ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশের লক্ষ্যে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৩ দিনব্যাপী ১০ম উপজেলা স্কাউট ক্যাম্পুরী ও দ্বাদশ স্কাউট সমাবেশ-২০২৬। উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শত শত স্কাউট সদস্যের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত হয়।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেল ৫টায় রাণীশংকৈল ডিগ্রি কলেজ মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবেশের উদ্বোধন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা বেগম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা স্কাউটসের লিডার ট্রেইনার মো. আখতারুজ্জামান।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা স্কাউট কমিশনার জাকিরুল হক চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আল্লামা ওয়াদুদ বিন নূর আলিফ, পৌর বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক শাহজাহান আলী এবং সাধারণ সম্পাদক মহসিন আলী।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন স্কাউট কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, সাংবাদিক, অভিভাবক এবং ক্যাম্পুরী ও সমাবেশে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা। অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও স্কাউটদের গার্ড অব অনারের মাধ্যমে বরণ করে নেওয়া হয়।
সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা স্কাউট সমিতির সম্পাদক ফেরদৌস আলম মানিক। এছাড়া বক্তব্য রাখেন লিডার ট্রেইনার ফয়জুল ইসলামসহ স্কাউট আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। আয়োজক সূত্রে জানা যায়, এবারের ক্যাম্পুরী ও সমাবেশে উপজেলার ৩১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ৪২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কাউট ও কাব স্কাউট সদস্যরা অংশগ্রহণ করে। তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে ক্যাম্প স্থাপন, প্যারেড, দলগত কার্যক্রম, শৃঙ্খলা ও নেতৃত্ব বিকাশমূলক প্রশিক্ষণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খেলাধুলা এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, স্কাউটিং শুধু একটি সহশিক্ষা কার্যক্রম নয়, বরং এটি একজন শিক্ষার্থীকে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার অন্যতম কার্যকর মাধ্যম। স্কাউট প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা দায়িত্ববোধ, আত্মনির্ভরশীলতা, দেশপ্রেম, মানবসেবা ও নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করে। তারা শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি স্কাউটিং কার্যক্রমে আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা বেগম বলেন, “স্কাউট আন্দোলন শিক্ষার্থীদের মাঝে শৃঙ্খলা, সততা ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে। ভবিষ্যতের দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তুলতে স্কাউটিংয়ের বিকল্প নেই।”উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে স্কাউট সদস্যরা মনোমুগ্ধকর নৃত্য, সংগীত ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করে। তাদের প্রাণবন্ত পরিবেশনায় উপস্থিত অতিথি ও দর্শকরা মুগ্ধ হন। উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।
তিন দিনব্যাপী এই ক্যাম্পুরী ও সমাবেশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশের পাশাপাশি পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আয়োজকরা।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেল ৫টায় রাণীশংকৈল ডিগ্রি কলেজ মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবেশের উদ্বোধন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা বেগম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা স্কাউটসের লিডার ট্রেইনার মো. আখতারুজ্জামান।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা স্কাউট কমিশনার জাকিরুল হক চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আল্লামা ওয়াদুদ বিন নূর আলিফ, পৌর বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক শাহজাহান আলী এবং সাধারণ সম্পাদক মহসিন আলী।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন স্কাউট কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, সাংবাদিক, অভিভাবক এবং ক্যাম্পুরী ও সমাবেশে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা। অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও স্কাউটদের গার্ড অব অনারের মাধ্যমে বরণ করে নেওয়া হয়।
সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা স্কাউট সমিতির সম্পাদক ফেরদৌস আলম মানিক। এছাড়া বক্তব্য রাখেন লিডার ট্রেইনার ফয়জুল ইসলামসহ স্কাউট আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। আয়োজক সূত্রে জানা যায়, এবারের ক্যাম্পুরী ও সমাবেশে উপজেলার ৩১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ৪২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কাউট ও কাব স্কাউট সদস্যরা অংশগ্রহণ করে। তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে ক্যাম্প স্থাপন, প্যারেড, দলগত কার্যক্রম, শৃঙ্খলা ও নেতৃত্ব বিকাশমূলক প্রশিক্ষণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খেলাধুলা এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, স্কাউটিং শুধু একটি সহশিক্ষা কার্যক্রম নয়, বরং এটি একজন শিক্ষার্থীকে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার অন্যতম কার্যকর মাধ্যম। স্কাউট প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা দায়িত্ববোধ, আত্মনির্ভরশীলতা, দেশপ্রেম, মানবসেবা ও নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করে। তারা শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি স্কাউটিং কার্যক্রমে আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা বেগম বলেন, “স্কাউট আন্দোলন শিক্ষার্থীদের মাঝে শৃঙ্খলা, সততা ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে। ভবিষ্যতের দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তুলতে স্কাউটিংয়ের বিকল্প নেই।”উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে স্কাউট সদস্যরা মনোমুগ্ধকর নৃত্য, সংগীত ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করে। তাদের প্রাণবন্ত পরিবেশনায় উপস্থিত অতিথি ও দর্শকরা মুগ্ধ হন। উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।
তিন দিনব্যাপী এই ক্যাম্পুরী ও সমাবেশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশের পাশাপাশি পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আয়োজকরা।