ইরান সমর্থিত শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজ়বুল্লার সঙ্গে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরেও দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় আবার হামলা চালাল ইজ়রায়েলি সেনা। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত ধারাবাহিক হানায় অন্তত পাঁচ জন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে বলে লেবাননের সরকারি সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ)-র অভিযোগ।
এরই মধ্যে আমেরিকার গোয়েন্দা বাহিনীর একটি রিপোর্টের উল্লেখ করে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’ জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হলেও লেবাননে আপাতত হামলা চালিয়ে যাবে তেল আভিভ! ওয়াশিংটনের তরফে জানানো হয়েছিল, ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তির শর্তের অংশ হিসাবেই শুক্রবার বিকেল ৪টেয় (স্থানীয় সময়) থেকে ইজ়রায়েল এবং হিজ়বুল্লার মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। ইজ়রায়েল সরকার এবং হিজ়বুল্লাও তাতে সম্মতি জানিয়েছিল। কিন্তু রাত গড়াতেই ইজ়রায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় স্থলপথে হামলা চালায়। আরব সালিম, দেইরের মতো জনপথে গোলাবর্ষণ করা হয়। শনিবার ভোরে নাবাতিয়েহ এলাকার অসামরিক বসতি অঞ্চলে হয় ড্রোন হামলা।
নেতানিয়াহুর এই পদক্ষেপের ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েসকিয়ানের মধ্যে সদ্য সই হওয়া শান্তি সমঝোতা (যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত প্রাথমিক চুক্তি) অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তবে চূড়ান্ত চুক্তিটি স্বাক্ষরের আগে আরও বিস্তারিত ভাবে আলোচনার জন্য ৬০ দিন সময়সীমা রাখা হয়েছে। কিন্তু তেল আভিভ ধারাবাহিক আগ্রাসন বজায় থাকলে পুরো প্রক্রিয়া ভেস্তে যেতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। তাঁর ‘পরামর্শ’ না মেনে লেবাননে হামলা চালানোয় চলতি সপ্তাহেই ট্রাম্প টেলিফোনে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন নেতানিয়াহুকে। কিন্তু তাতে গুরুত্ব না দিয়েই লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইজ়রায়েলি সেনা।
কিন্তু কেন এমন অনড় মনোভাব নিয়েছেন নেতানিয়াহু? নিউ ইয়র্ক টাইমসের রিপোর্টে ইঙ্গিত, ঘরোয়া রাজনীতিতে চাপের মুখে পড়েই এমন আগ্রাসী আচরণ করছেন তিনি। ইজ়রায়েলের বিভিন্ন জনমত সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দেশের অন্দরে ক্রমশ জনসমর্থন হারাচ্ছে ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টি। লেবানন সীমান্তবর্তী উত্তর ইজ়রায়েলের প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটার সরকারের নীতির সমালোচনা করেছেন এবং বিরোধী দলগুলি সেখানে আগাম নির্বাচনের ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছে। এই পরিস্থিতিতে চলতি বছরের অক্টোবরে ইজ়রায়েলে পার্লামেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা। তাই জাতীয়তাবাদের আবেগ উস্কে দিতে আগ্রাসী অবস্থান নিয়েছেন নেতানিয়াহু। এ ক্ষেত্রে তাঁর ‘পাখির চোখ’, পশ্চিম এশিয়ায় ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী মিত্র হিজ়বুল্লার সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি নিঃশেষ করে দেওয়া।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের মাটিতে ইজরায়েলি সেনার হামলার পরেই প্রত্যাঘাত করেছিল তেহরানের মদতপুষ্ট ‘অ্যাক্সিস অফ রেজ়িস্ট্যান্স’। লেবাননের হিজবুল্লা, ইরাকের ‘পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস’ (পিএমএফ) এবং আশাব আল-কাহ্ফ, ইয়েমেনের হুথির মতো সশস্ত্র শিয়া গোষ্ঠী রয়েছে সেই তালিকায়। তাদের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইজরায়েলি সেনাও। কিন্তু লেবানন সরকার হিজবুল্লার বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেনি। কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ইরানের মদতপুষ্ট ওই শিয়া সশস্ত্র বাহিনী লেবাননের গণতান্ত্রিক রাজনীতিরও অন্যতম অংশীদার। হিজবুল্লার রাজনৈতিক শাখা ‘লয়ালিটি টু দ্য রেজ়িস্ট্যান্স’-এর পার্লামেন্ট সদস্যদের সমর্থনের উপর লেবাননের জোট সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নির্ভর করে। এই পরিস্থিতিতে লেবাননের পক্ষে হিজবুল্লা বিরোধী পদক্ষেপ করা কঠিন।
এরই মধ্যে আমেরিকার গোয়েন্দা বাহিনীর একটি রিপোর্টের উল্লেখ করে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’ জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হলেও লেবাননে আপাতত হামলা চালিয়ে যাবে তেল আভিভ! ওয়াশিংটনের তরফে জানানো হয়েছিল, ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তির শর্তের অংশ হিসাবেই শুক্রবার বিকেল ৪টেয় (স্থানীয় সময়) থেকে ইজ়রায়েল এবং হিজ়বুল্লার মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। ইজ়রায়েল সরকার এবং হিজ়বুল্লাও তাতে সম্মতি জানিয়েছিল। কিন্তু রাত গড়াতেই ইজ়রায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় স্থলপথে হামলা চালায়। আরব সালিম, দেইরের মতো জনপথে গোলাবর্ষণ করা হয়। শনিবার ভোরে নাবাতিয়েহ এলাকার অসামরিক বসতি অঞ্চলে হয় ড্রোন হামলা।
নেতানিয়াহুর এই পদক্ষেপের ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েসকিয়ানের মধ্যে সদ্য সই হওয়া শান্তি সমঝোতা (যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত প্রাথমিক চুক্তি) অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তবে চূড়ান্ত চুক্তিটি স্বাক্ষরের আগে আরও বিস্তারিত ভাবে আলোচনার জন্য ৬০ দিন সময়সীমা রাখা হয়েছে। কিন্তু তেল আভিভ ধারাবাহিক আগ্রাসন বজায় থাকলে পুরো প্রক্রিয়া ভেস্তে যেতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। তাঁর ‘পরামর্শ’ না মেনে লেবাননে হামলা চালানোয় চলতি সপ্তাহেই ট্রাম্প টেলিফোনে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন নেতানিয়াহুকে। কিন্তু তাতে গুরুত্ব না দিয়েই লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইজ়রায়েলি সেনা।
কিন্তু কেন এমন অনড় মনোভাব নিয়েছেন নেতানিয়াহু? নিউ ইয়র্ক টাইমসের রিপোর্টে ইঙ্গিত, ঘরোয়া রাজনীতিতে চাপের মুখে পড়েই এমন আগ্রাসী আচরণ করছেন তিনি। ইজ়রায়েলের বিভিন্ন জনমত সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দেশের অন্দরে ক্রমশ জনসমর্থন হারাচ্ছে ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টি। লেবানন সীমান্তবর্তী উত্তর ইজ়রায়েলের প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটার সরকারের নীতির সমালোচনা করেছেন এবং বিরোধী দলগুলি সেখানে আগাম নির্বাচনের ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছে। এই পরিস্থিতিতে চলতি বছরের অক্টোবরে ইজ়রায়েলে পার্লামেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা। তাই জাতীয়তাবাদের আবেগ উস্কে দিতে আগ্রাসী অবস্থান নিয়েছেন নেতানিয়াহু। এ ক্ষেত্রে তাঁর ‘পাখির চোখ’, পশ্চিম এশিয়ায় ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী মিত্র হিজ়বুল্লার সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি নিঃশেষ করে দেওয়া।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের মাটিতে ইজরায়েলি সেনার হামলার পরেই প্রত্যাঘাত করেছিল তেহরানের মদতপুষ্ট ‘অ্যাক্সিস অফ রেজ়িস্ট্যান্স’। লেবাননের হিজবুল্লা, ইরাকের ‘পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস’ (পিএমএফ) এবং আশাব আল-কাহ্ফ, ইয়েমেনের হুথির মতো সশস্ত্র শিয়া গোষ্ঠী রয়েছে সেই তালিকায়। তাদের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইজরায়েলি সেনাও। কিন্তু লেবানন সরকার হিজবুল্লার বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেনি। কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ইরানের মদতপুষ্ট ওই শিয়া সশস্ত্র বাহিনী লেবাননের গণতান্ত্রিক রাজনীতিরও অন্যতম অংশীদার। হিজবুল্লার রাজনৈতিক শাখা ‘লয়ালিটি টু দ্য রেজ়িস্ট্যান্স’-এর পার্লামেন্ট সদস্যদের সমর্থনের উপর লেবাননের জোট সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নির্ভর করে। এই পরিস্থিতিতে লেবাননের পক্ষে হিজবুল্লা বিরোধী পদক্ষেপ করা কঠিন।