রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নে (ইউপি) অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির (ইজিপিপি) আওতায় গুরুত্বপূর্ণ একটি খাল পুনঃখনন কাজ পরিদর্শন করা হয়েছে। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে এই প্রকল্পের অধীনে উপজেলার ‘চব্বিশনগর বোয়ালা বিল হতে দমদমা পর্যন্ত খালটির পুনঃখনন কাজ চলমান রয়েছে।
জানা গেছে, শনিবার (২০ জুন) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান মাঠ পর্যায়ে এই উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শনে আসেন। পরিদর্শনকালে মহাপরিচালক কাজের অগ্রগতি ও গুণগত মান পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি প্রকল্প এলাকার শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার তাগিদ দেন। একই সঙ্গে প্রকৃত অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণে সংশ্লিষ্টদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন।
এ সময় মহাপরিচালকের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল হাই, গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মমিনুল ইসলাম।
এছাড়াও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন রিশিকুল ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাহাবুবুর রহমান টিটুসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানান, বরেন্দ্র অঞ্চলের এই ঐতিহ্যবাহী খাড়িটি পুনঃখননের ফলে এলাকার জলাবদ্ধতা দূর হওয়ার পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে কৃষিকাজে সেচ সুবিধা নিশ্চিত হবে। এতে স্থানীয় কৃষিক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে এবং ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমবে।
জানা গেছে, শনিবার (২০ জুন) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান মাঠ পর্যায়ে এই উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শনে আসেন। পরিদর্শনকালে মহাপরিচালক কাজের অগ্রগতি ও গুণগত মান পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি প্রকল্প এলাকার শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার তাগিদ দেন। একই সঙ্গে প্রকৃত অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণে সংশ্লিষ্টদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন।
এ সময় মহাপরিচালকের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল হাই, গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মমিনুল ইসলাম।
এছাড়াও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন রিশিকুল ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাহাবুবুর রহমান টিটুসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানান, বরেন্দ্র অঞ্চলের এই ঐতিহ্যবাহী খাড়িটি পুনঃখননের ফলে এলাকার জলাবদ্ধতা দূর হওয়ার পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে কৃষিকাজে সেচ সুবিধা নিশ্চিত হবে। এতে স্থানীয় কৃষিক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে এবং ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমবে।