ভূমিমন্ত্রী মোঃ মিজানুর রহমান মিনু, এমপি বলেছেন, বরেন্দ্র সভ্যতার ইতিহাস ও ঐতিহ্য ধারণ করে শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। অর্জিত জ্ঞান ও উচ্চশিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের দক্ষতা বিকাশের পাশাপাশি দেশ ও মানবতার সেবায় ভূমিকা রাখতে হবে।
শনিবার (২০ জুন) সকালে রাজশাহী বরেন্দ্র কলেজ চত্বরে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চল বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন জনপদ। এ অঞ্চলের সভ্যতা প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার বছরের পুরোনো। বরেন্দ্রের সংস্কৃতি, ভাষা ও শিক্ষা প্রাচীনকাল থেকেই মানুষকে আলোকিত করে আসছে।
তিনি রাজশাহী অঞ্চলের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের শহিদ ড. জোহা এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের আত্মত্যাগে এই মাটি সমৃদ্ধ। শিক্ষার্থীদের কাছে এই ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ভূমিমন্ত্রী বলেন, জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে। শুধু রাজনীতি নয়, ভালো প্রকৌশলী, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী কিংবা আইনজীবী হয়ে সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে তাঁদের নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বরেন্দ্র কলেজ সরকারিকরণের জন্য প্রতিষ্ঠানটি একটি উপযুক্ত অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতে এই কলেজ যেন বিশ্বমানের মেধাবী শিক্ষার্থী তৈরি করতে পারে, সে লক্ষ্যে তাঁর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বরেন্দ্র কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি তৌফিকুর রহমান লাবলু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট। স্বাগত বক্তব্য দেন কলেজের অধ্যক্ষ রণজিৎ কুমার সাহা।
এ সময় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সুধীজন ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে শিক্ষার্থীদের হাতে প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড তুলে দেন ভূমিমন্ত্রী।
শনিবার (২০ জুন) সকালে রাজশাহী বরেন্দ্র কলেজ চত্বরে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চল বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন জনপদ। এ অঞ্চলের সভ্যতা প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার বছরের পুরোনো। বরেন্দ্রের সংস্কৃতি, ভাষা ও শিক্ষা প্রাচীনকাল থেকেই মানুষকে আলোকিত করে আসছে।
তিনি রাজশাহী অঞ্চলের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের শহিদ ড. জোহা এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের আত্মত্যাগে এই মাটি সমৃদ্ধ। শিক্ষার্থীদের কাছে এই ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ভূমিমন্ত্রী বলেন, জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করে এগিয়ে যেতে হবে। শুধু রাজনীতি নয়, ভালো প্রকৌশলী, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী কিংবা আইনজীবী হয়ে সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে তাঁদের নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বরেন্দ্র কলেজ সরকারিকরণের জন্য প্রতিষ্ঠানটি একটি উপযুক্ত অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতে এই কলেজ যেন বিশ্বমানের মেধাবী শিক্ষার্থী তৈরি করতে পারে, সে লক্ষ্যে তাঁর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বরেন্দ্র কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি তৌফিকুর রহমান লাবলু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইট। স্বাগত বক্তব্য দেন কলেজের অধ্যক্ষ রণজিৎ কুমার সাহা।
এ সময় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সুধীজন ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে শিক্ষার্থীদের হাতে প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড তুলে দেন ভূমিমন্ত্রী।