দেশে হামের প্রকোপে মৃত্যুর মিছিল যেন থামছেই না। গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা) হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ১৭৪ জন।
শুক্রবার (১৯ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সবশেষ প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
নতুন এই মৃত্যুসহ দেশে এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৭০ জনে। এর মধ্যে ল্যাব-পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে ৯৩ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৭৭টি শিশু মারা গেছে।
সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া চার শিশুর মধ্যে দুটি মৃত্যুই রেকর্ড করা হয়েছে সিলেট বিভাগে। এ ছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে একজন করে শিশু মারা গেছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহভাজন হাম রোগী হিসেবে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৭২ জন।
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে ঢাকা বিভাগে, যার সংখ্যা ৩৬১ জন। অন্যান্য বিভাগের মধ্যে চট্টগ্রামে ২১৬ জন এবং বরিশালে ১৩২ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
তবে আক্রান্তের বিপরীতে সুস্থতার হারও সন্তোষজনক, গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ৮৯৩ জন।
গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে গত ৯৬ দিনে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল রূপ নিয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই সাড়ে তিন মাসে দেশের মোট ৯০ হাজার ৯৮২ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। এর মধ্যে এ পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৮৬৯ জনের।
রোগটির তীব্রতা বাড়ায় এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে ৭৫ হাজার ১৫৬ জনকে। চিকিৎসকদের আপ্রাণ চেষ্টায় হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে এ পর্যন্ত বাড়ি ফিরে গেছেন ৭১ হাজার ৩৯৬ জন।
শুক্রবার (১৯ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সবশেষ প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
নতুন এই মৃত্যুসহ দেশে এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৭০ জনে। এর মধ্যে ল্যাব-পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে ৯৩ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৭৭টি শিশু মারা গেছে।
সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া চার শিশুর মধ্যে দুটি মৃত্যুই রেকর্ড করা হয়েছে সিলেট বিভাগে। এ ছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে একজন করে শিশু মারা গেছে। একই সময়ে নতুন করে সন্দেহভাজন হাম রোগী হিসেবে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৭২ জন।
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে ঢাকা বিভাগে, যার সংখ্যা ৩৬১ জন। অন্যান্য বিভাগের মধ্যে চট্টগ্রামে ২১৬ জন এবং বরিশালে ১৩২ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
তবে আক্রান্তের বিপরীতে সুস্থতার হারও সন্তোষজনক, গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ৮৯৩ জন।
গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে গত ৯৬ দিনে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল রূপ নিয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই সাড়ে তিন মাসে দেশের মোট ৯০ হাজার ৯৮২ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। এর মধ্যে এ পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৮৬৯ জনের।
রোগটির তীব্রতা বাড়ায় এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে ৭৫ হাজার ১৫৬ জনকে। চিকিৎসকদের আপ্রাণ চেষ্টায় হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে এ পর্যন্ত বাড়ি ফিরে গেছেন ৭১ হাজার ৩৯৬ জন।