ণের অবস্থান এবং ঘটনার পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ অপরাধী দলের সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না-তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।